ময়মনসিংহ , শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

চট্টগ্রাম-১৪ আসনে এলডিপির অলি আহমদের ভোটে কারচুপির অভিযোগ

চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া) আসনে বৃহস্পতিবার ভোট গ্রহণের সময় বিকেল ৪টার পর বিভিন্ন জায়গায় কারচুপি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।

গত শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি এই অভিযোগ তোলেন। এ আসন থেকে তার ছেলে ওমর ফারুক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হয়েছেন।

চট্টগ্রাম-১৪ আসনে আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। বিএনপির প্রার্থী জসীম উদ্দিন আহমেদ ৭৬ হাজার ৪৯৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের এলডিপির প্রার্থী ওমর ফারুক পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৪৬৭ ভোট।

ভিডিও বার্তায় অলি আহমদ জানান, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। তবে বিভিন্ন কেন্দ্রে কারচুপির ঘটনা ঘটেছে । বিশেষ করে হাশিমপুর তরুণ সংঘ স্কুল, হাশিমপুর বড়পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং দোহাজারী আবদুর রহমান উচ্চবিদ্যালয়ে বিকেল সাড়ে ৪টার পর অপরিচিত কয়েক শ লোক প্রবেশ করে জোরপূর্বক ব্যালট পেপার ঢুকিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যারা নির্বাচনের দায়িত্বে ছিলেন, তারা একতরফাভাবে কাজ করেছেন অভিযোগ টেনে অলি আহমদ জানান, বিভিন্ন জায়গায় তাদের এজেন্টদের সাড়ে ৪টার পর বের করে দিয়েছেন। এ ছাড়াও ওমর ফারুকের প্রায় সাড়ে ৪ হাজার ভোট বাতিল বলে গণ্য করেছে। এজেন্টেরা যখন এটা চ্যালেঞ্জ করেছেন, তাদেরকে বাতিলগুলো কেন–কীভাবে করা হয়েছে, এইগুলো দেখানো হয় নাই।

এলডিপি সভাপতি বলেন, ‘আমি আপনাদেরকে এটাই বলব, সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে ওমর ফারুককে পরাজিত করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। আপনাদের অবগতির জন্য এটা জানাতে চাই, আপনারা যদি মনে করেন, প্রফেসর ওমর ফারুক পরাজিত হয়েছে, ড. কর্নেল অলি আহমদ পরাজিত হয়েছে, আমরা পরাজিত হই নাই। আল্লাহর মেহেরবানি, আমার নবীর দয়া মুক্তিযোদ্ধা কখনো পরাজিত হয় না, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কখনো পরাজিত হয় না। পরাজিত হয়েছে টাকা এবং আমার নির্বাচনী এলাকার কিছু লোক।’

ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, এখন কিছু উচ্ছৃঙ্খল ছেলেরা তাদের কর্মীদের ওপর আক্রমণ করছে; এ ক্ষেত্রে প্রশাসন নিরব। অথচ প্রশাসনের উচিত দুদিন এখানে বসে প্রত্যেকটা জায়গায় টহল দেওয়া এবং দেখা কোনো জায়গা সমস্যা হচ্ছে কি না। তারা এ ব্যাপারে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম-১৪ আসনে এলডিপির অলি আহমদের ভোটে কারচুপির অভিযোগ

আপডেট সময় ১২:৩৪:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া) আসনে বৃহস্পতিবার ভোট গ্রহণের সময় বিকেল ৪টার পর বিভিন্ন জায়গায় কারচুপি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।

গত শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি এই অভিযোগ তোলেন। এ আসন থেকে তার ছেলে ওমর ফারুক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হয়েছেন।

চট্টগ্রাম-১৪ আসনে আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। বিএনপির প্রার্থী জসীম উদ্দিন আহমেদ ৭৬ হাজার ৪৯৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের এলডিপির প্রার্থী ওমর ফারুক পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৪৬৭ ভোট।

ভিডিও বার্তায় অলি আহমদ জানান, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। তবে বিভিন্ন কেন্দ্রে কারচুপির ঘটনা ঘটেছে । বিশেষ করে হাশিমপুর তরুণ সংঘ স্কুল, হাশিমপুর বড়পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং দোহাজারী আবদুর রহমান উচ্চবিদ্যালয়ে বিকেল সাড়ে ৪টার পর অপরিচিত কয়েক শ লোক প্রবেশ করে জোরপূর্বক ব্যালট পেপার ঢুকিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যারা নির্বাচনের দায়িত্বে ছিলেন, তারা একতরফাভাবে কাজ করেছেন অভিযোগ টেনে অলি আহমদ জানান, বিভিন্ন জায়গায় তাদের এজেন্টদের সাড়ে ৪টার পর বের করে দিয়েছেন। এ ছাড়াও ওমর ফারুকের প্রায় সাড়ে ৪ হাজার ভোট বাতিল বলে গণ্য করেছে। এজেন্টেরা যখন এটা চ্যালেঞ্জ করেছেন, তাদেরকে বাতিলগুলো কেন–কীভাবে করা হয়েছে, এইগুলো দেখানো হয় নাই।

এলডিপি সভাপতি বলেন, ‘আমি আপনাদেরকে এটাই বলব, সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে ওমর ফারুককে পরাজিত করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। আপনাদের অবগতির জন্য এটা জানাতে চাই, আপনারা যদি মনে করেন, প্রফেসর ওমর ফারুক পরাজিত হয়েছে, ড. কর্নেল অলি আহমদ পরাজিত হয়েছে, আমরা পরাজিত হই নাই। আল্লাহর মেহেরবানি, আমার নবীর দয়া মুক্তিযোদ্ধা কখনো পরাজিত হয় না, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কখনো পরাজিত হয় না। পরাজিত হয়েছে টাকা এবং আমার নির্বাচনী এলাকার কিছু লোক।’

ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, এখন কিছু উচ্ছৃঙ্খল ছেলেরা তাদের কর্মীদের ওপর আক্রমণ করছে; এ ক্ষেত্রে প্রশাসন নিরব। অথচ প্রশাসনের উচিত দুদিন এখানে বসে প্রত্যেকটা জায়গায় টহল দেওয়া এবং দেখা কোনো জায়গা সমস্যা হচ্ছে কি না। তারা এ ব্যাপারে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে।