ময়মনসিংহ , শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
অনলাইন-অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি ঘোষণা করল ঢাকার নির্দিষ্ট কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শান্তিপূর্ণ নির্বাচন দেখাতে চাই বলেছেন সিইসি পহেলা বৈশাখে কৃষকদের নতুন উপহার: ১০ জেলায় ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী বেরোবির দুই শিক্ষক ও শাখা ছাত্রলীগ সভাপতির ১০ বছরের কারাদণ্ড সংসদে হাসনাত: মানবাধিকার কমিশন আইন দিয়ে বিরোধী দল দমনের অভিযোগ সংসদে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ রহিতকরণ বিল পাস রামেক হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫০ শিশুর মৃত্যু রাজনৈতিক আক্রমণ’ নিয়ে অবশেষে নীরবতা ভাঙলেন থালাপতি বিজয় কর্ম হারিয়ে দেশে আসা প্রবাসীদের নতুন কর্মসংস্থানের চেষ্টা করছি জানিয়েছেন শামা ওবায়েদ শিশু বলাৎকারের অভিযোগ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

ঢাবির এফ রহমান হলের ৬ শিক্ষার্থীকে মারধর, তিন জনকে হল ছাড়া

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১১:৫৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪
  • ৬৮৯ বার পড়া হয়েছে

মাটি ও মানুষ সংবাদ-

কোটা সংস্কার আন্দোলনে যাওয়ার ও ছবি পোস্ট করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ এফ রহমান হলের ৬ শিক্ষার্থীকে বেধড়ক মারধর করেছে ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশীরা। এছাড়া তিনজনকে হল থেকে বের করে দিয়েছেন। সোমবার বিভিন্ন সময়ে এসব মারধরের ঘটনা ঘটে।

মারধরের শিকার ভুক্তভোগীরা হলেন- ২০২০-২১ সেশনের আব্দুল বাসিত, শাকাওয়াত হোসেন সাকু, লিমন খান রানা, মোর্শেদ ইসলাম। ২০১৬-১৭ সেশনের ফারুক ও তাওহীদ ইসলাম।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শাকাওয়াত ও বাসিতকে খুব বেশি মারা হয়েছে। শাকাওয়াতকে রুমে গিয়ে মারা হয়েছে। আর বাসিত হাসপাতালে যাচ্ছিল। তখন ফোন চেক করে বেধড়ক মারধর করা হয়। লিমন, শাকাওয়াত ও মোর্শেদকে হল থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। এসময় সব গ্রুপের পদপ্রত্যাশীরা উপস্থিত থেকে মারধর করেন। এছাড়াও হলের অনেকের ফোন চেক করেছে তারা।মারধরে অংশ নেওয়া পদপ্রত্যাশীরা হলেন- কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাদ্দাম হোসেনের অনুসারী নাহিদ, ইমরান, আসিফ, শুভ, নুহাস ও আলিফ। সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের অনুসারীরা হলেন- শাহারাত, নাসিফ, শওকত, রিফাত ও লিয়ন। ঢাবি ছাত্রলীগ সভাপতি শয়নের অনুসারীদের মধ্যে ছিলেন ফজলে রাব্বি এবং সাধারণ সম্পাদক সৈকতের অনুসারীদের মধ্যে ছিলেন লালন।

ঢাবির এফ রহমান হলের ৬ শিক্ষার্থীকে মারধর, তিনজনকে হল ছাড়া-

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। যারা কোটা আন্দোলনে গিয়েছিল পদপ্রত্যাশীরা তাদের মারার জন্য খোঁজ খবর নিচ্ছে অনেকেই হল ছেড়ে বাড়ির দিকে রওয়ানা দিচ্ছেন। এছাড়া রাতে ঢাবির বিজয় একাত্তর হলেও মারধরের ঘটনা ঘটেছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অনলাইন-অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি ঘোষণা করল ঢাকার নির্দিষ্ট কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

ঢাবির এফ রহমান হলের ৬ শিক্ষার্থীকে মারধর, তিন জনকে হল ছাড়া

আপডেট সময় ১১:৫৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪

মাটি ও মানুষ সংবাদ-

কোটা সংস্কার আন্দোলনে যাওয়ার ও ছবি পোস্ট করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ এফ রহমান হলের ৬ শিক্ষার্থীকে বেধড়ক মারধর করেছে ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশীরা। এছাড়া তিনজনকে হল থেকে বের করে দিয়েছেন। সোমবার বিভিন্ন সময়ে এসব মারধরের ঘটনা ঘটে।

মারধরের শিকার ভুক্তভোগীরা হলেন- ২০২০-২১ সেশনের আব্দুল বাসিত, শাকাওয়াত হোসেন সাকু, লিমন খান রানা, মোর্শেদ ইসলাম। ২০১৬-১৭ সেশনের ফারুক ও তাওহীদ ইসলাম।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শাকাওয়াত ও বাসিতকে খুব বেশি মারা হয়েছে। শাকাওয়াতকে রুমে গিয়ে মারা হয়েছে। আর বাসিত হাসপাতালে যাচ্ছিল। তখন ফোন চেক করে বেধড়ক মারধর করা হয়। লিমন, শাকাওয়াত ও মোর্শেদকে হল থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। এসময় সব গ্রুপের পদপ্রত্যাশীরা উপস্থিত থেকে মারধর করেন। এছাড়াও হলের অনেকের ফোন চেক করেছে তারা।মারধরে অংশ নেওয়া পদপ্রত্যাশীরা হলেন- কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাদ্দাম হোসেনের অনুসারী নাহিদ, ইমরান, আসিফ, শুভ, নুহাস ও আলিফ। সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের অনুসারীরা হলেন- শাহারাত, নাসিফ, শওকত, রিফাত ও লিয়ন। ঢাবি ছাত্রলীগ সভাপতি শয়নের অনুসারীদের মধ্যে ছিলেন ফজলে রাব্বি এবং সাধারণ সম্পাদক সৈকতের অনুসারীদের মধ্যে ছিলেন লালন।

ঢাবির এফ রহমান হলের ৬ শিক্ষার্থীকে মারধর, তিনজনকে হল ছাড়া-

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। যারা কোটা আন্দোলনে গিয়েছিল পদপ্রত্যাশীরা তাদের মারার জন্য খোঁজ খবর নিচ্ছে অনেকেই হল ছেড়ে বাড়ির দিকে রওয়ানা দিচ্ছেন। এছাড়া রাতে ঢাবির বিজয় একাত্তর হলেও মারধরের ঘটনা ঘটেছে।