সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, ঢাকায় আন্তর্জাতিক মানের ডিএনএ ল্যাবরেটরি করা হবে। পাশাপাশি সকল বিভাগীয় শহরে পর্যায়ক্রমে ডিএনএ স্ক্রিনিং ল্যাবরেটরিকে দ্রুত স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রোফাইলিং ল্যাবে উন্নীত করা হবে।
তিনি বলেন, ঢাকায় আড়াই কোটি মানুষের বসবাস। প্রতিবছর ধারাবাহিকভাবে ডিএনএ পরীক্ষার সংখ্যা বাড়তে থাকায়, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ফরেনসিক ডিএনএ ল্যাবরেটরীকে একটি আধুনিক ল্যাব হিসেবে তৈরি করা হবে।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ফরেনসিক ডিএনএ ল্যাবের যন্ত্রপাতি ১৫ বছরের অধিক পুরাতন হওয়ায় এর কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। নমুনা বিশ্লেষণের গুণগত মান, বিশুদ্ধতা ও নির্ভুলতা নিশ্চিত করতে নতুন মেশিন স্থাপন করতে হবে।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আরও বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ এবং সেবা কার্যক্রম জোরদারে মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয়ের আওতায় ২০০৬ সাল থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দেশের প্রথম আন্তর্জাতিক মানের ন্যাশনাল ফরেনসিক ডিএনএ প্রোফাইলিং ল্যাবরেটরী প্রতিষ্ঠিত হয়। দেশব্যাপী এই সুবিধা ছড়িয়ে দিতে বিভিন্ন সময়ে দেশের ৮টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডিএনএ স্ক্রিনিং ল্যাবরেটরী স্থাপন করা হয়েছে।
উপদেষ্টা পরিষদে ডিএনএ ল্যাব আধুনিকায়নে প্রয়োজনীয় জনবল, ডাটাবেইজ তৈরি, ডিএনএ আইন ও বিধি সংশোধন, যোগ্যতাসম্পন্ন জনবল নিয়োগ, ডিএনএ নমুনা বিশ্লেষণের ফি নির্ধারণ বিষয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমিন পারভীন, ডিএনএ ল্যাবরেটরী ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) শবনম মোস্তারী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের যুগ্মসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, আইন মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক বিভাগের ডিআইজি পদমর্যাদার কর্মকর্তা এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

ডিজিটাল রিপোর্ট 


















