ময়মনসিংহ , মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিডিআর হত্যা মামলা: শেখ হাসিনাসহ একাধিক আওয়ামী লীগ নেতা আসামি হচ্ছেন ৫ আগস্ট বঙ্গভবনে কী ঘটছিল: রাষ্ট্রপতি রান্নাঘরে জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণ চট্টগ্রামে : মায়ের পর চলে গেল ছেলে আজ শেখ হাসিনা-কামালের সাজা বৃদ্ধি চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আপিলের শুনানি কুমিল্লা গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৪ জন দগ্ধ বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি শ্রেষ্ঠ নির্বাচন হয়েছে বলেছেন মাসুদ সাঈদী হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া আসনের উন্নয়নে সকলের সহযোগীতা প্রত্যাশী প্রধানমন্ত্রী ১০ মার্চ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন শপিং সেন্টারে আগুন খুলনায়, পুড়লো ১০টি মোবাইল ফোনের দোকান রাজশাহী রাতের আঁধারে দুই পানের বরজে আগুন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

পাকিস্তান প্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাড়িতে আগুন

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:১০:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫
  • ১৪৪ বার পড়া হয়েছে

পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় প্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিয়াউল হাসান লাঞ্জারের বাসভবনে আগুন দেয় আন্দোলনকারীরা।

গতকাল মঙ্গলবার ( ২০ মে) পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিন্ধুর নওশেরো ফিরোজ জেলার মোরো তালুকার জাতীয় মহাসড়কে মঙ্গলবার পুলিশ এবং জাতীয়তাবাদী কর্মীদের মধ্যে একটি সংঘর্ষ হয়েছে। মঙ্গলবার একটি জাতীয়তাবাদী সংগঠনের ডাকে সিন্ধু খাল, করপোরেট কৃষি এবং অন্যান্য ইস্যু নিয়ে প্রতিবাদ করতে গিয়ে বিক্ষোভকারীরা সড়কে অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করলে এ সংঘর্ষ ঘটে। এ সময় পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন জানিয়েছে, এ সময় ক্ষুব্ধ জনতা সিন্ধু প্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিয়াউল হাসান লাঞ্জারের মোরো শহরের বাসভবন পুড়িয়ে দেয়। এ ঘটনায় একজন নিহত এবং ১১ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে তিনজন পুলিশ সদস্য ছিলেন। বিক্ষোভকারীরা ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র, এমনকি ছাদ থেকে স্প্লিট এয়ার কন্ডিশনারের বাইরের অংশ ফেলে দেয়। মন্ত্রীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে।

মোরো শহরে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ায় শহরটি তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। বিক্ষোভকারীরা জাতীয় মহাসড়কে অন্তত তিনটি কার্গো ট্রেলার পুড়িয়ে দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে অন্যান্য জেলা থেকে পুলিশ ডাকতে হয়।

একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বেশ কয়েকজন ব্যক্তি ইউরিয়া বস্তাবোঝাই একটি ট্রাকের উপরে উঠে তা লুট করছে। কেউ বস্তা ট্রাক থেকে ফেলছে, আবার কেউ মোটরবাইকে করে তা নিয়ে যাচ্ছে। আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, মাথা থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছে এমন একজন পুলিশ সদস্য সরকারি হাসপাতালে প্রবেশের চেষ্টা করছেন, কিন্তু তাকে জোর করে বের করে দেওয়া হয়। কিছু লোক লাঠি হাতে একটি পেট্রল পাম্পের ম্যানেজারের কক্ষে প্রবেশ করে নগদ টাকা লুট করে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আরও ভিডিওতে দেখা যায়, বিক্ষোভকারীরা পুলিশের উপর লাঠি দিয়ে আঘাত করছে এবং গালিগালাজ করছে, যখন পুলিশ আকাশে গুলি এবং টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করছে। রক্তমাখা কাপড় পরা একজন ব্যক্তি অভিযোগ করেন, লাঞ্জারের ব্যক্তিগত রক্ষীরা বিক্ষোভকারীদের উপর গুলি চালিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নওয়াবশাহ এবং সুক্কুর থেকে আতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিডিআর হত্যা মামলা: শেখ হাসিনাসহ একাধিক আওয়ামী লীগ নেতা আসামি হচ্ছেন

পাকিস্তান প্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাড়িতে আগুন

আপডেট সময় ০৩:১০:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫

পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় প্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিয়াউল হাসান লাঞ্জারের বাসভবনে আগুন দেয় আন্দোলনকারীরা।

গতকাল মঙ্গলবার ( ২০ মে) পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিন্ধুর নওশেরো ফিরোজ জেলার মোরো তালুকার জাতীয় মহাসড়কে মঙ্গলবার পুলিশ এবং জাতীয়তাবাদী কর্মীদের মধ্যে একটি সংঘর্ষ হয়েছে। মঙ্গলবার একটি জাতীয়তাবাদী সংগঠনের ডাকে সিন্ধু খাল, করপোরেট কৃষি এবং অন্যান্য ইস্যু নিয়ে প্রতিবাদ করতে গিয়ে বিক্ষোভকারীরা সড়কে অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করলে এ সংঘর্ষ ঘটে। এ সময় পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন জানিয়েছে, এ সময় ক্ষুব্ধ জনতা সিন্ধু প্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিয়াউল হাসান লাঞ্জারের মোরো শহরের বাসভবন পুড়িয়ে দেয়। এ ঘটনায় একজন নিহত এবং ১১ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে তিনজন পুলিশ সদস্য ছিলেন। বিক্ষোভকারীরা ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র, এমনকি ছাদ থেকে স্প্লিট এয়ার কন্ডিশনারের বাইরের অংশ ফেলে দেয়। মন্ত্রীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে।

মোরো শহরে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ায় শহরটি তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। বিক্ষোভকারীরা জাতীয় মহাসড়কে অন্তত তিনটি কার্গো ট্রেলার পুড়িয়ে দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে অন্যান্য জেলা থেকে পুলিশ ডাকতে হয়।

একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বেশ কয়েকজন ব্যক্তি ইউরিয়া বস্তাবোঝাই একটি ট্রাকের উপরে উঠে তা লুট করছে। কেউ বস্তা ট্রাক থেকে ফেলছে, আবার কেউ মোটরবাইকে করে তা নিয়ে যাচ্ছে। আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, মাথা থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছে এমন একজন পুলিশ সদস্য সরকারি হাসপাতালে প্রবেশের চেষ্টা করছেন, কিন্তু তাকে জোর করে বের করে দেওয়া হয়। কিছু লোক লাঠি হাতে একটি পেট্রল পাম্পের ম্যানেজারের কক্ষে প্রবেশ করে নগদ টাকা লুট করে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আরও ভিডিওতে দেখা যায়, বিক্ষোভকারীরা পুলিশের উপর লাঠি দিয়ে আঘাত করছে এবং গালিগালাজ করছে, যখন পুলিশ আকাশে গুলি এবং টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করছে। রক্তমাখা কাপড় পরা একজন ব্যক্তি অভিযোগ করেন, লাঞ্জারের ব্যক্তিগত রক্ষীরা বিক্ষোভকারীদের উপর গুলি চালিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নওয়াবশাহ এবং সুক্কুর থেকে আতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।