ময়মনসিংহ , রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নানা সংকটে ধুঁকছে গৌরীপুরের শতবর্ষী জংশন, যাত্রীদের ভোগান্তি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণ মুছে দেওয়া হবে বললেন বাণিজ্যমন্ত্রী “হানিয়া আমিরের সাফ কথা: আত্মবিশ্বাসী নারীদের টেনে নিচে নামাতে নারীরাও কম যান না” নতুন বন্দোবস্ত: শ্রমিকের পাশে থাকার অঙ্গীকার নাহিদের ​পিএসএলে বাংলাদেশিদের মিলনমেলা: গ্যালারি মাতালেন লাল-সবুজ সমর্থকরা ভান্সকে ট্রাম্পের শুভকামনা: ‘বিকল্প কোনো পরিকল্পনার প্রয়োজন নেই’ ইরান ইস্যুতে পাকিস্তানে ঐতিহাসিক বৈঠক: জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে ইসলামাবাদে মার্কিন প্রতিনিধিদল অনুশীলনে মেসির বুলেট গতির শট, ভাঙল ফটোসাংবাদিকের ক্যামেরা! লেবাননে ইসরায়েলি বর্বরতা: বাংলাদেশের কঠোর প্রতিবাদ আর্জেন্টিনাকে উড়িয়ে দিল ব্রাজিল: ৩-০ গোলের বড় জয়
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

আমরা প্রতারণাকে ‌‌‘না’ বলছি : রুমিন ফারহানা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৩৩:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৩১ বার পড়া হয়েছে

বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা বলেছেন, ২৭০ কার্যদিবস আলোচনার পরে যে বিষয়গুলোতে দলগুলোর ডিসেন্টিং পয়েন্ট আছে বা যেসব বিষয়ে বিএনপি ভিন্নমত দিয়েছে, সে বিষয়গুলো স্পষ্ট না করে একটি আদেশ জারি করার কথা বলা হচ্ছে। ভোটে যে প্রশ্নটি থাকবে, সেখানে ডিসেন্টিং ব্যাপারটাকেই একেবারে উড়িয়ে দিয়ে সনদটিকে ঘোষণা করছে। এটা জাতির সঙ্গে প্রতারণা। এই প্রতারণাকে আমরা ‘না’ বলছি।

বিএনপি শুরু থেকেই বলছে— আমাদের যেদিন নির্বাচন হবে, সেদিন আমরা গণভোটটি করব। আমরা লক্ষ্য করলাম, সে ব্যাপারে একেবারে ন্যূনতম কর্ণপাত না করেই গণভোটের কথা বলা হচ্ছে।

একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে এসব কথা বলেন তিনি।জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট হলে বিএনপি কী করবে, এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপির এই নেত্রী বলেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে যদি গণভোট হয়, সরকার থেকে যদি সিদ্ধান্ত হয়, তাহলে সময়ের সঙ্গে যেটা করার দরকার বিএনপি দলীয় আলাপ-আলোচনার পরে সিদ্ধান্ত নেবে।ফেব্রুয়ারিতে যেই নির্বাচন নির্ধারিত হয়েছে, সেটা যদি কোনো কারণে পিছিয়ে যায় বা দ্রুত নির্বাচনের পথে না যায়, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের যে শক্তি থাকার কথা, সেটি আর থাকবে না। তিনি আরো বলেন, গণভোটে সাংবিধানিক প্রশ্ন জড়িত, বাংলাদেশের মানুষের মূল চিন্তা উচ্চকক্ষ, নিম্নকক্ষ বা গণভোট কবে হবে— এগুলো নিয়ে নয়। তাদের কনসার্ন, তারা ঠিকমতো সস্তায় জিনিস কিনতে পারছে কি না, খাবারটা সস্তায় খেতে পারছে কি না, চিকিৎসাব্যবস্থার অবস্থা কী রকম, স্বল্প বা বিনা মূল্যে তারা ওষুধ পাচ্ছে কি না, হাসপাতালগুলোতে তারা সেবা পাচ্ছে কি না, তাদের ছেলেরা পড়াশোনা শেষ করে চাকরি পাচ্ছে কি না, দেশের বাইরে গিয়ে কিছু রোজগার করে পরিবারকে সাপোর্ট করতে পারছে কি না— এগুলো হচ্ছে তাদের মূল চিন্তা। তারা যখন দেখবে এমন একটি বিষয়ে গণভোট হচ্ছে, সেই বিষয় নিয়ে তাদের খুব একটা মাথাব্যথা নেই।তাদের প্রতিদিনকার জীবনের সঙ্গে এই বিষয়গুলোর কোনো সংযুক্তি নেই, তখন ‘না’ ভোট জয়যুক্ত হওয়ার একটা সম্ভাবনা তৈরি হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নানা সংকটে ধুঁকছে গৌরীপুরের শতবর্ষী জংশন, যাত্রীদের ভোগান্তি

