ময়মনসিংহ , রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইরানের বার্তা: আলোচনার টেবিল কখনো পরিত্যক্ত হয় না মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল বাংলাদেশ সীমান্ত; উৎপত্তিস্থল নিয়ে যা জানা যাচ্ছে শিক্ষায় নতুন দিগন্ত: পরীক্ষামূলকভাবে অনলাইন ক্লাস শুরু প্রচারণার মাধ্যমে হামের টিকাদান কর্মসূচিকে জনপ্রিয় করতে হবে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী আজ দুপুরে শপথ নিচ্ছেন নবনির্বাচিত দুই সংসদ সদস্য নোয়াখালীতে চাঁদা না পেয়ে বৃদ্ধকে হত্যা: প্রধান আসামি যুবদল নেতা গ্রেফতার নির্বাচন কমিশন থেকে ১২৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ পূর্বধলায় বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন ২১ ঘণ্টার ম্যারাথন আলোচনাও ব্যর্থ: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি প্রচেষ্টা নিয়ে জেডি ভ্যান্সের বড় দাবি কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হলো ইরান-মার্কিন বৈঠক, জেডি ভ্যান্সের ফেরা নিয়ে জল্পনা
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

প্রবাসী ৩ বন্ধু একসাথেই থাকতেন, একই বাইকে প্রাণ গেল

তিন বন্ধুর সবাই সৌদিপ্রবাসী। কয়েক মাস আগে ছুটিতে দেশে এসেছিলেন তারা। আবার একসঙ্গেই সৌদি ফেরার পরিকল্পনা ছিল। তবে আর সৌদি ফেরা হবে না তাদের।

রোববার (৩ আগস্ট) বিকেলে তারা একই মোটরসাইকেলে বেড়াতে বের হন। তবে যাত্রাপথে এক সড়ক দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান তিনজনই। তাদের আর ফেলা হল না প্রবাসে। হৃদয় বিদারক এ ঘটনার পর ওই এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

তাদের মধ্যে লোকমান ও তুহিন সদর উপজেলার মজলিশপুর ইউনিয়নের মৈন্দ গ্রামের বাসিন্দা। সুমনের বাড়ি সরাইলের নোয়াগাঁও ইউনিয়নের বাড়িউড়া গ্রামে। নিহত এই তিন বন্ধুর মধ্যে লোকমান এবার ছুটিতে এসে বিয়ে করেছিলেন।

জানা যায়, রোববার একটি মোটরসাইকেলে করে তিন বন্ধু— সুমন, লোকমান ও তুহিন বেড়াতে যাচ্ছিলেন চান্দুরা এলাকায়। অন্যদিকে, বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলে ছিলেন বিজয়নগরের আকরাম হোসেন ও রংপুরের মনিরুজ্জামান। হঠাৎ দুই মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এমন সময় পেছন থেকে দ্রুতগতির সিএনজিচালিত অটোরিকশা দুই মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান তিন বন্ধুসহ ৪ জন এবং হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে মারা যায় আরেকজন। তিন বন্ধু একসঙ্গে কাজ করতেন সৌদি আরবে। ছুটি কাটিয়ে ১০-১৫ দিনের মধ্যেই ফেরার কথা ছিল তাদের। লোকমান মাত্র ১৭ দিন আগে বিয়ে করেছেন। ওই তিন প্রবাসীর পরিবারের সদস্যরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

সরাইলের বাড়িউড়া গ্রামের স্থানীয়রা বলেন, ওরা সব সময় একসঙ্গেই চলাফেরা করত। বিদেশেও একসঙ্গে থাকত, দেশে এসেও একসঙ্গে ঘোরাঘুরি করত। আজ একসঙ্গে না ফেরার দেশে চলে গেল। এটা মেনে নিতে পারছে না কেউ।

দুর্ঘটনার দিন খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, চারজনের মরদেহ ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়। আহত কয়েকজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। এর মধ্যে সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেওয়ার সময় একজন নিহত হন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের বার্তা: আলোচনার টেবিল কখনো পরিত্যক্ত হয় না

প্রবাসী ৩ বন্ধু একসাথেই থাকতেন, একই বাইকে প্রাণ গেল

আপডেট সময় ১০:১০:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫

তিন বন্ধুর সবাই সৌদিপ্রবাসী। কয়েক মাস আগে ছুটিতে দেশে এসেছিলেন তারা। আবার একসঙ্গেই সৌদি ফেরার পরিকল্পনা ছিল। তবে আর সৌদি ফেরা হবে না তাদের।

রোববার (৩ আগস্ট) বিকেলে তারা একই মোটরসাইকেলে বেড়াতে বের হন। তবে যাত্রাপথে এক সড়ক দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান তিনজনই। তাদের আর ফেলা হল না প্রবাসে। হৃদয় বিদারক এ ঘটনার পর ওই এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

তাদের মধ্যে লোকমান ও তুহিন সদর উপজেলার মজলিশপুর ইউনিয়নের মৈন্দ গ্রামের বাসিন্দা। সুমনের বাড়ি সরাইলের নোয়াগাঁও ইউনিয়নের বাড়িউড়া গ্রামে। নিহত এই তিন বন্ধুর মধ্যে লোকমান এবার ছুটিতে এসে বিয়ে করেছিলেন।

জানা যায়, রোববার একটি মোটরসাইকেলে করে তিন বন্ধু— সুমন, লোকমান ও তুহিন বেড়াতে যাচ্ছিলেন চান্দুরা এলাকায়। অন্যদিকে, বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলে ছিলেন বিজয়নগরের আকরাম হোসেন ও রংপুরের মনিরুজ্জামান। হঠাৎ দুই মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এমন সময় পেছন থেকে দ্রুতগতির সিএনজিচালিত অটোরিকশা দুই মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান তিন বন্ধুসহ ৪ জন এবং হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে মারা যায় আরেকজন। তিন বন্ধু একসঙ্গে কাজ করতেন সৌদি আরবে। ছুটি কাটিয়ে ১০-১৫ দিনের মধ্যেই ফেরার কথা ছিল তাদের। লোকমান মাত্র ১৭ দিন আগে বিয়ে করেছেন। ওই তিন প্রবাসীর পরিবারের সদস্যরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

সরাইলের বাড়িউড়া গ্রামের স্থানীয়রা বলেন, ওরা সব সময় একসঙ্গেই চলাফেরা করত। বিদেশেও একসঙ্গে থাকত, দেশে এসেও একসঙ্গে ঘোরাঘুরি করত। আজ একসঙ্গে না ফেরার দেশে চলে গেল। এটা মেনে নিতে পারছে না কেউ।

দুর্ঘটনার দিন খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, চারজনের মরদেহ ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়। আহত কয়েকজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। এর মধ্যে সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেওয়ার সময় একজন নিহত হন।