ময়মনসিংহ , সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
প্রায় সাড়ে ৬ লাখ ভোটার দেশে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন জামায়াত আমির শফিকুর রহমান হেলিকপ্টারে মহেশখালী পৌঁছেছেন যার খুশি হ্যাঁ ভোট দেবে, যার খুশি না ভোট দেবে বলেছেন মির্জা আব্বাস আখতার হোসেনের গাছে ঝুলিয়ে দেওয়ার ঘোষণা নারীদের ওপর আক্রমণ করলে তারেক রহমান খুলনার জনসভা মঞ্চে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি: জেলায় জেলায় ব্যালট পেপার যাচ্ছে গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোটি টাকার টেন্ডারে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ! ইতর শ্রেণির লোক এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছে বলেছেন জামায়াত আমির জোটের পরিণতি কি হবে, তা নির্বাচনের পর দেখা যাবে বলে মন্তব্য করেছেন নাহিদ নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না, দেশের মানুষ জেগে উঠেছে বলেছেন মির্জা ফখরুল
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোটি টাকার টেন্ডারে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ!

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোটির টাকার ওষুধ, যন্ত্রপাতি, গজ-ব্যান্ডেজ, লিলেন, ক্যামিক্যাল ও আসবাবপত্র ক্রয়ের টেন্ডার নিয়ে অনিয়ম-দুর্নীতি ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার দিবাকর ভাটের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে বুধবার (২৮ জানুয়ারি/২৬) এ অভিযোগ দায়ের করেন জুয়াইরিয়া ইন্টারন্যাশনালের ম্যানেজার এনামুল হক।

গত বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফিয়া আমীন পাপ্পা এ অভিযোগ প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা. দিবাকর ভাট জানান, সফটওয়্যার সিস্টেমেই সর্বোচ্চ দরদাতা হলেও জুয়াইরিয়া ইন্টারন্যাশনালের দেয়া টেন্ডার বাতিল হয়ে গেছে।

আমি সবসময় স্টিক, কোনো অনিয়ম হওয়ার সুযোগ নেই। বাতিল হওয়া দু’টি গ্রুপের কাজের জন্য পুণ;দরপত্র আহ্বানের প্রস্তুতি চলছে। আর পক্ষপাতিত্ব করার অভিযোগও সত্য নয়, আমি এর জন্য একটি দরপত্র কমিটি করে দিয়েছি।

দরপত্র কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. রাজেন্দ্র দেবনাথ জানান, ঠিকাদারীর প্রতিষ্ঠানের দরদামের আগে আমরা সেই প্রতিষ্ঠানের ব্যাংকের আর্থিক স্বচ্ছলতা দেখি, সেই কোম্পানীর এ স্বচ্ছলতা ছিলো না। ওই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কালোতালিকাভুক্ত হলে টেন্ডারে অংশ গ্রহণের সুযোগ পেতো না।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ওষুধ ক্রয়ের ট্রেন্ডারে অংশ নেয় ৫জন, যন্ত্রপাতি ক্রয়ে ৪জন, গজ-ব্যান্ডেজ ক্রয়ে ৪জন, লিলেন ক্রয়ে ৪জন, ক্যামিক্যাল ক্রয়ে ৪জন ও আসবাবপত্র ক্রয়ে ৪জন ঠিকাদার। জুয়াইরিয়া ইন্টারন্যাশনালের ম্যানেজার এনামুল হক জানায়, ৬টি গ্রুপের মধ্যে ৪টি গ্রুপে সর্বোচ্চ দরদাতা ইলেক্টোসাইন্স নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।

২টি গ্রুপের সর্বোচ্চ দরদাতা হলো জুয়াইরিয়া ইন্টারন্যাশনাল। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা. দিবাকর ভাট তাদেরকে নিশ্চিত করেছিলো যারা সর্বোচ্চ দরদাতা তাদেরকে কাজ দেয়া হবে।

কিন্তু তার পছন্দের প্রতিষ্ঠান ইলেক্টোসাইন্সে সেই শর্তানুযায়ী ৪টি কাজের কার্যাদেশ দেয়া হয়। তবে কোনোরূপ কারণ ছাড়াই তাদের দুটি কাজ তাদেরকে না দিয়ে সেগুলোকে আবারও রি-টেন্ডার দেয়া হয়েছে।

যে কোম্পানীকে কাজ দেয়া হয়েছে সেই কোম্পানীটি কালো তালিকাভুক্ত।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, মেডিসিন ক্রয়ের জন্য ৫০লাখ ৫০হাজার ৯৮৬টাকা, যন্ত্রপাতি ক্রয়ের জন্য ২৫লাখ ৯০হাজার ২৪০টাকা, গজ, ব্যান্ডেজ ও কটন ক্রয়ের জন্য ১২লাখ ৯৫হাজার ১২০টাকা, লিলেন ক্রয়ের জন্য ১২লাখ ৯৫হাজার ১২০টাকা, ক্যামিকেল ক্রয়ে ৫লাখ ১৮হাজার ৪৮টাকা, ফার্নিচার ক্রয়ে ৫লাখ ১৮হাজার ৪৮টাকা, খাদ্যের জন্য ৩২লাখ ৪৪হাজার টাকা, লিলেন আইটেম ধৌতকরণে ৮লাখ ৩৭হাজার ৫শ টাকার টেন্ডার প্রদান করে।

