ময়মনসিংহ , মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দুদেশের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও আস্থার সম্পর্ক শক্তিশালী বলেছেন প্রণয় ভার্মা পহেলা বৈশাখ: ঢাবিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে ডিএমপি ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের জরুরি নির্দেশনা নববর্ষের আবাহন : ঐতিহ্যের পথ বেয়ে আধুনিকতার উৎসবে ভিসার বিষয়ে ভারতের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে জানিয়েছেন হুমায়ুন কবির বাংলা নববর্ষ ঘিরে কোনো নাশকতার শঙ্কা নেই জানিয়েছেন র‌্যাব মহাপরিচালক জামিন পেলেন বাউলশিল্পী আবুল সরকার ​দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান: ২০ এপ্রিল নিজ জন্মভূমি বগুড়া সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যুদ্ধ নয়, কেবল ‘সতর্কবার্তা’? ইরানে সীমিত হামলার পরিকল্পনা ডোনাল্ড ট্রাম্পের। বিকেলে নুসুক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঢাকায় আন্তর্জাতিক মানের ডিএনএ ল্যাবরেটরি করা হবে বলেছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

আপিল বিভাগ মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত খান আকরামকে খালাস দিলেন

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৩১:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৮ বার পড়া হয়েছে

একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বাগেরহাটের খান আকরাম হোসেনকে খালাস প্রদান করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। 

আজ বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের একটি বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।

এর আগে ২০২৩ সালের ৩০ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এক রায়ে খান আকরামসহ মোট সাতজন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছিলেন। সাজাপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন শেখ মোহম্মদ উকিল উদ্দিন, মো. মকবুল মোল্লা, খান আশরাফ আলী, রুস্তম আলী মোল্লা, শেখ ইদ্রিস আলী ও শেখ রফিকুল ইসলাম বাবুল। তাদের মধ্যে খান আকরামসহ প্রথম তিনজন কারাবন্দি থাকলেও বাকি চারজন মামলার শুরু থেকেই পলাতক রয়েছেন। ২০১৭ সালের ৩১ মে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আমলে নিয়ে বিচার শুরু করেছিলেন ট্রাইব্যুনাল।

এ ছাড়াও জুলাই মাসে কচুয়ায় চারজনকে অপহরণের পর হত্যার পর লাশ খালে ফেলে দেওয়া এবং নভেম্বর মাসে পৃথক দুটি অভিযানে দুই মুক্তিযোদ্ধা ও চারজন সাধারণ মানুষকে হত্যার অভিযোগ ছিল অন্যতম। বিচারিক প্রক্রিয়ায় এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই ট্রাইব্যুনাল তাদের ফাঁসির আদেশ দিয়েছিলেন।

আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অন্যান্য গুরুতর অভিযোগের মধ্যে ছিল উদানখালী গ্রাম থেকে এক ব্যক্তিকে অপহরণ ও হত্যার পর তার মেয়েকে রাজাকার ক্যাম্পে আটকে রেখে দীর্ঘ সময় ধরে নির্যাতন ও ধর্ষণ করা।

এ ছাড়া গজালিয়া বাজারে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা চালিয়ে একজনকে হত্যা ও তার স্ত্রীকে অপহরণ করে এক মাস ধরে অমানবিক শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগও নথিবদ্ধ করা হয়েছিল। ট্রাইব্যুনালের রায়ের পর দণ্ডপ্রাপ্তরা উচ্চ আদালতে আপিল করেন, যার প্রেক্ষিতে দীর্ঘ আইনি পর্যালোচনার পর আজ খান আকরামকে খালাস প্রদানের আদেশ দিলেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দুদেশের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও আস্থার সম্পর্ক শক্তিশালী বলেছেন প্রণয় ভার্মা

আপিল বিভাগ মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত খান আকরামকে খালাস দিলেন

আপডেট সময় ১০:৩১:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বাগেরহাটের খান আকরাম হোসেনকে খালাস প্রদান করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। 

আজ বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের একটি বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।

এর আগে ২০২৩ সালের ৩০ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এক রায়ে খান আকরামসহ মোট সাতজন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছিলেন। সাজাপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন শেখ মোহম্মদ উকিল উদ্দিন, মো. মকবুল মোল্লা, খান আশরাফ আলী, রুস্তম আলী মোল্লা, শেখ ইদ্রিস আলী ও শেখ রফিকুল ইসলাম বাবুল। তাদের মধ্যে খান আকরামসহ প্রথম তিনজন কারাবন্দি থাকলেও বাকি চারজন মামলার শুরু থেকেই পলাতক রয়েছেন। ২০১৭ সালের ৩১ মে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আমলে নিয়ে বিচার শুরু করেছিলেন ট্রাইব্যুনাল।

এ ছাড়াও জুলাই মাসে কচুয়ায় চারজনকে অপহরণের পর হত্যার পর লাশ খালে ফেলে দেওয়া এবং নভেম্বর মাসে পৃথক দুটি অভিযানে দুই মুক্তিযোদ্ধা ও চারজন সাধারণ মানুষকে হত্যার অভিযোগ ছিল অন্যতম। বিচারিক প্রক্রিয়ায় এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই ট্রাইব্যুনাল তাদের ফাঁসির আদেশ দিয়েছিলেন।

আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অন্যান্য গুরুতর অভিযোগের মধ্যে ছিল উদানখালী গ্রাম থেকে এক ব্যক্তিকে অপহরণ ও হত্যার পর তার মেয়েকে রাজাকার ক্যাম্পে আটকে রেখে দীর্ঘ সময় ধরে নির্যাতন ও ধর্ষণ করা।

এ ছাড়া গজালিয়া বাজারে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা চালিয়ে একজনকে হত্যা ও তার স্ত্রীকে অপহরণ করে এক মাস ধরে অমানবিক শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগও নথিবদ্ধ করা হয়েছিল। ট্রাইব্যুনালের রায়ের পর দণ্ডপ্রাপ্তরা উচ্চ আদালতে আপিল করেন, যার প্রেক্ষিতে দীর্ঘ আইনি পর্যালোচনার পর আজ খান আকরামকে খালাস প্রদানের আদেশ দিলেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত।