ময়মনসিংহ , রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

ওআইসি রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব নিয়ে কোনো আপস নয় বললেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৩১:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা প্রশ্নে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না এমন স্পষ্ট অবস্থান তুলে ধরেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। মুসলিম বিশ্বের ঐক্য ও আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়ে ওআইসির সম্মিলিত অবস্থানই চূড়ান্ত হওয়া উচিত।

গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত ওআইসির কাউন্সিল অব ফরেন মিনিস্টার্সের (সিএফএম) ২২তম বিশেষ অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ কথা বলেন তিনি।

সোমালিয়ার একটি অঞ্চলকে ইসরায়েলের স্বীকৃতি দেওয়ার ঘটনা এবং এর ফলে সোমালিয়ার সার্বভৌমত্ব, জাতীয় ঐক্য ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতেই এই জরুরি অধিবেশন আহ্বান করে ওআইসি। একই সঙ্গে বিষয়টির বৃহত্তর আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক প্রভাব নিয়েও আলোচনা হয়।
অধিবেশনে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আন্তর্জাতিক আইন সমুন্নত রাখা, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি শ্রদ্ধা এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্য রক্ষায় ওআইসির যে সম্মিলিত অঙ্গীকার বাংলাদেশ তার সঙ্গে পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছে।
ইসরায়েলের এই স্বীকৃতিকে স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান ও নিন্দা জানাতে ওআইসির প্রতি আহ্বান জানান তৌহিদ হোসেন। একই সঙ্গে তিনি সোমালিয়ার সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি ওআইসির দৃঢ় ও অবিচল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
তিনি আরও বলেন, ওআইসি সদস্য দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব কোনোভাবেই আপসযোগ্য নয়। অবৈধ আলোচনা কিংবা একতরফা উদ্যোগ গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। ন্যায়বিচার, আন্তর্জাতিক আইন এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতাই চাপের রাজনীতি ও একক সিদ্ধান্তের ঊর্ধ্বে থাকবে।
এর আগে শনিবার সকালে, ওআইসির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরিষদের বিশেষ অধিবেশনকে সামনে রেখে সদস্য দেশগুলোর বিপুলসংখ্যক প্রতিনিধির অংশগ্রহণে একটি প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি ওআইসির অব্যাহত সংহতি ও সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আবেদন কুমিল্লা-২ আসনের সীমানা নিয়ে

ওআইসি রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব নিয়ে কোনো আপস নয় বললেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আপডেট সময় ১১:৩১:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা প্রশ্নে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না এমন স্পষ্ট অবস্থান তুলে ধরেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। মুসলিম বিশ্বের ঐক্য ও আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়ে ওআইসির সম্মিলিত অবস্থানই চূড়ান্ত হওয়া উচিত।

গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত ওআইসির কাউন্সিল অব ফরেন মিনিস্টার্সের (সিএফএম) ২২তম বিশেষ অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ কথা বলেন তিনি।

সোমালিয়ার একটি অঞ্চলকে ইসরায়েলের স্বীকৃতি দেওয়ার ঘটনা এবং এর ফলে সোমালিয়ার সার্বভৌমত্ব, জাতীয় ঐক্য ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতেই এই জরুরি অধিবেশন আহ্বান করে ওআইসি। একই সঙ্গে বিষয়টির বৃহত্তর আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক প্রভাব নিয়েও আলোচনা হয়।
অধিবেশনে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আন্তর্জাতিক আইন সমুন্নত রাখা, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি শ্রদ্ধা এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্য রক্ষায় ওআইসির যে সম্মিলিত অঙ্গীকার বাংলাদেশ তার সঙ্গে পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছে।
ইসরায়েলের এই স্বীকৃতিকে স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান ও নিন্দা জানাতে ওআইসির প্রতি আহ্বান জানান তৌহিদ হোসেন। একই সঙ্গে তিনি সোমালিয়ার সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি ওআইসির দৃঢ় ও অবিচল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
তিনি আরও বলেন, ওআইসি সদস্য দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব কোনোভাবেই আপসযোগ্য নয়। অবৈধ আলোচনা কিংবা একতরফা উদ্যোগ গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। ন্যায়বিচার, আন্তর্জাতিক আইন এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতাই চাপের রাজনীতি ও একক সিদ্ধান্তের ঊর্ধ্বে থাকবে।
এর আগে শনিবার সকালে, ওআইসির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরিষদের বিশেষ অধিবেশনকে সামনে রেখে সদস্য দেশগুলোর বিপুলসংখ্যক প্রতিনিধির অংশগ্রহণে একটি প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি ওআইসির অব্যাহত সংহতি ও সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করা হয়।