ময়মনসিংহ , শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পরিচয় অনুসন্ধান নাকি পাসপোর্ট জালিয়াতি? নেত্রকোণায় আটক রোহিঙ্গা যুবককে ঘিরে ঘনীভূত রহস্য পূর্বধলায় কৃষি প্রণোদনা তালিকায় অনিয়মের অভিযোগে ঘাগড়া চৌরাস্তায় সংবাদ সম্মেলন ​লোহালিয়া নদীর ওপর ৯ম মৈত্রী সেতু নির্মাণে বাংলাদেশ ও চীনের চুক্তি রামিসা হত্যা মামলা: বিচার চেয়ে রোববার শুনানি করবেন অ্যাটর্নি জেনারেল ​আসছে নবম পে-স্কেল: ১ জুলাই থেকে কার্যকর হচ্ছে নতুন বেতন কাঠামো ​হঠাৎ জার্সি বদলের চাপে হাইতি: ৫২ বছর পর বিশ্বকাপে এসেই সংকটে দলটি গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৪ জনসহ দগ্ধ, ৫ ফুটবল বিশ্বকাপ: স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী জাতির প্রত্যাশা পূরণের লক্ষেই এবারের বাজেট প্রণয়ন জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসি পাবনার উদ্যোগে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

দুশ্চিন্তা কাটছে হাওরের কৃষকদের: ধান-চাল সংগ্রহে নামছে সরকার, শুরু হচ্ছে ৩ মে

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:০০:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬
  • ৫৮ বার পড়া হয়েছে

আকস্মিক জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্ত হাওর অঞ্চলের কৃষকদের সহায়তায় বোরো ধান ও চাল সংগ্রহের সময়সীমা এগিয়ে এনেছে সরকার। নেত্রকোণা, কিশোরগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ—এই ৬ জেলার কৃষকদের সুবিধার্থে আগামী ৩ মে থেকেই ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হবে। শুক্রবার (১ মে) খাদ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই বিশেষ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, হাওর অঞ্চলের জন্য পূর্বনির্ধারিত ১৫ মে তারিখটি এগিয়ে এনে ৩ মে করা হয়েছে। তবে দেশের অন্যান্য জেলার ক্ষেত্রে আগের সিদ্ধান্তই বহাল থাকবে। অর্থাৎ, অন্যান্য জেলায় ৩ মে থেকে ধান এবং ১৫ মে থেকে চাল সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হবে। এই সংগ্রহ অভিযান আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত চলবে।

আসন্ন বোরো মৌসুমে অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে সরকার মোট ১৮ লাখ মেট্রিক টন ধান ও চাল কেনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এর মধ্যে ৫ লাখ মেট্রিক টন ধান, ১২ লাখ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল এবং ১ লাখ মেট্রিক টন আতপ চাল কেনা হবে। প্রতি কেজি ধান ৩৬ টাকা, সিদ্ধ চাল ৪৯ টাকা এবং প্রতি কেজি আতপ চালের সংগ্রহ মূল্য ৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ধান-চালের পাশাপাশি ৩৬ টাকা দরে ৫০ হাজার মেট্রিক টন গমও কেনা হবে।

হাওর অঞ্চলে আকস্মিক প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে কৃষকরা যেন তাদের কষ্টের ফসলের ন্যায্যমূল্য পান এবং দ্রুত বিক্রি ও সংরক্ষণ করতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যেই এই বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারি এই উদ্যোগ ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের আর্থিক ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করবে বলে আশা করছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পরিচয় অনুসন্ধান নাকি পাসপোর্ট জালিয়াতি? নেত্রকোণায় আটক রোহিঙ্গা যুবককে ঘিরে ঘনীভূত রহস্য

দুশ্চিন্তা কাটছে হাওরের কৃষকদের: ধান-চাল সংগ্রহে নামছে সরকার, শুরু হচ্ছে ৩ মে

আপডেট সময় ১১:০০:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

আকস্মিক জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্ত হাওর অঞ্চলের কৃষকদের সহায়তায় বোরো ধান ও চাল সংগ্রহের সময়সীমা এগিয়ে এনেছে সরকার। নেত্রকোণা, কিশোরগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ—এই ৬ জেলার কৃষকদের সুবিধার্থে আগামী ৩ মে থেকেই ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হবে। শুক্রবার (১ মে) খাদ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই বিশেষ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, হাওর অঞ্চলের জন্য পূর্বনির্ধারিত ১৫ মে তারিখটি এগিয়ে এনে ৩ মে করা হয়েছে। তবে দেশের অন্যান্য জেলার ক্ষেত্রে আগের সিদ্ধান্তই বহাল থাকবে। অর্থাৎ, অন্যান্য জেলায় ৩ মে থেকে ধান এবং ১৫ মে থেকে চাল সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হবে। এই সংগ্রহ অভিযান আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত চলবে।

আসন্ন বোরো মৌসুমে অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে সরকার মোট ১৮ লাখ মেট্রিক টন ধান ও চাল কেনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এর মধ্যে ৫ লাখ মেট্রিক টন ধান, ১২ লাখ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল এবং ১ লাখ মেট্রিক টন আতপ চাল কেনা হবে। প্রতি কেজি ধান ৩৬ টাকা, সিদ্ধ চাল ৪৯ টাকা এবং প্রতি কেজি আতপ চালের সংগ্রহ মূল্য ৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ধান-চালের পাশাপাশি ৩৬ টাকা দরে ৫০ হাজার মেট্রিক টন গমও কেনা হবে।

হাওর অঞ্চলে আকস্মিক প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে কৃষকরা যেন তাদের কষ্টের ফসলের ন্যায্যমূল্য পান এবং দ্রুত বিক্রি ও সংরক্ষণ করতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যেই এই বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারি এই উদ্যোগ ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের আর্থিক ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করবে বলে আশা করছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।