ময়মনসিংহ , শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
হাফ পাসে মেট্রোরেল ভ্রমণ: ভাড়ার অর্ধেক সাশ্রয়ের নতুন নীতিমালা বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষদের অন্যদের মতোই সমঅধিকার দেবে সরকার জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ​যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে ভিসাধারীদের জন্য নতুন সতর্কবার্তা মার্কিন দূতাবাসের নতুন পে-স্কেল ২০২৬: সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন ও ভাতায় আসছে বড় পরিবর্তন ​প্রাথমিকের ১৪ হাজার শিক্ষকের যোগদান নিয়ে সুখবর: রোববার মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ সভা ৬৮ হাজার ২৯৭ হাজি হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ​মা ও তিন বোনের পাশে শেষ শয্যায়, বাকরুদ্ধ সিফাত ​ভারতকে আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি স্বর্ণের বাজারে অস্থিরতা: ভরিতে দাম বাড়লো ৫ হাজার ৪৮২ টাকা ​ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্প: নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি মানুষ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে তত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান নয় বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৪৪:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
  • ৫২ বার পড়া হয়েছে

অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিদের নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা করার কোনো প্রয়োজন নেই বলে স্পষ্ট মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, একজন প্রধান বিচারপতি অবসরে যাওয়ার পর থেকেই দিন গুনতে থাকেন কবে তিনি ওই রাজনৈতিক পদে যাবেন; অতীতে সাবেক প্রধান বিচারপতিদের রাষ্ট্রের বিভিন্ন লাভজনক বা রাজনৈতিক জায়গায় বসানোর এক ধরণের কুৎসিত চেষ্টা আমরা দেখেছি। বর্তমান সরকার এই নেতিবাচক সংস্কৃতি থেকে স্থায়ী উত্তরণ ঘটাতে চায়।

গত রোববার (১৭ মে) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং গুম সংক্রান্ত আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের অংশীজন সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ এই বিশেষ সভার আয়োজন করে, যেখানে সভাপতিত্ব করেন স্বয়ং আইনমন্ত্রী।

গুম সংক্রান্ত নতুন আইন প্রণয়নের অগ্রগতির বিষয়ে আইনমন্ত্রী জানান, এই আইনের সঙ্গে যেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন এবং মানবাধিকার কমিশন আইনের কোনো ধরণের সাংঘর্ষিক অবস্থা তৈরি না হয়, সেজন্য ড্রাফটটি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তিনি বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কার খসড়ার সমালোচনা করে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে যেভাবে গুম কমিশন অধ্যাদেশ তৈরি করা হয়েছিল, তা অপরিপক্ক হওয়ায় অপরাধীরাই বেশি লাভবান হতো। বর্তমান সরকার সেটাকে আরও নিখুঁত ও সময়োপযোগী করার চেষ্টা করছে। তিনি ব্যাখ্যা করেন, ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের মধ্যে ইতিমধ্যেই গুমের আন্তর্জাতিক সংজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যেখানে এর তদন্ত ও কঠোর বিচার হবে। সরকার এমন একটি কার্যকরী ও কল্যাণমুখী আইন করতে চায় যাতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন কোনো নখদন্তহীন প্রতিষ্ঠানে পরিণত না হয় এবং গুমের শিকার ভুক্তভোগী পরিবারগুলো প্রকৃত ন্যায়বিচার পায়।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাফ পাসে মেট্রোরেল ভ্রমণ: ভাড়ার অর্ধেক সাশ্রয়ের নতুন নীতিমালা

অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে তত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান নয় বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:৪৪:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিদের নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা করার কোনো প্রয়োজন নেই বলে স্পষ্ট মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, একজন প্রধান বিচারপতি অবসরে যাওয়ার পর থেকেই দিন গুনতে থাকেন কবে তিনি ওই রাজনৈতিক পদে যাবেন; অতীতে সাবেক প্রধান বিচারপতিদের রাষ্ট্রের বিভিন্ন লাভজনক বা রাজনৈতিক জায়গায় বসানোর এক ধরণের কুৎসিত চেষ্টা আমরা দেখেছি। বর্তমান সরকার এই নেতিবাচক সংস্কৃতি থেকে স্থায়ী উত্তরণ ঘটাতে চায়।

গত রোববার (১৭ মে) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং গুম সংক্রান্ত আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের অংশীজন সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ এই বিশেষ সভার আয়োজন করে, যেখানে সভাপতিত্ব করেন স্বয়ং আইনমন্ত্রী।

গুম সংক্রান্ত নতুন আইন প্রণয়নের অগ্রগতির বিষয়ে আইনমন্ত্রী জানান, এই আইনের সঙ্গে যেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন এবং মানবাধিকার কমিশন আইনের কোনো ধরণের সাংঘর্ষিক অবস্থা তৈরি না হয়, সেজন্য ড্রাফটটি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তিনি বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কার খসড়ার সমালোচনা করে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে যেভাবে গুম কমিশন অধ্যাদেশ তৈরি করা হয়েছিল, তা অপরিপক্ক হওয়ায় অপরাধীরাই বেশি লাভবান হতো। বর্তমান সরকার সেটাকে আরও নিখুঁত ও সময়োপযোগী করার চেষ্টা করছে। তিনি ব্যাখ্যা করেন, ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের মধ্যে ইতিমধ্যেই গুমের আন্তর্জাতিক সংজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যেখানে এর তদন্ত ও কঠোর বিচার হবে। সরকার এমন একটি কার্যকরী ও কল্যাণমুখী আইন করতে চায় যাতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন কোনো নখদন্তহীন প্রতিষ্ঠানে পরিণত না হয় এবং গুমের শিকার ভুক্তভোগী পরিবারগুলো প্রকৃত ন্যায়বিচার পায়।