ময়মনসিংহ , শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
​রমনা থানায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সারপ্রাইজ ভিজিট’, ১০ মিনিটেই তোলপাড় “পানির যথাযথ ব্যবহারে খাল খনন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সরকার” – প্রধানমন্ত্রী এনসিপির নুসরাতের মনোনয়ন বৈধ পূর্বধলায় বাস-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে ,আহত ৩,নিহত২ বাংলাদেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৪১ হাজারেরও বেশি প্রধানমন্ত্রী শাহজালালের মাজার জিয়ারত করলেন আজ দুপুরে এনসিপি’র জরুরি সংবাদ সম্মেলন: নজরে মহারাষ্ট্রের রাজনীতি গৌতম বুদ্ধের অহিংসা ও মানবতার শিক্ষা বিশ্বকে শান্তির পথ দেখান মেয়র শাহাদাত গৌরীপুরে মহান মে দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা! ইসরায়েলসহ ৩ দেশে ট্রাম্পের জরুরি অস্ত্র সরবরাহের ঘোষণা
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

সংসদে হাসনাত: মানবাধিকার কমিশন আইন দিয়ে বিরোধী দল দমনের অভিযোগ

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের নামে বিরোধী দল ও মতকে দমন কমিশন হিসেবে সেটি ব্যবহার করা হয়েছে। বিএনপিকে দমন করার বৈধতা জাতীয় মানবাধিকার কমিশন উৎপাদন করেছে- এমনটাই মন্তব্য করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।

আজ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১২তম দিনে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল-২০২৬’ উত্থাপনের পর এই মন্তব্য করেন তিনি। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)। বিলটি উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

বিলের বিরোধিতা করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আজকের এই সংসদটি যে কাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে আছে, যারা এখানে এসেছেন তারা একটি ক্রান্তিকালীন সময় পার করে এসেছেন। অথচ জাতির গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ে আলোচনার জন্য আমাকে মাত্র ২ মিনিট সময় দেওয়া হয়েছে, যা অত্যন্ত অপ্রতুল। আমরা সংসদে অনেক বিষয়ে সময় অপচয় করি, কিন্তু এমন মৌলিক বিষয়ে সময় না দেওয়াটা দুঃখজনক।’

২০০৯ সালের আইনের সমালোচনা করে কুমিল্লা-৪ আসনের এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘এই বিল পাসের মাধ্যমে ২০০৯ সালের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইনটিকে রিস্টোর (পুনঃপ্রচলন) করা হচ্ছে। বিগত বছরগুলোতে আমরা দেখেছি, এই কমিশনকে বিরোধী দল ও মত দমনে ব্যবহার করা হয়েছে। বিএনপিকে দমন করার বৈধতা দিয়েছে এই কমিশন। এমনকি আমরা কমিশনের চেয়ারম্যানকে বলতে শুনেছি—মানবাধিকার রক্ষার স্বার্থে জামায়াত নেতাকর্মীদের গুলি করা বৈধ।’

মানবাধিকার লঙ্ঘনের তদন্তে সীমাবদ্ধতার কথা জানিয়ে কুমিল্লা-৪ আসনের এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘যেখানে বাহিনীগুলো সরাসরি মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত থাকে, সেখানে ২০০৯ সালের আইন অনুযায়ী তদন্ত করতে বাহিনীর বা সরকারের পূর্বানুমতি লাগে। সরকার নিজেই যেখানে মানবাধিকার ক্ষুণ্ন করবে, সেখানে তাদের অনুমতি নিয়ে কতটা স্বচ্ছ তদন্ত সম্ভব, তা এ সংসদের সবার জানা।’

উল্লেখ্য, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বিলটি উত্থাপন করলে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে তীব্র আপত্তি জানানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

​রমনা থানায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সারপ্রাইজ ভিজিট’, ১০ মিনিটেই তোলপাড়

সংসদে হাসনাত: মানবাধিকার কমিশন আইন দিয়ে বিরোধী দল দমনের অভিযোগ

আপডেট সময় ০১:১৩:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের নামে বিরোধী দল ও মতকে দমন কমিশন হিসেবে সেটি ব্যবহার করা হয়েছে। বিএনপিকে দমন করার বৈধতা জাতীয় মানবাধিকার কমিশন উৎপাদন করেছে- এমনটাই মন্তব্য করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।

আজ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১২তম দিনে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল-২০২৬’ উত্থাপনের পর এই মন্তব্য করেন তিনি। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)। বিলটি উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

বিলের বিরোধিতা করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আজকের এই সংসদটি যে কাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে আছে, যারা এখানে এসেছেন তারা একটি ক্রান্তিকালীন সময় পার করে এসেছেন। অথচ জাতির গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ে আলোচনার জন্য আমাকে মাত্র ২ মিনিট সময় দেওয়া হয়েছে, যা অত্যন্ত অপ্রতুল। আমরা সংসদে অনেক বিষয়ে সময় অপচয় করি, কিন্তু এমন মৌলিক বিষয়ে সময় না দেওয়াটা দুঃখজনক।’

২০০৯ সালের আইনের সমালোচনা করে কুমিল্লা-৪ আসনের এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘এই বিল পাসের মাধ্যমে ২০০৯ সালের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইনটিকে রিস্টোর (পুনঃপ্রচলন) করা হচ্ছে। বিগত বছরগুলোতে আমরা দেখেছি, এই কমিশনকে বিরোধী দল ও মত দমনে ব্যবহার করা হয়েছে। বিএনপিকে দমন করার বৈধতা দিয়েছে এই কমিশন। এমনকি আমরা কমিশনের চেয়ারম্যানকে বলতে শুনেছি—মানবাধিকার রক্ষার স্বার্থে জামায়াত নেতাকর্মীদের গুলি করা বৈধ।’

মানবাধিকার লঙ্ঘনের তদন্তে সীমাবদ্ধতার কথা জানিয়ে কুমিল্লা-৪ আসনের এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘যেখানে বাহিনীগুলো সরাসরি মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত থাকে, সেখানে ২০০৯ সালের আইন অনুযায়ী তদন্ত করতে বাহিনীর বা সরকারের পূর্বানুমতি লাগে। সরকার নিজেই যেখানে মানবাধিকার ক্ষুণ্ন করবে, সেখানে তাদের অনুমতি নিয়ে কতটা স্বচ্ছ তদন্ত সম্ভব, তা এ সংসদের সবার জানা।’

উল্লেখ্য, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বিলটি উত্থাপন করলে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে তীব্র আপত্তি জানানো হয়।