ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আসল রাজনীতিটা বুঝতে শিখলাম পরে বলেছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া রাজধানীতে আজ বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা কুষ্টিয়ায় পীর হত্যা: ‘জামায়াতের কোনো নেতাকর্মী জড়িত নয়’—দলীয় নেতাদের দাবি ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর বড় হামলা: ২৪ ঘণ্টায় ৩৬টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে মধ্যপ্রাচ্যে আরও কয়েক হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন অসহায় মুহূর্তে যারা ছায়া হয়ে ছিলেন, তাদের প্রতি শ্রদ্ধা দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার সচল আছে: জ্বালানি মন্ত্রণালয় একযোগে দুই জেলার ডিসি প্রত্যাহার বেইজিং সফরে বিএনপির উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল ময়মনসিংহে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা জাতীয়করণ ঘোষনা বাস্তবায়নের দাবীতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান”
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার সচল আছে: জ্বালানি মন্ত্রণালয়

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৫৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে

কাঁচামালের ঘাটতিতে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় জ্বালানি তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবর বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও বাস্তবে প্রতিষ্ঠানটি লো-ফিড বা সীমিত পরিসরে উৎপাদন চালিয়ে যাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে অপরিশোধিত তেলের জাহাজ পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় এই সাময়িক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

গত বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরী বিষয়টি স্পষ্ট করেন। তিনি বলেন, রিফাইনারিটি পুরোপুরি বন্ধ হয়নি এবং দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার বিকল্প সব ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে।

যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরী তাঁর বক্তব্যে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে অপরিশোধিত তেলের কিছুটা স্বল্পতা থাকলেও পরিশোধিত তেল আমদানির মাধ্যমে সেই ঘাটতি পূরণ করা হচ্ছে। ফলে শোধনাগারটি সীমিত পরিসরে চললেও গ্রাহক পর্যায়ে তেল সরবরাহে কোনো বিঘ্ন ঘটার কারণ নেই এবং এ নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ারও কিছু নেই।

ইস্টার্ন রিফাইনারি মূলত সৌদি আরব থেকে অ্যারাবিয়ান লাইট ক্রুড এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে মারবান ক্রুড আমদানি করে পরিশোধন করে থাকে। বছরে প্রায় ১৫ লাখ টন জ্বালানি তেল সরবরাহ করে প্রতিষ্ঠানটি দেশের মোট চাহিদার পাঁচ ভাগের এক ভাগ পূরণ করে। সাধারণত প্রতি মাসে এক থেকে দুটি কার্গো অপরিশোধিত তেল আমদানির মাধ্যমে এর উৎপাদন কার্যক্রম সচল রাখা হয় এবং অবশিষ্ট বিশাল চাহিদা পরিশোধিত তেল আমদানির মাধ্যমে মেটানো হয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে শোধনাগারের উৎপাদন সক্ষমতা আংশিক কমিয়ে দিয়ে কৌশলগতভাবে মজুত ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করছে সরকার।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আসল রাজনীতিটা বুঝতে শিখলাম পরে বলেছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া

দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার সচল আছে: জ্বালানি মন্ত্রণালয়

আপডেট সময় ০৯:৫৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

কাঁচামালের ঘাটতিতে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় জ্বালানি তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবর বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও বাস্তবে প্রতিষ্ঠানটি লো-ফিড বা সীমিত পরিসরে উৎপাদন চালিয়ে যাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে অপরিশোধিত তেলের জাহাজ পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় এই সাময়িক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

গত বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরী বিষয়টি স্পষ্ট করেন। তিনি বলেন, রিফাইনারিটি পুরোপুরি বন্ধ হয়নি এবং দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার বিকল্প সব ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে।

যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরী তাঁর বক্তব্যে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে অপরিশোধিত তেলের কিছুটা স্বল্পতা থাকলেও পরিশোধিত তেল আমদানির মাধ্যমে সেই ঘাটতি পূরণ করা হচ্ছে। ফলে শোধনাগারটি সীমিত পরিসরে চললেও গ্রাহক পর্যায়ে তেল সরবরাহে কোনো বিঘ্ন ঘটার কারণ নেই এবং এ নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ারও কিছু নেই।

ইস্টার্ন রিফাইনারি মূলত সৌদি আরব থেকে অ্যারাবিয়ান লাইট ক্রুড এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে মারবান ক্রুড আমদানি করে পরিশোধন করে থাকে। বছরে প্রায় ১৫ লাখ টন জ্বালানি তেল সরবরাহ করে প্রতিষ্ঠানটি দেশের মোট চাহিদার পাঁচ ভাগের এক ভাগ পূরণ করে। সাধারণত প্রতি মাসে এক থেকে দুটি কার্গো অপরিশোধিত তেল আমদানির মাধ্যমে এর উৎপাদন কার্যক্রম সচল রাখা হয় এবং অবশিষ্ট বিশাল চাহিদা পরিশোধিত তেল আমদানির মাধ্যমে মেটানো হয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে শোধনাগারের উৎপাদন সক্ষমতা আংশিক কমিয়ে দিয়ে কৌশলগতভাবে মজুত ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করছে সরকার।