ময়মনসিংহ , সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ঢাকায় আন্তর্জাতিক মানের ডিএনএ ল্যাবরেটরি করা হবে বলেছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, রহস্য ঘিরে চাঞ্চল্য মুক্তাগাছায় হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন; ভুক্তভোগীদের বিরুদ্ধেই উল্টো মামলা অভিযোগ গৌরীপুরে প্রতিশ্রুতি কিন্ডারগার্টেনে মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের  উদ্বোধন ময়মনসিংহ জিলা স্কুলের ২৪জন শিক্ষার্থীর মাঝে MZS জুয়েল স্মৃতি শিক্ষা বৃত্তি প্রদান  ইরানের বার্তা: আলোচনার টেবিল কখনো পরিত্যক্ত হয় না মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল বাংলাদেশ সীমান্ত; উৎপত্তিস্থল নিয়ে যা জানা যাচ্ছে শিক্ষায় নতুন দিগন্ত: পরীক্ষামূলকভাবে অনলাইন ক্লাস শুরু প্রচারণার মাধ্যমে হামের টিকাদান কর্মসূচিকে জনপ্রিয় করতে হবে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

পুলিশ যে কৌশল অবলম্বন করে প্রেমিকের কাছ থেকে তরুণীকে উদ্ধার করল

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৫৭:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫
  • ১৩৭ বার পড়া হয়েছে

প্রেমিকের খালা-খালুকে আটক রেখে নীলফামারী থেকে মোস্তাফিজুর রহমানের কাছ থেকে তার প্রেমিকাকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার সকালে তারা দুজন থানায় হাজির হয়। এরপর উভয়পক্ষের আপস-মীমাংসায় মুক্তি পান খালা-খালু।

বিষয়টি পুলিশ ও কিশোরীর পরিবার নিশ্চিত করলেও খালা-খালুর নাম-পরিচয় প্রকাশ করেনি।

জানা যায়, মোস্তাফিজের সঙ্গে ১৪ বছর বয়সি এক মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তবে এ সম্পর্ক মেনে নেননি প্রাইভেটকারচালক বাবা। তিনি গাজীপুর থেকে পরিবারসহ ফতুল্লায় চলে আসেন। জায়গা বদল হওয়ার পরও দুজনের মধ্যে যোগাযোগ ছিল। ১৪ জুলাই মোস্তাফিজের সঙ্গে ফতুল্লার আদর্শনগর এলাকা থেকে নীলফামারী পালিয়ে যান ওই কিশোরী। সেখানে গিয়ে বয়স কম হওয়ায় বিয়ে করতে পারেননি তারা। এদিকে আত্মীয়স্বজনরাও তাদের পৃথক ঘরে রেখেছেন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

কিশোরীর বাবা জানান, মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে ১৪ জুলাই ফতুল্লা থানায় একটি জিডি দায়ের করা হয়। ৭ দিন পর প্রযুক্তির মাধ্যমে পুলিশ জানতে পারে নিখোঁজ কিশোরী নীলফামারী জেলায় অবস্থান করছে। বিষয়টি কিশোরীর বাবাকে জানানো হয়।

মেয়ের বাবা ধারণা করেন তার মেয়ে মোস্তাফিজের সঙ্গে আছে। এরপর কিশোরীর বাবার অনুরোধে মোস্তাফিজের খালা ও খালুকে গাজীপুর থেকে বুধবার রাতে আটক করে ফতুল্লা থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। এরপর তাদের দিয়ে চাপ প্রয়োগ করে মোস্তাফিজকে বাধ্য করেন কিশোরীকে থানায় নিয়ে আসতে। এতে আজ শুক্রবার সকালে মোস্তাফিজ কিশোরীকে নিয়ে থানায় হাজির হয়। মোস্তাফিজের বাবা-মা না থাকায় খালা-খালুর বাসায় থাকেন তিনি।

এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি শরিফুল ইসলাম জানান, কাউকে আটক করা হয়নি। প্রযুক্তির মাধ্যমে কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়েছে। কিশোরীকে আর কোনো সময় উত্ত্যক্ত করবেন না- এই শর্তে উভয় পরিবার আপস করে জিডি তুলে নিয়েছে।

 

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকায় আন্তর্জাতিক মানের ডিএনএ ল্যাবরেটরি করা হবে বলেছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী

পুলিশ যে কৌশল অবলম্বন করে প্রেমিকের কাছ থেকে তরুণীকে উদ্ধার করল

আপডেট সময় ০৭:৫৭:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫

প্রেমিকের খালা-খালুকে আটক রেখে নীলফামারী থেকে মোস্তাফিজুর রহমানের কাছ থেকে তার প্রেমিকাকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার সকালে তারা দুজন থানায় হাজির হয়। এরপর উভয়পক্ষের আপস-মীমাংসায় মুক্তি পান খালা-খালু।

বিষয়টি পুলিশ ও কিশোরীর পরিবার নিশ্চিত করলেও খালা-খালুর নাম-পরিচয় প্রকাশ করেনি।

জানা যায়, মোস্তাফিজের সঙ্গে ১৪ বছর বয়সি এক মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তবে এ সম্পর্ক মেনে নেননি প্রাইভেটকারচালক বাবা। তিনি গাজীপুর থেকে পরিবারসহ ফতুল্লায় চলে আসেন। জায়গা বদল হওয়ার পরও দুজনের মধ্যে যোগাযোগ ছিল। ১৪ জুলাই মোস্তাফিজের সঙ্গে ফতুল্লার আদর্শনগর এলাকা থেকে নীলফামারী পালিয়ে যান ওই কিশোরী। সেখানে গিয়ে বয়স কম হওয়ায় বিয়ে করতে পারেননি তারা। এদিকে আত্মীয়স্বজনরাও তাদের পৃথক ঘরে রেখেছেন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

কিশোরীর বাবা জানান, মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে ১৪ জুলাই ফতুল্লা থানায় একটি জিডি দায়ের করা হয়। ৭ দিন পর প্রযুক্তির মাধ্যমে পুলিশ জানতে পারে নিখোঁজ কিশোরী নীলফামারী জেলায় অবস্থান করছে। বিষয়টি কিশোরীর বাবাকে জানানো হয়।

মেয়ের বাবা ধারণা করেন তার মেয়ে মোস্তাফিজের সঙ্গে আছে। এরপর কিশোরীর বাবার অনুরোধে মোস্তাফিজের খালা ও খালুকে গাজীপুর থেকে বুধবার রাতে আটক করে ফতুল্লা থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। এরপর তাদের দিয়ে চাপ প্রয়োগ করে মোস্তাফিজকে বাধ্য করেন কিশোরীকে থানায় নিয়ে আসতে। এতে আজ শুক্রবার সকালে মোস্তাফিজ কিশোরীকে নিয়ে থানায় হাজির হয়। মোস্তাফিজের বাবা-মা না থাকায় খালা-খালুর বাসায় থাকেন তিনি।

এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি শরিফুল ইসলাম জানান, কাউকে আটক করা হয়নি। প্রযুক্তির মাধ্যমে কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়েছে। কিশোরীকে আর কোনো সময় উত্ত্যক্ত করবেন না- এই শর্তে উভয় পরিবার আপস করে জিডি তুলে নিয়েছে।