ময়মনসিংহ , বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাজেটের পর দ্রব্যমূল্য বাড়ানোর সুযোগ নেই বললেন বাণিজ্যমন্ত্রী ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস উল্টে, আহত ১০ জাদুকরী হ্যাটট্রিক, মেসিকে ‘অবিশ্বাস্য’ বলে প্রশংসায় ভাসালেন স্ত্রী শ্রীমঙ্গলে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী দেশে প্রথমবারের মতো ‘ফ্রি ট্রেড জোন’ প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছে সরকার জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব বাজেটে কারিগরি শিক্ষাখাতে ১৮ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে বললেন শিক্ষামন্ত্রী খেটে খাওয়া মানুষের জন্য দেওয়া বাজেটকে অনেকে চানাচুর বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহী জার্মানি বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব শরফ উদ্দিন আহমেদ চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা ঘুরে দেখলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

​আজ কাঠগড়ায় হাসানাত আবদুল্লাহসহ ৪ জন: শুরু হচ্ছে বিচার প্রক্রিয়া

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ‘ক্রসফায়ারে’ ছাত্রদল নেতাসহ দুই ব্যক্তিকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ চারজনের বিরুদ্ধে বিচারিক কার্যক্রমের নতুন ধাপ শুরু হচ্ছে আজ।

আজ বুধবার (১৭ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২–এ বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে মামলাটির শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

মামলায় অভিযুক্ত চারজনের মধ্যে বর্তমানে গ্রেপ্তার রয়েছেন উজিরপুর থানার সাবেক সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. মাহাবুল ইসলাম এবং এএসআই জসিম উদ্দিন। অপরদিকে বরিশাল-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ ও বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) এহসান উল্লাহ পলাতক রয়েছেন।

মামলার ভুক্তভোগী দুজন হলেন আগৈলঝাড়া উপজেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং উপজেলা জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী, টিপু হাওলাদার ও কবির মোল্লা ছিলেন আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। তাদের সরিয়ে দিতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রসিকিউশনের দাবি, ওই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তৎকালীন পুলিশ সুপার এহসান উল্লাহকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। পরে ২০১৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি টিপু ও কবিরকে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর আগৈলঝাড়া বাইপাস সড়কের পাশে গৌরনদী-গোপালগঞ্জ মহাসড়কে কথিত ‘ক্রসফায়ারের’ ঘটনা সাজিয়ে তাদের হত্যা করা হয়।

মামলাটি মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে তদন্ত ও বিচারাধীন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাজেটের পর দ্রব্যমূল্য বাড়ানোর সুযোগ নেই বললেন বাণিজ্যমন্ত্রী

​আজ কাঠগড়ায় হাসানাত আবদুল্লাহসহ ৪ জন: শুরু হচ্ছে বিচার প্রক্রিয়া

আপডেট সময় ১০:৫১:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ‘ক্রসফায়ারে’ ছাত্রদল নেতাসহ দুই ব্যক্তিকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ চারজনের বিরুদ্ধে বিচারিক কার্যক্রমের নতুন ধাপ শুরু হচ্ছে আজ।

আজ বুধবার (১৭ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২–এ বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে মামলাটির শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

মামলায় অভিযুক্ত চারজনের মধ্যে বর্তমানে গ্রেপ্তার রয়েছেন উজিরপুর থানার সাবেক সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. মাহাবুল ইসলাম এবং এএসআই জসিম উদ্দিন। অপরদিকে বরিশাল-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ ও বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) এহসান উল্লাহ পলাতক রয়েছেন।

মামলার ভুক্তভোগী দুজন হলেন আগৈলঝাড়া উপজেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং উপজেলা জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী, টিপু হাওলাদার ও কবির মোল্লা ছিলেন আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। তাদের সরিয়ে দিতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রসিকিউশনের দাবি, ওই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তৎকালীন পুলিশ সুপার এহসান উল্লাহকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। পরে ২০১৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি টিপু ও কবিরকে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর আগৈলঝাড়া বাইপাস সড়কের পাশে গৌরনদী-গোপালগঞ্জ মহাসড়কে কথিত ‘ক্রসফায়ারের’ ঘটনা সাজিয়ে তাদের হত্যা করা হয়।

মামলাটি মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে তদন্ত ও বিচারাধীন রয়েছে।