ময়মনসিংহ , রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর ৮০ হাজার মানুষ চাকরি হারিয়েছে বলে মন্তব্য করেছে কর্নেল অলি বিএনপি নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগের ভোট ভিক্ষা চেয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতের আমির নেত্রকোণায় জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান নেত্রকোণায় ‘নারীনেত্র কারুপণ্য’ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক, ৫ হাজার নারীকে প্রশিক্ষণ দিয়ে স্বাবলম্বী করেছেন লিপি শেরপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে একযোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, অংশ নিলেন ৩ হাজার ২৫ জন প্রয়াত সভাপতি কাজী আজিজুল হক খোকনের স্মরণে নিউইয়র্কে এক সর্বজনীন শোকসভা ও বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত খুলনায় সন্ধানী ক্লিনিকে হামলা: গুলি ও ব্যাপক ভাঙচুর খুলনায় ঘোড়া জবাই করে মাংস বিক্রির অভিযোগ, মূলহোতার ৩ মাসের কারাদণ্ড ময়মনসিংহে অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, ৩৪ ড্রেজার জব্দ ও ধ্বংস ​পাঁচবিবি সীমান্তে সাড়ে ৭ হাজার পিস ট্যাপিওকা/ট্যাপেন্টাডলসহ আটক ২
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

এআই ব্যবহার করে সহিংসতা হচ্ছে, বন্ধে সরকার ব্যর্থ বলে মন্তব্য করেছেন ড. দেবপ্রিয়

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:০৭:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৯৯ বার পড়া হয়েছে

ডিজিটাল রূপান্তর আমাদের প্রগতিশীল করলেও বৈষম্য সৃষ্টি করেছে বলে মন্তব্য করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য্য। তিনি বলেন, এবারের নির্বাচনে নতুন উপাদান হলো সামাজিক মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার। এর মাধ্যমে সহিংসতা, ঘৃণা ছড়ানো হয়। তবে তা বন্ধ করার মতো কোনো উদ্যোগ বা ইচ্ছা নির্বাচন কমিশন দেখাতে পারেনি। সরকারও কিছু করতে পারছে না। 

গত মঙ্গলবার (৫ জানুয়ারি) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘গণতান্ত্রিক পুনর্গঠনের জন্য মুক্ত আলোচনা: ডিজিটাল অর্থনীতি ও উদ্যোক্তা প্রসঙ্গ’ শীর্ষক এক আলোচনায় এসব কথা বলেন ড. দেবপ্রিয়। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস)।

তিনি বলেন, ডিজিটাল পদ্ধতির মাধ্যমে দুর্নীতি কিছুটা কমানো হয়েছে। তবে একীভূত জাতীয় তথ্যভান্ডার তৈরি করতে হবে। এটি নির্বাচন কমিশন বা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে থাকবে না। এটিকে স্বায়ত্তশাসিত, নজরদারিভিত্তিক ও জবাবদিহিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হতে হবে। নতুন সাইবার সিকিউরিটি অর্ডন্যান্সকে আগামী সরকারকে বৈধতা দিতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলো আগামী নির্বাচনে ডিজিটাল সুরক্ষার জন্য কী কী করবে, তা আমাদের ভালো করে জেনে নিতে হবে।

ড. দেবপ্রিয় বলেন, ডিজিটাল রূপান্তরে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হলেও প্রথাগত কর্মসংস্থানে সমস্যা হচ্ছে। চব্বিশের আগস্ট আন্দোলনে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশে বোঝা যায়, এই মাধ্যম কতটা শক্তিশালী। ইন্টারনেট বন্ধের মাধ্যমে হাসিনা সরকারের নৈতিক পরাজয় হয়েছিল।

বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের সাবেক সভাপতি শাহেদুল ইসলাম হেলাল বলেন, দুর্নীতি বা ঘুষ থেকে বের হওয়ার একটি রাস্তা হলো ডিজিটাল পদ্ধতি। তরুণ আইটি উদ্যোক্তা তৈরি করতে হবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ আবদুল মজিদ বলেন, আমরা যতই অটোমেশন, ডিজিটালাইজেশন করতে চাই না কেন, মানুষের মানসিকতা না বদলালে তাতে কোনো লাভ হবে না। আমার পাশের দেশ থেকে সিলিকন ভ্যালিতে বড় বড় কর্মকর্তা হলো; কিন্তু আমরা পারলাম না।

