ময়মনসিংহ , শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ল ১৪ দোকান খাগড়াছড়িতে

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:১৩:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫
  • ২০০ বার পড়া হয়েছে

খাগড়াছড়ির মহালছড়ি বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৪টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে গেছে। মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আগুনে জুতার দোকান, খাবার হোটেল, কসমেটিকস, কাপড়, মুদিমাল ও স্বর্ণের দোকানসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বাজার মসজিদের সামনের একটি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তেই তা পাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। পানির উৎসের সংকটে ঘটনাস্থলে পৌঁছানো ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট তাৎক্ষণিকভাবে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করতে পারেনি। ঠিক সে সময় প্রবল বৃষ্টিপাত শুরু হলে আগুন অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা যৌথভাবে আগুন সম্পূর্ণভাবে নেভাতে সক্ষম হন।

তিনি আরও বলেন, পরে মাটিরাঙা থেকে ১ হাজার লিটারের একটি পানির গাড়ি পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। তবে এর আগেই বৃষ্টির পানিতেই আগুন অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে পরবর্তীতে তদন্ত করে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ল ১৪ দোকান খাগড়াছড়িতে

আপডেট সময় ০৯:১৩:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫

খাগড়াছড়ির মহালছড়ি বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৪টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে গেছে। মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আগুনে জুতার দোকান, খাবার হোটেল, কসমেটিকস, কাপড়, মুদিমাল ও স্বর্ণের দোকানসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বাজার মসজিদের সামনের একটি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তেই তা পাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। পানির উৎসের সংকটে ঘটনাস্থলে পৌঁছানো ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট তাৎক্ষণিকভাবে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করতে পারেনি। ঠিক সে সময় প্রবল বৃষ্টিপাত শুরু হলে আগুন অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা যৌথভাবে আগুন সম্পূর্ণভাবে নেভাতে সক্ষম হন।

তিনি আরও বলেন, পরে মাটিরাঙা থেকে ১ হাজার লিটারের একটি পানির গাড়ি পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। তবে এর আগেই বৃষ্টির পানিতেই আগুন অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে পরবর্তীতে তদন্ত করে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।