ময়মনসিংহ , বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দক্ষিণ কোরিয়ার নতুন প্রধানমন্ত্রী হান সেওং-সুক: ২০ বছর পর প্রথম নারী অভিন্ন প্রশ্নে বৃহস্পতিবার শুরু হচ্ছে এইচএসসি সীমান্ত পাহারার চেয়েও বর্তমানে সাইবার নিরাপত্তা গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ইরান সফরে যাচ্ছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, উদ্দেশ্য খামেনির জানাজায় অংশগ্রহণ এইচএসসি পরীক্ষা শুরু বৃহস্পতিবার: সব বোর্ডে এবার একই প্রশ্নপত্র পূর্বাচলে হবে ৪ থানা ও ৬ তদন্ত কেন্দ্র জানিয়েছেন আইজিপি ইসরায়েলে ইরানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি: গ্রেপ্তার মার্কিন নাগরিক ভারতে একের পর এক ধর্মীয় স্থাপনায় হামলা, ভাঙা হলো মসজিদ ও মাজার পূর্বধলায় নদীতে নিখোঁজের ২০ ঘণ্টা পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার পূর্বধলায় ১৬০টি ভারতীয় কম্বলসহ পিকআপ ভ্যান জব্দ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

ভারতে একের পর এক ধর্মীয় স্থাপনায় হামলা, ভাঙা হলো মসজিদ ও মাজার

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৩৮:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
  • ২০ বার পড়া হয়েছে

ভারতের গুজরাট রাজ্যের কুচ জেলায় আগাম নোটিশ ছাড়াই তিনটি মসজিদ ও কয়েকটি মাজারসহ মোট ৩০টি স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের এ অভিযানের পর ঘটনাটি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জমিয়ত উলামা-ই-হিন্দ।

গত সোমবার (৩০ জুন) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুস্তান গ্যাজেটের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উচ্ছেদ অভিযানে মোট ৩০টি স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১১টি ধর্মীয় স্থাপনা, ১৭টি বাণিজ্যিক ভবন এবং দুটি আবাসিক স্থাপনা। একই সঙ্গে টার্কিস গণমাধ্যম টিআরটি ওর্য়াল্ড প্রকাশিত একটি ভিডিওতেও মসজিদ ভেঙে ফেলার বিষয়টি দেখা যায়।

ঘটনার পর জমিয়ত উলামা-ই-হিন্দের একটি প্রতিনিধি দল কুচ জেলা পরিদর্শন করে। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন মাওলানা হাকিমুদ্দিন কাশমী। তিনি অভিযোগ করেন, কোনো ধরনের পূর্ব নোটিশ ছাড়াই মসজিদগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হলেও তারা সন্তোষজনক কোনো জবাব পাননি।

ভেঙে ফেলা স্থাপনাগুলোর মধ্যে রয়েছে ঐতিহাসিক জুনা কান্দলা মসজিদ। মসজিদের খাদেম জানান, হঠাৎ করেই সেখানে অভিযান চালিয়ে স্থাপনাটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। তিনি দাবি করেন, বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাদের আটক করার হুমকি দেওয়া হয়।

মসজিদ কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ সামার বলেন, উচ্ছেদের সময় তারা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলার এবং মসজিদের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলাম। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আমাদের সেখানে যেতে দেয়নি। বরং ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, আদিপুর এলাকার আরও একটি মসজিদও এই অভিযানে ভেঙে ফেলা হয়েছে।

এ বিষয়ে এক সরকারি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, উচ্ছেদ অভিযানে মোট ৩০টি অবকাঠামো অপসারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১টি ধর্মীয় স্থাপনা, ১৭টি বাণিজ্যিক এবং দুটি আবাসিক স্থাপনা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দক্ষিণ কোরিয়ার নতুন প্রধানমন্ত্রী হান সেওং-সুক: ২০ বছর পর প্রথম নারী

ভারতে একের পর এক ধর্মীয় স্থাপনায় হামলা, ভাঙা হলো মসজিদ ও মাজার

আপডেট সময় ১১:৩৮:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

ভারতের গুজরাট রাজ্যের কুচ জেলায় আগাম নোটিশ ছাড়াই তিনটি মসজিদ ও কয়েকটি মাজারসহ মোট ৩০টি স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের এ অভিযানের পর ঘটনাটি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জমিয়ত উলামা-ই-হিন্দ।

গত সোমবার (৩০ জুন) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুস্তান গ্যাজেটের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উচ্ছেদ অভিযানে মোট ৩০টি স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১১টি ধর্মীয় স্থাপনা, ১৭টি বাণিজ্যিক ভবন এবং দুটি আবাসিক স্থাপনা। একই সঙ্গে টার্কিস গণমাধ্যম টিআরটি ওর্য়াল্ড প্রকাশিত একটি ভিডিওতেও মসজিদ ভেঙে ফেলার বিষয়টি দেখা যায়।

ঘটনার পর জমিয়ত উলামা-ই-হিন্দের একটি প্রতিনিধি দল কুচ জেলা পরিদর্শন করে। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন মাওলানা হাকিমুদ্দিন কাশমী। তিনি অভিযোগ করেন, কোনো ধরনের পূর্ব নোটিশ ছাড়াই মসজিদগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হলেও তারা সন্তোষজনক কোনো জবাব পাননি।

ভেঙে ফেলা স্থাপনাগুলোর মধ্যে রয়েছে ঐতিহাসিক জুনা কান্দলা মসজিদ। মসজিদের খাদেম জানান, হঠাৎ করেই সেখানে অভিযান চালিয়ে স্থাপনাটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। তিনি দাবি করেন, বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাদের আটক করার হুমকি দেওয়া হয়।

মসজিদ কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ সামার বলেন, উচ্ছেদের সময় তারা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলার এবং মসজিদের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলাম। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আমাদের সেখানে যেতে দেয়নি। বরং ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, আদিপুর এলাকার আরও একটি মসজিদও এই অভিযানে ভেঙে ফেলা হয়েছে।

এ বিষয়ে এক সরকারি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, উচ্ছেদ অভিযানে মোট ৩০টি অবকাঠামো অপসারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১টি ধর্মীয় স্থাপনা, ১৭টি বাণিজ্যিক এবং দুটি আবাসিক স্থাপনা রয়েছে।