এরমধ্যে মেডিসিন ক্রয়ে সর্বদরদাতা ইলেক্টো সাইন্স ৪৯লাখ ১২হাজার ৯৯৯টাকা ও সর্বনিম্নদরদাতা ছিলো মেসার্স সাইফুল ট্রেডার্স ৪১লাখ ৪৩হাজার ৩৮৬টাকা। যন্ত্রপাতি ক্রয়ে সর্বদরদাতা ২৫লাখ ৮হাজার ১৬৭টাকা ও সর্বনিম্নদরদাতা জুরাইরিয়া ইন্টারন্যাশনাল ২২লাখ ৭৯হাজার ৩৯২টাকা।

গজ, ব্যান্ডেজ ও কটনের সর্বোচ্চ দরদাতা জুরাইরিয়া ইন্টারন্যাশনাল ১১লাখ ২৬হাজার ৭৩৮টাকা, সর্বনিম্নদরদাতা আইডিয়া এন্ট্রারপ্রাইজ ৩লাখ ৪৮হাজার ৫১৩টাকা।

লিলেন ক্রয়ে সর্বোচ্চ দরদাতা জুরাইরিয়া ইন্টারন্যাশনাল ১১লাখ ২৬হাজার ৭৩৮টাকা, সর্বনিম্নদরদাতা আইডিয়া এন্ট্রারপ্রাইজ ৭লাখ ৭৩হাজার ৭৫১টাকা। সর্বোচ্চ দরদাতা হিসাবে ইলেক্টোসাইন্স কোম্পানীকে ৪টি কাজের ঠিকাদার নিযুক্ত করা হয়।

তবে ২টি কাজে সর্বোচ্চ দরদাতা হলেও কাজ পায়নি জুরাইরিয়া ইন্টারন্যাশনাল। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েব সাইডে ইলেক্টো সাইন্স নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে ১২ আগস্ট ২০২৫ থেকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করে যার মেয়াদ ১১ আগস্ট ২০২৭ উল্লেখ করা হয়।

তবে এ প্রসঙ্গে এ কোম্পানীর এজিএম রেজাউল করিম জানান, ২০২৩সালের একটি ঘটনায় নিষিদ্ধকরণের একটি আদেশ হয়েছিলো। যা উচ্চ আদালতে আপীল করায় সেই আদেশ বাতিল করা হয়েছে।

আর কালো তালিকা বা নিষিদ্ধ হলেও ওই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান টেন্ডার কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ নেই। ওয়েব সাইডে ওই কোম্পানী প্রবেশ করতেই পারবে না।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রায় সাড়ে ৬ লাখ ভোটার দেশে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন

গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোটি টাকার টেন্ডারে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ!

আপডেট সময় ১২:১৬:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোটির টাকার ওষুধ, যন্ত্রপাতি, গজ-ব্যান্ডেজ, লিলেন, ক্যামিক্যাল ও আসবাবপত্র ক্রয়ের টেন্ডার নিয়ে অনিয়ম-দুর্নীতি ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার দিবাকর ভাটের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে বুধবার (২৮ জানুয়ারি/২৬) এ অভিযোগ দায়ের করেন জুয়াইরিয়া ইন্টারন্যাশনালের ম্যানেজার এনামুল হক।

গত বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফিয়া আমীন পাপ্পা এ অভিযোগ প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা. দিবাকর ভাট জানান, সফটওয়্যার সিস্টেমেই সর্বোচ্চ দরদাতা হলেও জুয়াইরিয়া ইন্টারন্যাশনালের দেয়া টেন্ডার বাতিল হয়ে গেছে।

আমি সবসময় স্টিক, কোনো অনিয়ম হওয়ার সুযোগ নেই। বাতিল হওয়া দু’টি গ্রুপের কাজের জন্য পুণ;দরপত্র আহ্বানের প্রস্তুতি চলছে। আর পক্ষপাতিত্ব করার অভিযোগও সত্য নয়, আমি এর জন্য একটি দরপত্র কমিটি করে দিয়েছি।

