ময়মনসিংহ , মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আদালতে নেওয়ার পথে প্রিজনভ্যান দুর্ঘটনা: সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক আহত পূর্বধলায় যুবদের নিয়ে জনসচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত দেশে ডিজেলের মজুত কত টন, জানালেন তথ্য উপদেষ্টা “পবিত্র হজ পালন করতে গিয়ে আরও ২ বাংলাদেশির ইন্তেকাল: মোট মৃত্যু ৬ জন” ঢাকাসহ ৮ বিভাগেই কালবৈশাখী ঝড়ের শঙ্কা “৪৫ দিনের লক্ষ্যমাত্রা: রূপপুরের প্রথম ইউনিট থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের অপেক্ষায় দেশ” প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রোসাটম মহাপরিচালকের সৌজন্য সাক্ষাৎ উদ্বোধনের পাঁচ মাসেও চালু হয়নি নালিতাবাড়ী পাবলিক লাইব্রেরী ময়মনসিংহের গৌরীপুরে ডিজেল সংকট: ধান মাড়াই মৌসুমে বিপাকে কৃষক ! যার ডাকে এতদিন আন্দোলন করেছি সেদিন তিনিই আমাকে তাড়িয়ে দিলেন বললেন ইসহাক সরকার
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

উদ্বোধনের পাঁচ মাসেও চালু হয়নি নালিতাবাড়ী পাবলিক লাইব্রেরী

উদ্বোধনের ফিতা কাটা হয়েছিল জাঁকজমক করে। বলা হয়েছিল— এখান থেকেই শুরু হবে তরুণদের জ্ঞানযাত্রা। কিন্তু পাঁচ মাস পেরিয়ে গেলেও বাস্তবতা যেন নির্মম এক বিদ্রূপ। শেরপুরের নালিতাবাড়ী কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরি আজও রয়ে গেছে নামমাত্র। দেয়াল আছে, ছাদ আছে, কিন্তু প্রাণ নেই। বই রাখার বুকশেলফ নেই, নেই একটি বইও। জ্ঞানচর্চার আশায় যারা তাকিয়ে ছিল, তাদের চোখে এখন শুধুই হতাশা।

নালিতাবাড়ী পৌরসভার ২০২৪-২৫ অর্থবছরের উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের অর্থায়নে নির্মিত এ লাইব্রেরি গত বছরের ৪ ডিসেম্বর তরিঘড়ি করে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌরসভার প্রশাসক ফারজানা আক্তার ববি উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন—এই লাইব্রেরি হবে উপজেলার তরুণ প্রজন্মের জ্ঞানচর্চার প্রাণকেন্দ্র। তবে পাঁচ মাস পার হলেও বাস্তবে শুরু হয়নি কোনো কার্যক্রম।

এত টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি পাবলিক লাইব্রেরি উদ্বোধনের পরও কার্যত অচল থাকায় প্রশ্ন উঠছে—এই আয়োজন কি কেবল ক্যামেরার সামনে দায় সারার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল? সেদিন শোনানো আশার বাণীগুলো কি আজ ফাঁপা কথায় পরিণত হয়নি?

লাইব্রেরি মানে শুধু ভবন নয়—লাইব্রেরি মানে বই, পাঠক, পরিবেশ আর নিয়মিত কার্যক্রম। অথচ এখানে নেই কোনো বই, নেই পাঠক, নেই দৃশ্যমান উদ্যোগ। যেখানে শিক্ষার্থীরা নিরিবিলি পড়াশোনা করবে, অভিভাবকেরা সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে স্বপ্ন দেখবে—সেই জায়গাটি এখন অবহেলার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা হলরুমের সামনে অবস্থিত ভবনটির কাজ সম্পূর্ণ হলেও লাইব্রেরীর কোন কাজই হয়নি।
আরেকটি বড় সমস্যা হলো বইয়ের সম্পূর্ণ অনুপস্থিতি। বুকশেলফও নেই। নেই পাঠ্যপুস্তক, রেফারেন্স বই

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আদালতে নেওয়ার পথে প্রিজনভ্যান দুর্ঘটনা: সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক আহত

উদ্বোধনের পাঁচ মাসেও চালু হয়নি নালিতাবাড়ী পাবলিক লাইব্রেরী

আপডেট সময় ১২:০০:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

উদ্বোধনের ফিতা কাটা হয়েছিল জাঁকজমক করে। বলা হয়েছিল— এখান থেকেই শুরু হবে তরুণদের জ্ঞানযাত্রা। কিন্তু পাঁচ মাস পেরিয়ে গেলেও বাস্তবতা যেন নির্মম এক বিদ্রূপ। শেরপুরের নালিতাবাড়ী কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরি আজও রয়ে গেছে নামমাত্র। দেয়াল আছে, ছাদ আছে, কিন্তু প্রাণ নেই। বই রাখার বুকশেলফ নেই, নেই একটি বইও। জ্ঞানচর্চার আশায় যারা তাকিয়ে ছিল, তাদের চোখে এখন শুধুই হতাশা।

নালিতাবাড়ী পৌরসভার ২০২৪-২৫ অর্থবছরের উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের অর্থায়নে নির্মিত এ লাইব্রেরি গত বছরের ৪ ডিসেম্বর তরিঘড়ি করে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌরসভার প্রশাসক ফারজানা আক্তার ববি উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন—এই লাইব্রেরি হবে উপজেলার তরুণ প্রজন্মের জ্ঞানচর্চার প্রাণকেন্দ্র। তবে পাঁচ মাস পার হলেও বাস্তবে শুরু হয়নি কোনো কার্যক্রম।

এত টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি পাবলিক লাইব্রেরি উদ্বোধনের পরও কার্যত অচল থাকায় প্রশ্ন উঠছে—এই আয়োজন কি কেবল ক্যামেরার সামনে দায় সারার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল? সেদিন শোনানো আশার বাণীগুলো কি আজ ফাঁপা কথায় পরিণত হয়নি?

লাইব্রেরি মানে শুধু ভবন নয়—লাইব্রেরি মানে বই, পাঠক, পরিবেশ আর নিয়মিত কার্যক্রম। অথচ এখানে নেই কোনো বই, নেই পাঠক, নেই দৃশ্যমান উদ্যোগ। যেখানে শিক্ষার্থীরা নিরিবিলি পড়াশোনা করবে, অভিভাবকেরা সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে স্বপ্ন দেখবে—সেই জায়গাটি এখন অবহেলার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা হলরুমের সামনে অবস্থিত ভবনটির কাজ সম্পূর্ণ হলেও লাইব্রেরীর কোন কাজই হয়নি।
আরেকটি বড় সমস্যা হলো বইয়ের সম্পূর্ণ অনুপস্থিতি। বুকশেলফও নেই। নেই পাঠ্যপুস্তক, রেফারেন্স বই