আমরা প্রতারণাকে ‌‌‘না’ বলছি : রুমিন ফারহানা

আপডেট সময় ১১:৩৩:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৫

বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা বলেছেন, ২৭০ কার্যদিবস আলোচনার পরে যে বিষয়গুলোতে দলগুলোর ডিসেন্টিং পয়েন্ট আছে বা যেসব বিষয়ে বিএনপি ভিন্নমত দিয়েছে, সে বিষয়গুলো স্পষ্ট না করে একটি আদেশ জারি করার কথা বলা হচ্ছে। ভোটে যে প্রশ্নটি থাকবে, সেখানে ডিসেন্টিং ব্যাপারটাকেই একেবারে উড়িয়ে দিয়ে সনদটিকে ঘোষণা করছে। এটা জাতির সঙ্গে প্রতারণা। এই প্রতারণাকে আমরা ‘না’ বলছি।

বিএনপি শুরু থেকেই বলছে— আমাদের যেদিন নির্বাচন হবে, সেদিন আমরা গণভোটটি করব। আমরা লক্ষ্য করলাম, সে ব্যাপারে একেবারে ন্যূনতম কর্ণপাত না করেই গণভোটের কথা বলা হচ্ছে।

একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে এসব কথা বলেন তিনি।জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট হলে বিএনপি কী করবে, এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপির এই নেত্রী বলেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে যদি গণভোট হয়, সরকার থেকে যদি সিদ্ধান্ত হয়, তাহলে সময়ের সঙ্গে যেটা করার দরকার বিএনপি দলীয় আলাপ-আলোচনার পরে সিদ্ধান্ত নেবে।ফেব্রুয়ারিতে যেই নির্বাচন নির্ধারিত হয়েছে, সেটা যদি কোনো কারণে পিছিয়ে যায় বা দ্রুত নির্বাচনের পথে না যায়, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের যে শক্তি থাকার কথা, সেটি আর থাকবে না। তিনি আরো বলেন, গণভোটে সাংবিধানিক প্রশ্ন জড়িত, বাংলাদেশের মানুষের মূল চিন্তা উচ্চকক্ষ, নিম্নকক্ষ বা গণভোট কবে হবে— এগুলো নিয়ে নয়। তাদের কনসার্ন, তারা ঠিকমতো সস্তায় জিনিস কিনতে পারছে কি না, খাবারটা সস্তায় খেতে পারছে কি না, চিকিৎসাব্যবস্থার অবস্থা কী রকম, স্বল্প বা বিনা মূল্যে তারা ওষুধ পাচ্ছে কি না, হাসপাতালগুলোতে তারা সেবা পাচ্ছে কি না, তাদের ছেলেরা পড়াশোনা শেষ করে চাকরি পাচ্ছে কি না, দেশের বাইরে গিয়ে কিছু রোজগার করে পরিবারকে সাপোর্ট করতে পারছে কি না— এগুলো হচ্ছে তাদের মূল চিন্তা। তারা যখন দেখবে এমন একটি বিষয়ে গণভোট হচ্ছে, সেই বিষয় নিয়ে তাদের খুব একটা মাথাব্যথা নেই।তাদের প্রতিদিনকার জীবনের সঙ্গে এই বিষয়গুলোর কোনো সংযুক্তি নেই, তখন ‘না’ ভোট জয়যুক্ত হওয়ার একটা সম্ভাবনা তৈরি হবে।