যুক্তরাষ্ট্রর সঙ্গে হওয়া সাম্প্রতিক চুক্তির ভবিষ্যৎ মূলত লেবাননে শান্তি প্রক্রিয়া সফলভাবে বাস্তবায়নের ওপরই নির্ভর করছে বলে সতর্কবার্তা উচ্চারণ করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেহরানের উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় আলোচনার ইতিবাচক ফলাফলকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন যে লেবাননে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ অবসানের এই বড় ধরনের কূটনৈতিক অগ্রগতি অর্জনে কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতা প্রচেষ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
এর পাশাপাশি তেহরানের ওপর আরোপিত দীর্ঘদিনের নৌ অবরোধ তুলে নেওয়া, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ব্যাংকে আটকে থাকা ইরানের কিছু ফ্রিজ করা আর্থিক সম্পদ অবমুক্ত করা এবং দেশটির অর্থনৈতিক উন্নয়নে একটি বড় ধরনের পুনর্গঠন ও উন্নয়ন কর্মসূচি চালু করার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে।
তার মতে এই দ্বিপক্ষীয় শান্তি চুক্তির প্রথম ‘আসল পরীক্ষা’ বা রিয়েল টেস্ট হতে যাচ্ছে সদ্য গঠিত লেবানন ডিকনফ্লিকশন সেল বা সংঘাত নিরসন কেন্দ্রটি। এই বিশেষ কেন্দ্রটির মূল দায়িত্বই হবে লেবানন সীমান্তে সব ধরনের সামরিক অভিযানের স্থায়ী অবসান নিশ্চিত করার বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও তদারকি করা।

ডিজিটাল ডেস্ক 






















