ময়মনসিংহ , বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রী যমুনায় ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন বাস কাউন্টার থেকে নির্ধারিত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে বললেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী মাইক্রোবাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণে চালকসহ নিহত ৩ বগুড়ায় কে কোথায় ঈদ উদযাপন করবেন জামায়াত আমিরসহ শীর্ষ নেতারা ‎পূর্বধলায় রিপোর্টার্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত সারা দেশে বজ্রসহ শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাস টানা ৪ দিন নিজ নিজ বাড়িতে দুই বন্ধুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার নরসিংদীতে জনগণের কল্যাণে কাজের মাধ্যমে উদাহরণ তৈরি করবে বিরোধীদল বলেছেন জামায়াত আমির ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানবাহনের চাপ ঈদযাত্রার প্রথম দিনে
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

প্রেমিকের দেহ পাঁচ টুকরো করেন সুফিয়া সম্পর্কের মনমালিন্যে

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৩৬:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৮২ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকায় দুই কাটা হাত উদ্ধারের ঘটনায় হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। তদন্তে জানা গেছে, নিহত মো. আনিছকে (৩৮) তার সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক থাকা এক নারীর পরিকল্পনায় হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সুফিয়া আক্তারকে (৩৯) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, নিহত মো. আনিছ চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার চিকদাইর এলাকার বাসিন্দা। গ্রেপ্তার সুফিয়া আক্তার নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার পাঠানপাড়া এলাকায় বসবাস করেন।

ঘটনার পর অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত ও মরদেহের বাকি অংশ উদ্ধারে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তের একপর্যায়ে উদ্ধার হওয়া একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের সূত্র ধরে নিহতের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। পরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা জানায়, মো. আনিছ ২০ জানুয়ারি থেকে নিখোঁজ ছিলেন।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উত্তর জোনের উপকমিশনার (ডিসি) আমিরুল ইসলাম জানান, ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে সুফিয়া আক্তার হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, নিহত আনিছের সঙ্গে অভিযুক্ত নারীর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল। পরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ ও মনোমালিন্য সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সুফিয়া আক্তার আনিছকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।

ডিসি আমিরুল ইসলাম জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০ জানুয়ারি বিকেলে আনিছকে পাঠানপাড়ার একটি বাসায় ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে পাথরের শীল দিয়ে মাথায় আঘাত করে তাকে গুরুতর আহত করা হয়। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলায় আঘাত করে হত্যা করা হয়। হত্যার পর মরদেহ টুকরো টুকরো করে কালো পলিথিনে ভরে আলামত গোপনের উদ্দেশ্যে শহীদনগর ও শীতলকর্ণা এলাকার বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিহত ব্যক্তির মরদেহের খণ্ডিত বিভিন্ন অংশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্তে তদন্ত ও অভিযান চলছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রী যমুনায় ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন

প্রেমিকের দেহ পাঁচ টুকরো করেন সুফিয়া সম্পর্কের মনমালিন্যে

আপডেট সময় ০৯:৩৬:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকায় দুই কাটা হাত উদ্ধারের ঘটনায় হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। তদন্তে জানা গেছে, নিহত মো. আনিছকে (৩৮) তার সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক থাকা এক নারীর পরিকল্পনায় হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সুফিয়া আক্তারকে (৩৯) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, নিহত মো. আনিছ চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার চিকদাইর এলাকার বাসিন্দা। গ্রেপ্তার সুফিয়া আক্তার নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার পাঠানপাড়া এলাকায় বসবাস করেন।

ঘটনার পর অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত ও মরদেহের বাকি অংশ উদ্ধারে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তের একপর্যায়ে উদ্ধার হওয়া একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের সূত্র ধরে নিহতের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। পরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা জানায়, মো. আনিছ ২০ জানুয়ারি থেকে নিখোঁজ ছিলেন।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উত্তর জোনের উপকমিশনার (ডিসি) আমিরুল ইসলাম জানান, ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে সুফিয়া আক্তার হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, নিহত আনিছের সঙ্গে অভিযুক্ত নারীর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল। পরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ ও মনোমালিন্য সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সুফিয়া আক্তার আনিছকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।

ডিসি আমিরুল ইসলাম জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০ জানুয়ারি বিকেলে আনিছকে পাঠানপাড়ার একটি বাসায় ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে পাথরের শীল দিয়ে মাথায় আঘাত করে তাকে গুরুতর আহত করা হয়। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলায় আঘাত করে হত্যা করা হয়। হত্যার পর মরদেহ টুকরো টুকরো করে কালো পলিথিনে ভরে আলামত গোপনের উদ্দেশ্যে শহীদনগর ও শীতলকর্ণা এলাকার বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিহত ব্যক্তির মরদেহের খণ্ডিত বিভিন্ন অংশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্তে তদন্ত ও অভিযান চলছে।