ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ঈশ্বরগঞ্জে বিরোধপূর্ণ জমিতে ভবন নির্মাণ: বাধা দেয়ায় মা জেলহাজতে, কাঁদছে আড়াই বছরের শিশু শিগগিরই কুমিল্লা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহাসড়ক উন্নয়নের আশ্বাস দিলেন সড়কমন্ত্রী বিগত সরকার বিদ্যুতের ৪০ হাজার কোটি টাকা বকেয়া রেখে গেছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী পূর্বধলায় স্বর্ণ সুধা যুব উন্নয়ন সমিতির কার্যক্রম পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত, ধানখেত থেকে ১৪০ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার পূর্বধলা থানায় নয়া ওসির দায়িত্ব গ্রহণ সিএমপি কমিশনারের ‘ওপেন হাউজ ডে’-তে সেবা নিলেন সেবাপ্রত্যাশীরা আড়াই ঘণ্টা পর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুটে নৌযান চলাচল শুরু এমন বৃষ্টি কতদিন থাকবে, বার্তা আবহাওয়া অফিসের ​৪ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৫ জেলায় তীব্র বন্যার শঙ্কা
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

এআই ব্যবহার করে সহিংসতা হচ্ছে, বন্ধে সরকার ব্যর্থ বলে মন্তব্য করেছেন ড. দেবপ্রিয়

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:০৭:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬০ বার পড়া হয়েছে

ডিজিটাল রূপান্তর আমাদের প্রগতিশীল করলেও বৈষম্য সৃষ্টি করেছে বলে মন্তব্য করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য্য। তিনি বলেন, এবারের নির্বাচনে নতুন উপাদান হলো সামাজিক মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার। এর মাধ্যমে সহিংসতা, ঘৃণা ছড়ানো হয়। তবে তা বন্ধ করার মতো কোনো উদ্যোগ বা ইচ্ছা নির্বাচন কমিশন দেখাতে পারেনি। সরকারও কিছু করতে পারছে না। 

গত মঙ্গলবার (৫ জানুয়ারি) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘গণতান্ত্রিক পুনর্গঠনের জন্য মুক্ত আলোচনা: ডিজিটাল অর্থনীতি ও উদ্যোক্তা প্রসঙ্গ’ শীর্ষক এক আলোচনায় এসব কথা বলেন ড. দেবপ্রিয়। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস)।

তিনি বলেন, ডিজিটাল পদ্ধতির মাধ্যমে দুর্নীতি কিছুটা কমানো হয়েছে। তবে একীভূত জাতীয় তথ্যভান্ডার তৈরি করতে হবে। এটি নির্বাচন কমিশন বা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে থাকবে না। এটিকে স্বায়ত্তশাসিত, নজরদারিভিত্তিক ও জবাবদিহিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হতে হবে। নতুন সাইবার সিকিউরিটি অর্ডন্যান্সকে আগামী সরকারকে বৈধতা দিতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলো আগামী নির্বাচনে ডিজিটাল সুরক্ষার জন্য কী কী করবে, তা আমাদের ভালো করে জেনে নিতে হবে।

ড. দেবপ্রিয় বলেন, ডিজিটাল রূপান্তরে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হলেও প্রথাগত কর্মসংস্থানে সমস্যা হচ্ছে। চব্বিশের আগস্ট আন্দোলনে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশে বোঝা যায়, এই মাধ্যম কতটা শক্তিশালী। ইন্টারনেট বন্ধের মাধ্যমে হাসিনা সরকারের নৈতিক পরাজয় হয়েছিল।

বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের সাবেক সভাপতি শাহেদুল ইসলাম হেলাল বলেন, দুর্নীতি বা ঘুষ থেকে বের হওয়ার একটি রাস্তা হলো ডিজিটাল পদ্ধতি। তরুণ আইটি উদ্যোক্তা তৈরি করতে হবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ আবদুল মজিদ বলেন, আমরা যতই অটোমেশন, ডিজিটালাইজেশন করতে চাই না কেন, মানুষের মানসিকতা না বদলালে তাতে কোনো লাভ হবে না। আমার পাশের দেশ থেকে সিলিকন ভ্যালিতে বড় বড় কর্মকর্তা হলো; কিন্তু আমরা পারলাম না।

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক প্রেসিডেন্ট আসিফ ইব্রাহিম বলেন, ই-কমার্সে আমাদের অবস্থা তেমন ভালো না। তরুণদের মধ্যে ডিজিটাল দক্ষতা ও স্বাক্ষরতা বাড়াতে হবে।

