নেত্রকোণার কলমাকান্দার বড়খাপন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় ওয়ার্ডের ইউপি মেম্বার শাহীনূর আলম শাহীনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ এলাকাবাসীর।
স্থানীয়রা জানান – ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন পরপরই শাহীনূর আলম শাহীন দলীয় পদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে আসছেন। টিসিবি ডিলার, রেশন কার্ডের ডিলার, সারের ডিলার, ন্যায্য মূল্যে ৩০কেজি চাউলের (ওএমএস) ডিলার শাহীনূর আলম শাহীনের নিয়ন্ত্রণে এমন অভিযোগ এলাকাবাসীর।
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানান – সম্প্রতি সরকারি ন্যায্য মূল্যের চাউল ডিলারের নিদিষ্ট ঘর থেকে কার্ডধারীদেরকে দেওয়ার কথা থাকলেও শাহীনূর আলম বড়খাপন ফেরিঘাটে (গুদারাঘাটে) চাউল বিতরণ করলে এলাকার সচেতন মহল তা হস্তক্ষেপ করেন।
এনিয়ে ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়। স্থানীয়রা আরও জানান-বিএনপি নেতা শাহীনূর আলম শাহীনের বিরুদ্ধে এইরকম একাধিক অভিযোগ রয়েছে।
বড়খাপন গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা রোকন খন্দকার বলেন-ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল (এমপির) কাছে জোর দাবী জানাই আমাদের বড়খাপন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহীনূর আলম শাহীনের অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহার সুবিবেচনা করবেন।
যদি শাহীনূর আলম শাহীন দোষী সাব্যস্ত হয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে দলীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন আশাবাদী। এছাড়াও কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মহোদয়ের কাছে দাবী মেম্বার শাহীনূর আলম শাহীন কর্তৃক বড়খাপন ইউনিয়ন পরিষদের যে সমস্ত কার্যক্রম করা হয়েছে, তা সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ তদন্ত করার।
তিনি আরও জানান-মেম্বার শাহীনূর আলম শাহীনের সহোদর ভাই মোঃ লিটন মিয়া সরকারি ন্যায্য মূল্যের চাউল ডিলার। তবে এব্যাপারে জানতে চাইলে ডিলার মোঃ লিটন মিয়ার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও পাওয়া যায়নি।অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শাহীনূর আলম শাহীন জানান – স্থানীয় একটি চক্র আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। আমার পদটি নেওয়ার জন্য একটা গ্রুপ উঠেপড়ে লেগেছে। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট। কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও এসএম মিকাঈল ইসলাম জানান-এবিষয়ে দ্রুত খতিয়ে দেখবো।

স্টাফ রিপোর্টার 



















