ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে কূটনৈতিক হিসাব-নিকাশ শুরু হয়েছে। চলমান সংঘাতে ইরানের শাসনব্যবস্থা ভেঙে পড়বে— এমন ধারণা এখন আর জোরালোভাবে দেখা যাচ্ছে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষক ও কর্মকর্তারা।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলের নীতিনির্ধারণী মহলের একাধিক কর্মকর্তা স্বীকার করেছেন— ব্যাপক বিমান হামলা সত্ত্বেও ইরানে এখন পর্যন্ত সরকারবিরোধী বড় কোনো গণঅভ্যুত্থানের লক্ষণ দেখা যায়নি।
যুদ্ধের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ধারণা করেছিল, সামরিক চাপ তৈরি হলে ইরানের জনগণ রাস্তায় নেমে শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করবে। কিন্তু বাস্তবে অর্থনৈতিক সংকট ও রাজনৈতিক অসন্তোষ থাকা সত্ত্বেও অনেক ইরানি সংকটকালে সরকারের পাশেই অবস্থান নিয়েছেন।
তবে বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানে তাৎক্ষণিক কোনো গণআন্দোলনের সম্ভাবনা খুবই কম। বরং যুদ্ধের প্রভাব এখন বৈশ্বিক অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারেও চাপ তৈরি করছে।
এদিকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে আলোচনায় থাকা মোজতবা খামেনিকে নিয়ে শুরুতে কড়া মন্তব্য করলেও পরে এ বিষয়ে নীরবতা বজায় রেখেছেন ট্রাম্প। বিশ্লেষকদের ধারণা, সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা আরও ঝুঁকিতে পড়তে পারে— যে কারণে এখন যুদ্ধের দ্রুত অবসান নিয়েই বেশি চিন্তা করছে ওয়াশিংটন।

ডিজিটাল ডেস্ক 






















