ময়মনসিংহ , সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দুদেশের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও আস্থার সম্পর্ক শক্তিশালী বলেছেন প্রণয় ভার্মা পহেলা বৈশাখ: ঢাবিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে ডিএমপি ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের জরুরি নির্দেশনা নববর্ষের আবাহন : ঐতিহ্যের পথ বেয়ে আধুনিকতার উৎসবে ভিসার বিষয়ে ভারতের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে জানিয়েছেন হুমায়ুন কবির বাংলা নববর্ষ ঘিরে কোনো নাশকতার শঙ্কা নেই জানিয়েছেন র‌্যাব মহাপরিচালক জামিন পেলেন বাউলশিল্পী আবুল সরকার ​দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান: ২০ এপ্রিল নিজ জন্মভূমি বগুড়া সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যুদ্ধ নয়, কেবল ‘সতর্কবার্তা’? ইরানে সীমিত হামলার পরিকল্পনা ডোনাল্ড ট্রাম্পের। বিকেলে নুসুক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঢাকায় আন্তর্জাতিক মানের ডিএনএ ল্যাবরেটরি করা হবে বলেছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

গণসংবর্ধনায় বিপুল জনসমাগমে শেরপুর জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ফজলুর রহমান তারাকে বরণ

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩৫:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫
  • ১৮৬ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) শেরপুর জেলা শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ফজলুর রহমান তারাকে এক বিশাল গণসংবর্ধনার মাধ্যমে বরণ করে নিল নালিতাবাড়ী উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

নালিতাবাড়ীর ১২টি ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ থানা বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল এবং অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ছিল প্রাণবন্ত পরিবেশ, ব্যাপক উপস্থিতি এবং ফজলুর রহমান তারার প্রতি অকুণ্ঠ ভালোবাসা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জনাব কামরুল ইসলাম। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “বিএনপি নেতাকর্মীদের এই ঐক্য ও উদ্দীপনা প্রমাণ করে, আমাদের শেরপুরে সংগঠন এখন অনেক বেশি শক্তিশালী ও সুসংগঠিত। ফজলুর রহমান তারার নেতৃত্বে আমরা আগামীর আন্দোলন-সংগ্রামে আরও দৃঢ় হবো।”
অনুষ্ঠানে . মো. ফজলুর রহমান তারা বলেন, “জনতার ভালোবাসাই আমার শক্তি। আমি জনগণের পাশে ছিলাম, আছি এবং থাকবো। শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনে আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছি এবং দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো।”
তিনি আরও বলেন, “নালিতাবাড়ীর প্রতিটি ইউনিয়নে সংগঠনকে সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। নেতাকর্মীদের ঐক্যই বিএনপির মূল শক্তি। আমাদের লক্ষ্য গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া।”
গণসংবর্ধনা শেষে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল বিএনপির শক্তি ও জনপ্রিয়তার এক অনন্য দৃষ্টান্ত।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দুদেশের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও আস্থার সম্পর্ক শক্তিশালী বলেছেন প্রণয় ভার্মা

গণসংবর্ধনায় বিপুল জনসমাগমে শেরপুর জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ফজলুর রহমান তারাকে বরণ

আপডেট সময় ১২:৩৫:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) শেরপুর জেলা শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ফজলুর রহমান তারাকে এক বিশাল গণসংবর্ধনার মাধ্যমে বরণ করে নিল নালিতাবাড়ী উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

নালিতাবাড়ীর ১২টি ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ থানা বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল এবং অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ছিল প্রাণবন্ত পরিবেশ, ব্যাপক উপস্থিতি এবং ফজলুর রহমান তারার প্রতি অকুণ্ঠ ভালোবাসা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জনাব কামরুল ইসলাম। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “বিএনপি নেতাকর্মীদের এই ঐক্য ও উদ্দীপনা প্রমাণ করে, আমাদের শেরপুরে সংগঠন এখন অনেক বেশি শক্তিশালী ও সুসংগঠিত। ফজলুর রহমান তারার নেতৃত্বে আমরা আগামীর আন্দোলন-সংগ্রামে আরও দৃঢ় হবো।”
অনুষ্ঠানে . মো. ফজলুর রহমান তারা বলেন, “জনতার ভালোবাসাই আমার শক্তি। আমি জনগণের পাশে ছিলাম, আছি এবং থাকবো। শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনে আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছি এবং দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো।”
তিনি আরও বলেন, “নালিতাবাড়ীর প্রতিটি ইউনিয়নে সংগঠনকে সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। নেতাকর্মীদের ঐক্যই বিএনপির মূল শক্তি। আমাদের লক্ষ্য গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া।”
গণসংবর্ধনা শেষে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল বিএনপির শক্তি ও জনপ্রিয়তার এক অনন্য দৃষ্টান্ত।