সিজিএসের প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) চেয়ারম্যান জেবেল রহমান ঘানি, ড্যাফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান সবুর খান, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের স্কুল অব বিজনেসের ডিন এম এ বাকী খলীলী, বারভিডার সাবেক সভাপতি আবদুল হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম জাহিদ, নারী উদ্যোক্তা তাজমিন নাসরিন প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঈশ্বরগঞ্জে বিরোধপূর্ণ জমিতে ভবন নির্মাণ: বাধা দেয়ায় মা জেলহাজতে, কাঁদছে আড়াই বছরের শিশু

এআই ব্যবহার করে সহিংসতা হচ্ছে, বন্ধে সরকার ব্যর্থ বলে মন্তব্য করেছেন ড. দেবপ্রিয়

আপডেট সময় ০৯:০৭:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

ডিজিটাল রূপান্তর আমাদের প্রগতিশীল করলেও বৈষম্য সৃষ্টি করেছে বলে মন্তব্য করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য্য। তিনি বলেন, এবারের নির্বাচনে নতুন উপাদান হলো সামাজিক মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার। এর মাধ্যমে সহিংসতা, ঘৃণা ছড়ানো হয়। তবে তা বন্ধ করার মতো কোনো উদ্যোগ বা ইচ্ছা নির্বাচন কমিশন দেখাতে পারেনি। সরকারও কিছু করতে পারছে না। 

গত মঙ্গলবার (৫ জানুয়ারি) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘গণতান্ত্রিক পুনর্গঠনের জন্য মুক্ত আলোচনা: ডিজিটাল অর্থনীতি ও উদ্যোক্তা প্রসঙ্গ’ শীর্ষক এক আলোচনায় এসব কথা বলেন ড. দেবপ্রিয়। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস)।

তিনি বলেন, ডিজিটাল পদ্ধতির মাধ্যমে দুর্নীতি কিছুটা কমানো হয়েছে। তবে একীভূত জাতীয় তথ্যভান্ডার তৈরি করতে হবে। এটি নির্বাচন কমিশন বা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে থাকবে না। এটিকে স্বায়ত্তশাসিত, নজরদারিভিত্তিক ও জবাবদিহিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হতে হবে। নতুন সাইবার সিকিউরিটি অর্ডন্যান্সকে আগামী সরকারকে বৈধতা দিতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলো আগামী নির্বাচনে ডিজিটাল সুরক্ষার জন্য কী কী করবে, তা আমাদের ভালো করে জেনে নিতে হবে।

ড. দেবপ্রিয় বলেন, ডিজিটাল রূপান্তরে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হলেও প্রথাগত কর্মসংস্থানে সমস্যা হচ্ছে। চব্বিশের আগস্ট আন্দোলনে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশে বোঝা যায়, এই মাধ্যম কতটা শক্তিশালী। ইন্টারনেট বন্ধের মাধ্যমে হাসিনা সরকারের নৈতিক পরাজয় হয়েছিল।

বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের সাবেক সভাপতি শাহেদুল ইসলাম হেলাল বলেন, দুর্নীতি বা ঘুষ থেকে বের হওয়ার একটি রাস্তা হলো ডিজিটাল পদ্ধতি। তরুণ আইটি উদ্যোক্তা তৈরি করতে হবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ আবদুল মজিদ বলেন, আমরা যতই অটোমেশন, ডিজিটালাইজেশন করতে চাই না কেন, মানুষের মানসিকতা না বদলালে তাতে কোনো লাভ হবে না। আমার পাশের দেশ থেকে সিলিকন ভ্যালিতে বড় বড় কর্মকর্তা হলো; কিন্তু আমরা পারলাম না।

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক প্রেসিডেন্ট আসিফ ইব্রাহিম বলেন, ই-কমার্সে আমাদের অবস্থা তেমন ভালো না। তরুণদের মধ্যে ডিজিটাল দক্ষতা ও স্বাক্ষরতা বাড়াতে হবে।

সিজিএসের প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) চেয়ারম্যান জেবেল রহমান ঘানি, ড্যাফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান সবুর খান, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের স্কুল অব বিজনেসের ডিন এম এ বাকী খলীলী, বারভিডার সাবেক সভাপতি আবদুল হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম জাহিদ, নারী উদ্যোক্তা তাজমিন নাসরিন প্রমুখ।