প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, সপ্তাহের প্রতি বৃহস্পতিবার ও শনিবার এই রুটে নন-স্টপ ফ্লাইট চলবে। প্রথম ফ্লাইটের ১৬২টি আসনের সব টিকিট ইতিমধ্যেই বিক্রি হয়ে গেছে, যা এই রুটে যাত্রীদের ব্যাপক চাহিদার বহিঃপ্রকাশ। ২০১২ সালে নিরাপত্তাজনিত কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়ার দীর্ঘ ১৪ বছর পর এই রুটে পুনরায় ডানা মেলছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান।
এই যাত্রায় ব্যবহার করা হচ্ছে বোয়িং ৭৩৭ মডেলের ১৬২ সিটের উড়োজাহাজ। বিমানের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানিয়েছেন যে, শুধু প্রথম ফ্লাইটই নয়, দ্বিতীয় ফ্লাইটেরও ৮০ শতাংশের বেশি আসন ইতিমধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে। সরাসরি যাতায়াতের ফলে এখন মাত্র তিন ঘণ্টায় গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব হবে।
এখন রাউন্ড ট্রিপে যাত্রীরা সর্বনিম্ন ৫১ হাজার টাকায় যাতায়াত করতে পারবেন, যা আগের তুলনায় ৩০ থেকে ৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত কম। দ্য বাংলাদেশ মনিটরের সম্পাদক কাজী ওয়াহিদুল আলমের মতে, এই রুট চালুর ফলে কেবল যাত্রী পরিবহনই নয়, দুই দেশের মধ্যে কার্গো পরিবহনের মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে।
বিমানের কর্মকর্তারা মনে করছেন, ট্রানজিট ঝামেলামুক্ত এবং সাশ্রয়ী ভাড়ায় সরাসরি যাতায়াতের এই সুযোগ দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি করবে এবং পর্যটন খাতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে। সামাজিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের পাশাপাশি এই রুটে বাণিজ্যিক সাফল্য আসবে বলেও সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন।
নিরাপত্তা ও অপারেশনাল বিষয়গুলো সুচারুভাবে সম্পন্ন করে আজ থেকে শুরু হওয়া এই আকাশপথের যোগাযোগ দীর্ঘমেয়াদে দুই দেশের সম্পর্কের সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে।

ডিজিটাল ডেস্ক 























