ময়মনসিংহ , শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
২৮টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ স্ত্রীসহ সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমারের বার্ষিক আয় ৬ কোটি ২২ লাখ সালাহউদ্দিনের , স্ত্রীর ১ কোটি টাকার শেয়ার র‍্যাবকে রাজনৈতিকভাবে এক ঘণ্টার জন্যও ব্যবহার করিনি বললেন বাবর জিয়া উদ্যান এলাকায় কড়া নিরাপত্তা, হাফেজরা ভেতরে কুরআন পাঠ করছেন শতভাগ বই পেয়েছে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন প্রাথমিকশিক্ষা উপদেষ্টা পুরো বাংলাদেশই আমার পরিবার হয়ে উঠেছে বললেন তারেক রহমান যুবককে কুপিয়ে হত্যা হাজারীবাগে ময়মনসিংহ বিভাগীয় সদর দপ্তর স্থাপনের ভূমি ও গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্প পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান ৬.০ মাত্রার ভূমিকম্প জাপানের উত্তর উপকূলে ‘ভারতের সঙ্গে গোপন বৈঠক’ জামায়াত আমিরের সংবাদের তীব্র নিন্দা
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

আজও ট্রাইব্যুনালে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা র‍্যাব-বিজিবিসহ

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:২৭:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
  • ৪৪ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর রামপুরায় জুলাই-আগস্টে ২৮ হত্যার ঘটনায় দায়ের হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বিজিবি কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলামসহ চারজনের বিরুদ্ধে শুনানি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর প্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। 

আজ সোমবার (২৪ নভেম্বর) সকালে হাইকোর্টের প্রবেশপথসহ ট্রাইব্যুনালের মূল ফটকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নেন। অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি র‍্যাব-বিজিবিও মোতায়েন করা হয়েছে এবং সুপ্রিম কোর্ট এলাকার আশপাশে টহল দিচ্ছেন সেনাবাহিনীর সদস্যরা।

এদিন ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এই শুনানি হবে। এই মামলায় পলাতক দুই আসামির পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। গত ৫ নভেম্বর এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও, প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজকের দিন ধার্য করা হয়।

একইসঙ্গে পলাতকদের হাজিরে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশেরও নির্দেশ দেওয়া হয়, যা এরই মধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। পলাতক দুই আসামি হলেন: ডিএমপির খিলগাঁও অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মো. রাশেদুল ইসলাম ও রামপুরা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মশিউর রহমান।

উল্লেখ্য, জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় দেশজুড়ে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চলেছিল। এর মধ্যে রামপুরায় ২৮ জন নিহত হন এবং আরও অনেকে আহত হন। রামপুরায় বিজিবি কর্মকর্তা রেদোয়ানুলকে আন্দোলনকারীদের সরাসরি গুলি ছুড়তে দেখা গিয়েছিল।

এছাড়া অন্যান্য আসামিরাও এ হত্যাযজ্ঞে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাইবুনালে চারজনের বিরুদ্ধে আলাদা ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়। এর আগে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত সংস্থা তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

২৮টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ স্ত্রীসহ সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমারের

আজও ট্রাইব্যুনালে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা র‍্যাব-বিজিবিসহ

আপডেট সময় ১০:২৭:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

রাজধানীর রামপুরায় জুলাই-আগস্টে ২৮ হত্যার ঘটনায় দায়ের হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বিজিবি কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলামসহ চারজনের বিরুদ্ধে শুনানি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর প্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। 

আজ সোমবার (২৪ নভেম্বর) সকালে হাইকোর্টের প্রবেশপথসহ ট্রাইব্যুনালের মূল ফটকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নেন। অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি র‍্যাব-বিজিবিও মোতায়েন করা হয়েছে এবং সুপ্রিম কোর্ট এলাকার আশপাশে টহল দিচ্ছেন সেনাবাহিনীর সদস্যরা।

এদিন ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এই শুনানি হবে। এই মামলায় পলাতক দুই আসামির পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। গত ৫ নভেম্বর এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও, প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজকের দিন ধার্য করা হয়।

একইসঙ্গে পলাতকদের হাজিরে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশেরও নির্দেশ দেওয়া হয়, যা এরই মধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। পলাতক দুই আসামি হলেন: ডিএমপির খিলগাঁও অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মো. রাশেদুল ইসলাম ও রামপুরা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মশিউর রহমান।

উল্লেখ্য, জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় দেশজুড়ে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চলেছিল। এর মধ্যে রামপুরায় ২৮ জন নিহত হন এবং আরও অনেকে আহত হন। রামপুরায় বিজিবি কর্মকর্তা রেদোয়ানুলকে আন্দোলনকারীদের সরাসরি গুলি ছুড়তে দেখা গিয়েছিল।

এছাড়া অন্যান্য আসামিরাও এ হত্যাযজ্ঞে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাইবুনালে চারজনের বিরুদ্ধে আলাদা ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়। এর আগে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত সংস্থা তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছিল।