ময়মনসিংহ , মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
এনসিপির ৮৭ নেতাকর্মীর গণপদত্যাগ রাঙামাটির জুরাছড়িতে কুড়িগ্রামে সরকারি ওষুধ পাচারের সময় হাসপাতালের স্টোরকিপার আটক ত্রিশাল বালিপাড়া ইউনিয়নের বৈন্নার পাড়ে সরকারি বিধি না মেনে অবৈধ ভাবে চালাচ্ছে সামাল ব্রিক্স নামে দুটি ইট ভাটা, নেই কোনো অনুমোদন হিনা খান ইফতার পার্টিতে চরম বিড়ম্বনায় মাদক সেবনে বাধা রাজধানীর শান্তিবাগে, যুবককে কুপিয়ে হত্যা প্রধানমন্ত্রী আজ ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন করবেন , পাবেন ৩৭৫৬৭ জন ইরানকে ‘সর্বোচ্চ পরাজয়ের’ সৌদি সতর্কবার্তা দিলো ফোনে পুতিনের সঙ্গে এক ঘণ্টা কথা : ট্রাম্প ভোটের অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে, সবকিছু স্পষ্ট, সাক্ষীও পাওয়া যাচ্ছে বললেন জামায়াত আমির বহুতল ভবনে আগুন মিরপুরে: হাসপাতালে দুজনের মৃত্যু
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

ট্রাইব্যুনালে জেরায় মীর আহমাদ বিন কাসেম ‘আত্মগোপনে ছিলাম—এ কথা সত্য নয়

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আসামিপক্ষের আইনজীবীর জেরায় সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম (আরমান) বলেছেন, ‘আমি আত্মগোপনে ছিলাম—এ কথা সত্য নয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘কোনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আমাকে গুম করেনি—এ কথাও সত্য নয়।’

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে র‍্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে গুম করে রাখার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তাকে জেরা করা হয়।

এই মামলার প্রথম সাক্ষী হিসেবে গত ২১ জানুয়ারি মাসে জবানবন্দি দেন মীর আহমাদ বিন কাসেম। এরপর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ অন্যান্য ব্যস্ততার কারণে তিনি ট্রাইব্যুনালে আসতে পারেননি। ফলে এত দিন পর রোববার তাকে প্রথম দিনের মতো জেরা করা হয়। আগামী মঙ্গলবার তাকে দ্বিতীয় দিনের মতো জেরার দিন ধার্য করা হয়েছে।

টিএফআই সেলে গুম করে রাখার ঘটনায় করা এই মামলার ১৭ আসামির মধ্যে ১০ জন ঢাকা সেনানিবাসের সাবজেলে আছেন। সাবজেলে থাকা আসামিরা হলেন—ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, মো. কামরুল হাসান, মো. মাহাবুব আলম ও কে এম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন ও আনোয়ার লতিফ খান (অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে), লে. কর্নেল মো. মশিউর রহমান, সাইফুল ইসলাম ও মো. সারওয়ার বিন কাশেম। রোববার তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

এ মামলার অপর সাত আসামি পলাতক। তারা হলেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার তৎকালীন প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, র‍্যাবের সাবেক মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ (পরে আইজিপি হন), এম খুরশীদ হোসেন ও মো. হারুন অর রশিদ এবং লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মাদ খায়রুল ইসলাম।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এনসিপির ৮৭ নেতাকর্মীর গণপদত্যাগ রাঙামাটির জুরাছড়িতে

ট্রাইব্যুনালে জেরায় মীর আহমাদ বিন কাসেম ‘আত্মগোপনে ছিলাম—এ কথা সত্য নয়

আপডেট সময় ০৯:০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আসামিপক্ষের আইনজীবীর জেরায় সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম (আরমান) বলেছেন, ‘আমি আত্মগোপনে ছিলাম—এ কথা সত্য নয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘কোনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আমাকে গুম করেনি—এ কথাও সত্য নয়।’

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে র‍্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে গুম করে রাখার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তাকে জেরা করা হয়।

এই মামলার প্রথম সাক্ষী হিসেবে গত ২১ জানুয়ারি মাসে জবানবন্দি দেন মীর আহমাদ বিন কাসেম। এরপর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ অন্যান্য ব্যস্ততার কারণে তিনি ট্রাইব্যুনালে আসতে পারেননি। ফলে এত দিন পর রোববার তাকে প্রথম দিনের মতো জেরা করা হয়। আগামী মঙ্গলবার তাকে দ্বিতীয় দিনের মতো জেরার দিন ধার্য করা হয়েছে।

টিএফআই সেলে গুম করে রাখার ঘটনায় করা এই মামলার ১৭ আসামির মধ্যে ১০ জন ঢাকা সেনানিবাসের সাবজেলে আছেন। সাবজেলে থাকা আসামিরা হলেন—ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, মো. কামরুল হাসান, মো. মাহাবুব আলম ও কে এম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন ও আনোয়ার লতিফ খান (অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে), লে. কর্নেল মো. মশিউর রহমান, সাইফুল ইসলাম ও মো. সারওয়ার বিন কাশেম। রোববার তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

এ মামলার অপর সাত আসামি পলাতক। তারা হলেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার তৎকালীন প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, র‍্যাবের সাবেক মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ (পরে আইজিপি হন), এম খুরশীদ হোসেন ও মো. হারুন অর রশিদ এবং লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মাদ খায়রুল ইসলাম।