প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দেওয়া কোন সুখবরকে সুখবর মনে করি না। তার দেওয়া সুখবরের পেছনে অন্ধকার থাকে, ভিনদেশী স্বার্থ থাকে- এমনটাই দাবি করেছেন আমজনতা দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এই দাবি করেন।
পোস্টে তারেক রহমান লিখেন, ড. ইউনূস রোহিঙ্গাদের বলেছিল আগামী ঈদ সবাই বাড়িতে গিয়ে করবেন। এর কয়েকদিন পরই হাজার হাজার রোহিঙ্গা দেশে ঢুকল নতুন করে।
সামনে যেই ক্ষমতায় আসুক এই সক্ষমতা বাড়াবেই জানিয়ে আমজনতা দলের সদস্যসচিব বলেন, আমার এমন কিছু সামরিক সক্ষমতা থাকবে যা অন্যের কাছে আমার দেশকে শক্তিশালী হিসাবে দাঁড় করাবে। এই জায়গাটিতে ভারত ও আমেরিকার স্ট্যাবলিশমেন্ট সংযোগ ঘটানোই একটি ডিজাইন বন্দর বিদেশীদের দেওয়া।
তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, শুধু মাত্র বিদেশীদের লভ্যাংশ বৃদ্ধির জণ্য ডক্টর ইউনূস বন্দরে সেবার চার্জ ৪১ শতাংশ বৃদ্ধি করেছে। যদি দেশের লাভের জন্যই দেন, তাহলে আগের রেটে কেন পারবে না বিদেশীরা?
তারেক রহমান লিখেন, আমি তো দেখলাম না, আমদানী রপ্তানিকারকরা কর্মসূচি করে দাবি জানিয়েছে কখনো যে, বন্দর বিদেশীদের দিয়ে দেওয়া হোক। তাহকে কার আগ্রহে এটা দেওয়া হচ্ছে।
দেশীয় উদ্যোগ ও উদ্ভাবনে সক্ষমতা বৃদ্ধি সার্বভৌমত্বের লড়াইয়েত প্রথম শর্ত উল্লেখ করে আমজনতা দলের সদস্যসচিব বলেন, দেশের সেবা ও উৎপাদন খাতকে দেশের অভ্যন্তরীণ উদ্যোগের মাধ্যমে শক্তিশালী করলেই কেবল আমরা স্বনির্ভর হই। আমাদের পানি, গ্যাস, তেল একইভাবে বিদেশী কর্তৃত্ব হতে মুক্ত করে সরকার ও জনগনের যৌথ মালিকানায় পরিচালনার সক্ষমতাই হল, সার্বভৌমত্বের নিগূঢ় চিন্তার বহিঃপ্রকাশ। এই ক্ষেত্রেও দেখলাম, বাপেক্স থেকে কর্তৃত্ব নিয়ে রা বিদেশী কোম্পানি শেভরনকে দিয়ে দেওয়ার তৎপরতা চালাচ্ছে।
সবশেষে প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, দেশের নিজস্ব উৎপাদন ও সেবা দুর্নীতিমুক্ত ও স্বাবলম্বী না করে একে একে বিদেশিদের দিয়ে আমরা কি শুধু বিদেশে গিয়ে উট চরানো জাতি হিসাবে বেড়ে উঠব?

ডিজিটাল ডেস্ক 

























