ময়মনসিংহ , রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ময়মনসিংহে ৪৪ তম জাতীয় ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬-এর বর্ণাঢ্য উদ্বোধন আমরা দুর্নীতি করবো না, করতে দেব না বলেছেন শিক্ষামন্ত্রী দলীয় পরিচয়ে চাঁদাবাজির সুযোগ দেবে না সরকার বললেন ববি হাজ্জাজ বিএনপি নেত্রী সেলিমা রহমান গুরুতর অসুস্থ হয়ে সিসিইউতে আরেক কোটিপতি ড্রাইভারের সন্ধান পিএসসির সেই আবেদ আলীর পর সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গণভোটকে অস্বীকার করা মানে জুলাই আন্দোলনকে অস্বীকার বললেন রফিকুল ইসলাম খান মাত্র ৫ টাকা নিয়ে বিরোধ, বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের লক্ষ্মীপুরে বাংলাদেশ নির্বাচন-পরবর্তী অর্থনীতি ও পোশাক খাতে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি বিএনপি থেকে এগিয়ে যারা সংরক্ষিত নারী আসনে
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

গণভোটকে অস্বীকার করা মানে জুলাই আন্দোলনকে অস্বীকার বললেন রফিকুল ইসলাম খান

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:২৯:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

গণভোটকে অস্বীকার করা মানে হলো জুলাই আন্দোলনকে অস্বীকার করা- এমন দাবি করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় হুইপ ও সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।

আজ রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে উল্লাপাড়া পৌর এলাকার পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, থানা মোড় ও শহীদ মিনার এলাকায় পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে এসব কথা বলেন তিনি।

জুলাই আন্দোলনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে জামায়াতের এই নেতা বলেন, আমি আজকে পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, এই যে আজকে আমি উল্লাপাড়া মডেল থানার সামনে মিডিয়ায় কথা বলতেছি। জুলাই বিপ্লব না হলে আমি এই জায়গায় আসতে পারতাম না। গত ১৬-১৭ বছর আমাকে উল্লাপাড়া আসতে দেওয়া হয় নাই। সংসদ সদস্য হওয়া তো দূরের কথা। এখন যারা সরকারে আছেন, তারাও আমাদের সাথে আন্দোলনে ছিলেন। জুলাই বিপ্লবে কতটুকু ভূমিকা রাখছে আমি তা বলতে চাই না। তবে বিগত সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে তারা সব সময় ছিলেন। তারা হঠাৎ করে জুলাই বিপ্লবকে অস্বীকার করে। আমি এ কথা শুনেছি মিডিয়ায় এই সরকারের কোন কোন গুরুত্বপূর্ণ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বলছেন, গণভোট বলতে কিছু নেই।  আরে অবাক কাণ্ড। গণভোট বলতে কিছু নেই! তাহলে, আপনি স্বাক্ষর করলেন কেন? আপনার দল তো স্বাক্ষর করেছে। তাহলে আজকে আবার এটি বলতেছেন কেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা পরিষ্কারভাবে বলতে চাই- জুলাই হলো বাংলাদেশের মানুষের চেতনার সাথে রিলেটেড। এই জুলাই বিপ্লবের জন্য প্রায় দুই হাজার লোক জীবন দিয়েছে। প্রায় ৭০ হাজার নারী এবং পুরুষ আহত, পঙ্গু, বাড়িঘর ছাড়া হয়েছেন। এই জুলাই বিপ্লব নিয়ে কেউ যদি তামাশা করে তাহলে তাদেরও পরিণতি আগের যারা এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত, তাদের মতোই হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ময়মনসিংহে ৪৪ তম জাতীয় ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬-এর বর্ণাঢ্য উদ্বোধন

গণভোটকে অস্বীকার করা মানে জুলাই আন্দোলনকে অস্বীকার বললেন রফিকুল ইসলাম খান

আপডেট সময় ০১:২৯:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গণভোটকে অস্বীকার করা মানে হলো জুলাই আন্দোলনকে অস্বীকার করা- এমন দাবি করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় হুইপ ও সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।

আজ রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে উল্লাপাড়া পৌর এলাকার পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, থানা মোড় ও শহীদ মিনার এলাকায় পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে এসব কথা বলেন তিনি।

জুলাই আন্দোলনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে জামায়াতের এই নেতা বলেন, আমি আজকে পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, এই যে আজকে আমি উল্লাপাড়া মডেল থানার সামনে মিডিয়ায় কথা বলতেছি। জুলাই বিপ্লব না হলে আমি এই জায়গায় আসতে পারতাম না। গত ১৬-১৭ বছর আমাকে উল্লাপাড়া আসতে দেওয়া হয় নাই। সংসদ সদস্য হওয়া তো দূরের কথা। এখন যারা সরকারে আছেন, তারাও আমাদের সাথে আন্দোলনে ছিলেন। জুলাই বিপ্লবে কতটুকু ভূমিকা রাখছে আমি তা বলতে চাই না। তবে বিগত সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে তারা সব সময় ছিলেন। তারা হঠাৎ করে জুলাই বিপ্লবকে অস্বীকার করে। আমি এ কথা শুনেছি মিডিয়ায় এই সরকারের কোন কোন গুরুত্বপূর্ণ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বলছেন, গণভোট বলতে কিছু নেই।  আরে অবাক কাণ্ড। গণভোট বলতে কিছু নেই! তাহলে, আপনি স্বাক্ষর করলেন কেন? আপনার দল তো স্বাক্ষর করেছে। তাহলে আজকে আবার এটি বলতেছেন কেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা পরিষ্কারভাবে বলতে চাই- জুলাই হলো বাংলাদেশের মানুষের চেতনার সাথে রিলেটেড। এই জুলাই বিপ্লবের জন্য প্রায় দুই হাজার লোক জীবন দিয়েছে। প্রায় ৭০ হাজার নারী এবং পুরুষ আহত, পঙ্গু, বাড়িঘর ছাড়া হয়েছেন। এই জুলাই বিপ্লব নিয়ে কেউ যদি তামাশা করে তাহলে তাদেরও পরিণতি আগের যারা এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত, তাদের মতোই হবে।