ময়মনসিংহ , শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
কুয়াকাটায় ছিন্নমূল ও অসহায়দের জন্য “চেষ্টা” সংগঠনের বস্ত্র বিতরণ বিভাগীয় পর্যায়ে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহহ এবং বিজ্ঞান মেলার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত এআই যুগে শ্রমিক নায্য অধিকার, দক্ষতা উন্নয়ন ও অভিবাসী শ্রমিক সুরক্ষায় বৈশ্বিক উদ্যোগ পরিচয় অনুসন্ধান নাকি পাসপোর্ট জালিয়াতি? নেত্রকোণায় আটক রোহিঙ্গা যুবককে ঘিরে ঘনীভূত রহস্য পূর্বধলায় কৃষি প্রণোদনা তালিকায় অনিয়মের অভিযোগে ঘাগড়া চৌরাস্তায় সংবাদ সম্মেলন ​লোহালিয়া নদীর ওপর ৯ম মৈত্রী সেতু নির্মাণে বাংলাদেশ ও চীনের চুক্তি রামিসা হত্যা মামলা: বিচার চেয়ে রোববার শুনানি করবেন অ্যাটর্নি জেনারেল ​আসছে নবম পে-স্কেল: ১ জুলাই থেকে কার্যকর হচ্ছে নতুন বেতন কাঠামো ​হঠাৎ জার্সি বদলের চাপে হাইতি: ৫২ বছর পর বিশ্বকাপে এসেই সংকটে দলটি গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৪ জনসহ দগ্ধ, ৫
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার সচল আছে: জ্বালানি মন্ত্রণালয়

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৫৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬১ বার পড়া হয়েছে

কাঁচামালের ঘাটতিতে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় জ্বালানি তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবর বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও বাস্তবে প্রতিষ্ঠানটি লো-ফিড বা সীমিত পরিসরে উৎপাদন চালিয়ে যাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে অপরিশোধিত তেলের জাহাজ পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় এই সাময়িক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

গত বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরী বিষয়টি স্পষ্ট করেন। তিনি বলেন, রিফাইনারিটি পুরোপুরি বন্ধ হয়নি এবং দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার বিকল্প সব ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে।

যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরী তাঁর বক্তব্যে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে অপরিশোধিত তেলের কিছুটা স্বল্পতা থাকলেও পরিশোধিত তেল আমদানির মাধ্যমে সেই ঘাটতি পূরণ করা হচ্ছে। ফলে শোধনাগারটি সীমিত পরিসরে চললেও গ্রাহক পর্যায়ে তেল সরবরাহে কোনো বিঘ্ন ঘটার কারণ নেই এবং এ নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ারও কিছু নেই।

ইস্টার্ন রিফাইনারি মূলত সৌদি আরব থেকে অ্যারাবিয়ান লাইট ক্রুড এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে মারবান ক্রুড আমদানি করে পরিশোধন করে থাকে। বছরে প্রায় ১৫ লাখ টন জ্বালানি তেল সরবরাহ করে প্রতিষ্ঠানটি দেশের মোট চাহিদার পাঁচ ভাগের এক ভাগ পূরণ করে। সাধারণত প্রতি মাসে এক থেকে দুটি কার্গো অপরিশোধিত তেল আমদানির মাধ্যমে এর উৎপাদন কার্যক্রম সচল রাখা হয় এবং অবশিষ্ট বিশাল চাহিদা পরিশোধিত তেল আমদানির মাধ্যমে মেটানো হয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে শোধনাগারের উৎপাদন সক্ষমতা আংশিক কমিয়ে দিয়ে কৌশলগতভাবে মজুত ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করছে সরকার।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কুয়াকাটায় ছিন্নমূল ও অসহায়দের জন্য “চেষ্টা” সংগঠনের বস্ত্র বিতরণ

দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার সচল আছে: জ্বালানি মন্ত্রণালয়

আপডেট সময় ০৯:৫৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

কাঁচামালের ঘাটতিতে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় জ্বালানি তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবর বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও বাস্তবে প্রতিষ্ঠানটি লো-ফিড বা সীমিত পরিসরে উৎপাদন চালিয়ে যাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে অপরিশোধিত তেলের জাহাজ পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় এই সাময়িক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

গত বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরী বিষয়টি স্পষ্ট করেন। তিনি বলেন, রিফাইনারিটি পুরোপুরি বন্ধ হয়নি এবং দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার বিকল্প সব ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে।

যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরী তাঁর বক্তব্যে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে অপরিশোধিত তেলের কিছুটা স্বল্পতা থাকলেও পরিশোধিত তেল আমদানির মাধ্যমে সেই ঘাটতি পূরণ করা হচ্ছে। ফলে শোধনাগারটি সীমিত পরিসরে চললেও গ্রাহক পর্যায়ে তেল সরবরাহে কোনো বিঘ্ন ঘটার কারণ নেই এবং এ নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ারও কিছু নেই।

ইস্টার্ন রিফাইনারি মূলত সৌদি আরব থেকে অ্যারাবিয়ান লাইট ক্রুড এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে মারবান ক্রুড আমদানি করে পরিশোধন করে থাকে। বছরে প্রায় ১৫ লাখ টন জ্বালানি তেল সরবরাহ করে প্রতিষ্ঠানটি দেশের মোট চাহিদার পাঁচ ভাগের এক ভাগ পূরণ করে। সাধারণত প্রতি মাসে এক থেকে দুটি কার্গো অপরিশোধিত তেল আমদানির মাধ্যমে এর উৎপাদন কার্যক্রম সচল রাখা হয় এবং অবশিষ্ট বিশাল চাহিদা পরিশোধিত তেল আমদানির মাধ্যমে মেটানো হয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে শোধনাগারের উৎপাদন সক্ষমতা আংশিক কমিয়ে দিয়ে কৌশলগতভাবে মজুত ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করছে সরকার।