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক প্রেসিডেন্ট আসিফ ইব্রাহিম বলেন, ই-কমার্সে আমাদের অবস্থা তেমন ভালো না। তরুণদের মধ্যে ডিজিটাল দক্ষতা ও স্বাক্ষরতা বাড়াতে হবে।

সিজিএসের প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) চেয়ারম্যান জেবেল রহমান ঘানি, ড্যাফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান সবুর খান, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের স্কুল অব বিজনেসের ডিন এম এ বাকী খলীলী, বারভিডার সাবেক সভাপতি আবদুল হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম জাহিদ, নারী উদ্যোক্তা তাজমিন নাসরিন প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর ৮০ হাজার মানুষ চাকরি হারিয়েছে বলে মন্তব্য করেছে কর্নেল অলি

এআই ব্যবহার করে সহিংসতা হচ্ছে, বন্ধে সরকার ব্যর্থ বলে মন্তব্য করেছেন ড. দেবপ্রিয়

আপডেট সময় ০৯:০৭:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

ডিজিটাল রূপান্তর আমাদের প্রগতিশীল করলেও বৈষম্য সৃষ্টি করেছে বলে মন্তব্য করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য্য। তিনি বলেন, এবারের নির্বাচনে নতুন উপাদান হলো সামাজিক মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার। এর মাধ্যমে সহিংসতা, ঘৃণা ছড়ানো হয়। তবে তা বন্ধ করার মতো কোনো উদ্যোগ বা ইচ্ছা নির্বাচন কমিশন দেখাতে পারেনি। সরকারও কিছু করতে পারছে না। 

গত মঙ্গলবার (৫ জানুয়ারি) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘গণতান্ত্রিক পুনর্গঠনের জন্য মুক্ত আলোচনা: ডিজিটাল অর্থনীতি ও উদ্যোক্তা প্রসঙ্গ’ শীর্ষক এক আলোচনায় এসব কথা বলেন ড. দেবপ্রিয়। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস)।

তিনি বলেন, ডিজিটাল পদ্ধতির মাধ্যমে দুর্নীতি কিছুটা কমানো হয়েছে। তবে একীভূত জাতীয় তথ্যভান্ডার তৈরি করতে হবে। এটি নির্বাচন কমিশন বা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে থাকবে না। এটিকে স্বায়ত্তশাসিত, নজরদারিভিত্তিক ও জবাবদিহিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হতে হবে। নতুন সাইবার সিকিউরিটি অর্ডন্যান্সকে আগামী সরকারকে বৈধতা দিতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলো আগামী নির্বাচনে ডিজিটাল সুরক্ষার জন্য কী কী করবে, তা আমাদের ভালো করে জেনে নিতে হবে।

ড. দেবপ্রিয় বলেন, ডিজিটাল রূপান্তরে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হলেও প্রথাগত কর্মসংস্থানে সমস্যা হচ্ছে। চব্বিশের আগস্ট আন্দোলনে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশে বোঝা যায়, এই মাধ্যম কতটা শক্তিশালী। ইন্টারনেট বন্ধের মাধ্যমে হাসিনা সরকারের নৈতিক পরাজয় হয়েছিল।

বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের সাবেক সভাপতি শাহেদুল ইসলাম হেলাল বলেন, দুর্নীতি বা ঘুষ থেকে বের হওয়ার একটি রাস্তা হলো ডিজিটাল পদ্ধতি। তরুণ আইটি উদ্যোক্তা তৈরি করতে হবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ আবদুল মজিদ বলেন, আমরা যতই অটোমেশন, ডিজিটালাইজেশন করতে চাই না কেন, মানুষের মানসিকতা না বদলালে তাতে কোনো লাভ হবে না। আমার পাশের দেশ থেকে সিলিকন ভ্যালিতে বড় বড় কর্মকর্তা হলো; কিন্তু আমরা পারলাম না।

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক প্রেসিডেন্ট আসিফ ইব্রাহিম বলেন, ই-কমার্সে আমাদের অবস্থা তেমন ভালো না। তরুণদের মধ্যে ডিজিটাল দক্ষতা ও স্বাক্ষরতা বাড়াতে হবে।

সিজিএসের প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) চেয়ারম্যান জেবেল রহমান ঘানি, ড্যাফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান সবুর খান, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের স্কুল অব বিজনেসের ডিন এম এ বাকী খলীলী, বারভিডার সাবেক সভাপতি আবদুল হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম জাহিদ, নারী উদ্যোক্তা তাজমিন নাসরিন প্রমুখ।