দরপত্র কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. রাজেন্দ্র দেবনাথ জানান, ঠিকাদারীর প্রতিষ্ঠানের দরদামের আগে আমরা সেই প্রতিষ্ঠানের ব্যাংকের আর্থিক স্বচ্ছলতা দেখি, সেই কোম্পানীর এ স্বচ্ছলতা ছিলো না। ওই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কালোতালিকাভুক্ত হলে টেন্ডারে অংশ গ্রহণের সুযোগ পেতো না।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ওষুধ ক্রয়ের ট্রেন্ডারে অংশ নেয় ৫জন, যন্ত্রপাতি ক্রয়ে ৪জন, গজ-ব্যান্ডেজ ক্রয়ে ৪জন, লিলেন ক্রয়ে ৪জন, ক্যামিক্যাল ক্রয়ে ৪জন ও আসবাবপত্র ক্রয়ে ৪জন ঠিকাদার। জুয়াইরিয়া ইন্টারন্যাশনালের ম্যানেজার এনামুল হক জানায়, ৬টি গ্রুপের মধ্যে ৪টি গ্রুপে সর্বোচ্চ দরদাতা ইলেক্টোসাইন্স নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।

২টি গ্রুপের সর্বোচ্চ দরদাতা হলো জুয়াইরিয়া ইন্টারন্যাশনাল। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা. দিবাকর ভাট তাদেরকে নিশ্চিত করেছিলো যারা সর্বোচ্চ দরদাতা তাদেরকে কাজ দেয়া হবে।

কিন্তু তার পছন্দের প্রতিষ্ঠান ইলেক্টোসাইন্সে সেই শর্তানুযায়ী ৪টি কাজের কার্যাদেশ দেয়া হয়। তবে কোনোরূপ কারণ ছাড়াই তাদের দুটি কাজ তাদেরকে না দিয়ে সেগুলোকে আবারও রি-টেন্ডার দেয়া হয়েছে।

যে কোম্পানীকে কাজ দেয়া হয়েছে সেই কোম্পানীটি কালো তালিকাভুক্ত।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, মেডিসিন ক্রয়ের জন্য ৫০লাখ ৫০হাজার ৯৮৬টাকা, যন্ত্রপাতি ক্রয়ের জন্য ২৫লাখ ৯০হাজার ২৪০টাকা, গজ, ব্যান্ডেজ ও কটন ক্রয়ের জন্য ১২লাখ ৯৫হাজার ১২০টাকা, লিলেন ক্রয়ের জন্য ১২লাখ ৯৫হাজার ১২০টাকা, ক্যামিকেল ক্রয়ে ৫লাখ ১৮হাজার ৪৮টাকা, ফার্নিচার ক্রয়ে ৫লাখ ১৮হাজার ৪৮টাকা, খাদ্যের জন্য ৩২লাখ ৪৪হাজার টাকা, লিলেন আইটেম ধৌতকরণে ৮লাখ ৩৭হাজার ৫শ টাকার টেন্ডার প্রদান করে।

এরমধ্যে মেডিসিন ক্রয়ে সর্বদরদাতা ইলেক্টো সাইন্স ৪৯লাখ ১২হাজার ৯৯৯টাকা ও সর্বনিম্নদরদাতা ছিলো মেসার্স সাইফুল ট্রেডার্স ৪১লাখ ৪৩হাজার ৩৮৬টাকা। যন্ত্রপাতি ক্রয়ে সর্বদরদাতা ২৫লাখ ৮হাজার ১৬৭টাকা ও সর্বনিম্নদরদাতা জুরাইরিয়া ইন্টারন্যাশনাল ২২লাখ ৭৯হাজার ৩৯২টাকা।

গজ, ব্যান্ডেজ ও কটনের সর্বোচ্চ দরদাতা জুরাইরিয়া ইন্টারন্যাশনাল ১১লাখ ২৬হাজার ৭৩৮টাকা, সর্বনিম্নদরদাতা আইডিয়া এন্ট্রারপ্রাইজ ৩লাখ ৪৮হাজার ৫১৩টাকা।

লিলেন ক্রয়ে সর্বোচ্চ দরদাতা জুরাইরিয়া ইন্টারন্যাশনাল ১১লাখ ২৬হাজার ৭৩৮টাকা, সর্বনিম্নদরদাতা আইডিয়া এন্ট্রারপ্রাইজ ৭লাখ ৭৩হাজার ৭৫১টাকা। সর্বোচ্চ দরদাতা হিসাবে ইলেক্টোসাইন্স কোম্পানীকে ৪টি কাজের ঠিকাদার নিযুক্ত করা হয়।

তবে ২টি কাজে সর্বোচ্চ দরদাতা হলেও কাজ পায়নি জুরাইরিয়া ইন্টারন্যাশনাল। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েব সাইডে ইলেক্টো সাইন্স নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে ১২ আগস্ট ২০২৫ থেকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করে যার মেয়াদ ১১ আগস্ট ২০২৭ উল্লেখ করা হয়।

তবে এ প্রসঙ্গে এ কোম্পানীর এজিএম রেজাউল করিম জানান, ২০২৩সালের একটি ঘটনায় নিষিদ্ধকরণের একটি আদেশ হয়েছিলো। যা উচ্চ আদালতে আপীল করায় সেই আদেশ বাতিল করা হয়েছে।

আর কালো তালিকা বা নিষিদ্ধ হলেও ওই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান টেন্ডার কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ নেই। ওয়েব সাইডে ওই কোম্পানী প্রবেশ করতেই পারবে না।