ময়মনসিংহ , বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিরোধীদল নয় দিল্লির সঙ্গে সরকার নিজেই আঁতাত করছে বলে মন্তব্য করেছেন গোলাম পরওয়ার পূর্বধলায় দুই পূজামণ্ডপে আরতি প্রতিযোগীদের সম্মাননা দিল হারাধন প্রতিবন্ধী মহিলা উন্নয়ন সমিতি খুলনার সিঅ্যান্ডবি কলোনির পরিত্যক্ত ভবন থেকে যুবতীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার নেত্রকোনায় ৭২ বোতল ভারতীয় মদসহ যুবক গ্রেপ্তার, অটোরিকশা জব্দ রাণীশংকৈলে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযান: ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডলসহ গ্রেপ্তার ৮ নেত্রকোণায় বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি বিএনপি সরকার হিন্দুদের সংখ্যা লঘু নয়, দেশের অন্য নাগরিকদের মতোই মনে করে- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার এম.ইকবাল হোসেইন ধর্ম পালনে মানুষের প্রতি মানুষের দায়বদ্ধতা রয়েছে: ফরিদুল ইসলাম নেত্রকোণায় বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন রেঞ্জ ডিআইজি মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান দিনাজপুরে ৮ হাজার পিস টাপেন্টাডলসহ নারী মাদক কারবারি আটক
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

উদ্বোধনের পাঁচ মাসেও চালু হয়নি নালিতাবাড়ী পাবলিক লাইব্রেরী

উদ্বোধনের ফিতা কাটা হয়েছিল জাঁকজমক করে। বলা হয়েছিল— এখান থেকেই শুরু হবে তরুণদের জ্ঞানযাত্রা। কিন্তু পাঁচ মাস পেরিয়ে গেলেও বাস্তবতা যেন নির্মম এক বিদ্রূপ। শেরপুরের নালিতাবাড়ী কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরি আজও রয়ে গেছে নামমাত্র। দেয়াল আছে, ছাদ আছে, কিন্তু প্রাণ নেই। বই রাখার বুকশেলফ নেই, নেই একটি বইও। জ্ঞানচর্চার আশায় যারা তাকিয়ে ছিল, তাদের চোখে এখন শুধুই হতাশা।

নালিতাবাড়ী পৌরসভার ২০২৪-২৫ অর্থবছরের উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের অর্থায়নে নির্মিত এ লাইব্রেরি গত বছরের ৪ ডিসেম্বর তরিঘড়ি করে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌরসভার প্রশাসক ফারজানা আক্তার ববি উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন—এই লাইব্রেরি হবে উপজেলার তরুণ প্রজন্মের জ্ঞানচর্চার প্রাণকেন্দ্র। তবে পাঁচ মাস পার হলেও বাস্তবে শুরু হয়নি কোনো কার্যক্রম।

এত টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি পাবলিক লাইব্রেরি উদ্বোধনের পরও কার্যত অচল থাকায় প্রশ্ন উঠছে—এই আয়োজন কি কেবল ক্যামেরার সামনে দায় সারার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল? সেদিন শোনানো আশার বাণীগুলো কি আজ ফাঁপা কথায় পরিণত হয়নি?

লাইব্রেরি মানে শুধু ভবন নয়—লাইব্রেরি মানে বই, পাঠক, পরিবেশ আর নিয়মিত কার্যক্রম। অথচ এখানে নেই কোনো বই, নেই পাঠক, নেই দৃশ্যমান উদ্যোগ। যেখানে শিক্ষার্থীরা নিরিবিলি পড়াশোনা করবে, অভিভাবকেরা সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে স্বপ্ন দেখবে—সেই জায়গাটি এখন অবহেলার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা হলরুমের সামনে অবস্থিত ভবনটির কাজ সম্পূর্ণ হলেও লাইব্রেরীর কোন কাজই হয়নি।
আরেকটি বড় সমস্যা হলো বইয়ের সম্পূর্ণ অনুপস্থিতি। বুকশেলফও নেই। নেই পাঠ্যপুস্তক, রেফারেন্স বই

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিরোধীদল নয় দিল্লির সঙ্গে সরকার নিজেই আঁতাত করছে বলে মন্তব্য করেছেন গোলাম পরওয়ার

উদ্বোধনের পাঁচ মাসেও চালু হয়নি নালিতাবাড়ী পাবলিক লাইব্রেরী

আপডেট সময় ১২:০০:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

উদ্বোধনের ফিতা কাটা হয়েছিল জাঁকজমক করে। বলা হয়েছিল— এখান থেকেই শুরু হবে তরুণদের জ্ঞানযাত্রা। কিন্তু পাঁচ মাস পেরিয়ে গেলেও বাস্তবতা যেন নির্মম এক বিদ্রূপ। শেরপুরের নালিতাবাড়ী কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরি আজও রয়ে গেছে নামমাত্র। দেয়াল আছে, ছাদ আছে, কিন্তু প্রাণ নেই। বই রাখার বুকশেলফ নেই, নেই একটি বইও। জ্ঞানচর্চার আশায় যারা তাকিয়ে ছিল, তাদের চোখে এখন শুধুই হতাশা।

নালিতাবাড়ী পৌরসভার ২০২৪-২৫ অর্থবছরের উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের অর্থায়নে নির্মিত এ লাইব্রেরি গত বছরের ৪ ডিসেম্বর তরিঘড়ি করে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌরসভার প্রশাসক ফারজানা আক্তার ববি উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন—এই লাইব্রেরি হবে উপজেলার তরুণ প্রজন্মের জ্ঞানচর্চার প্রাণকেন্দ্র। তবে পাঁচ মাস পার হলেও বাস্তবে শুরু হয়নি কোনো কার্যক্রম।

এত টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি পাবলিক লাইব্রেরি উদ্বোধনের পরও কার্যত অচল থাকায় প্রশ্ন উঠছে—এই আয়োজন কি কেবল ক্যামেরার সামনে দায় সারার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল? সেদিন শোনানো আশার বাণীগুলো কি আজ ফাঁপা কথায় পরিণত হয়নি?

লাইব্রেরি মানে শুধু ভবন নয়—লাইব্রেরি মানে বই, পাঠক, পরিবেশ আর নিয়মিত কার্যক্রম। অথচ এখানে নেই কোনো বই, নেই পাঠক, নেই দৃশ্যমান উদ্যোগ। যেখানে শিক্ষার্থীরা নিরিবিলি পড়াশোনা করবে, অভিভাবকেরা সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে স্বপ্ন দেখবে—সেই জায়গাটি এখন অবহেলার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা হলরুমের সামনে অবস্থিত ভবনটির কাজ সম্পূর্ণ হলেও লাইব্রেরীর কোন কাজই হয়নি।
আরেকটি বড় সমস্যা হলো বইয়ের সম্পূর্ণ অনুপস্থিতি। বুকশেলফও নেই। নেই পাঠ্যপুস্তক, রেফারেন্স বই