ময়মনসিংহ , সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মমতা নিজ আসন ভবানীপুরে পুরোদমে এগিয়ে নতুন বাজেটে বাড়ছে পে-স্কেলের বরাদ্দ: বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা কেনিয়ায় অতিবৃষ্টিতে ভয়াবহ ভূমিধস: প্রাণ হারালেন ১৮ জন গৌরীপুরে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উদযাপন নেত্রকোনায় অনেক কষ্টের ফসল এখন কৃষকদের আর্তনাদ,ভিজা ধানে এখন জালা ধান পরিণত হচ্ছে নেত্রকোনার পূর্বধলা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ভারতীয় জিরা সহ আটক ১ মাঝ সমুদ্রে আতঙ্ক: প্রমোদতরীতে রহস্যময় ভাইরাসে প্রাণ হারালেন ৩ যাত্রী ময়মনসিংহে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ২৪ পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ঐতিহাসিক জয়: নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন সুষ্ঠু তদন্তে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

বাংলাদেশকে অনুরোধ মিয়ানমারের নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাতে

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫
  • ৭৯ বার পড়া হয়েছে

মিয়ানমারের সামরিক জান্তা সরকার আগামী মাসে দেশটিতে সাধারণ নির্বাচন আয়োজন করতে যাচ্ছে। ডিসেম্বরে অনুষ্ঠেয় ওই নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাতে বাংলাদেশকে অনুরোধ জানিয়েছে সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইংয়ের জান্তা সরকার।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি বাংলাদেশের কাছে চিঠি দিয়ে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক পাঠানোর জন্য অনুরোধ জানিয়েছে মিয়ানমার। বিদেশি পর্যবেক্ষকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিতের মাধ্যমে ‘নিয়ন্ত্রিত নির্বাচনকে’ বৈধতা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে মিয়ানমারের জান্তা সরকার। তাই এই অনুরোধে সাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে নীরবতা পালনের নীতিতে হাঁটতে চায় বাংলাদেশ।

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানের পর এই প্রথম নির্বাচন দিতে যাচ্ছে মিয়ানমারের জান্তা সরকার। দুই ধাপে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনের প্রথম পর্ব আগামী ২৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। আর দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচন হবে ২০২৬ সালের ১১ জানুয়ারি।

গত আগস্টে মিয়ানমারের সামরিক সরকার ঘোষণা করে যে, দীর্ঘদিনের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নির্বাচন ২৮ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে। আর নির্বাচনকে সামনে রেখে গত ৩১ জুলাই দেশব্যাপী দেওয়া জরুরি অবস্থা তুলে নিয়েছে জান্তা সরকার।

দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, প্রায় ৫৫টি দল নির্বাচনে নিবন্ধন করেছে, যার মধ্যে দেশব্যাপী আসনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে ৯টি দল। অং সান সু চির ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসিসহ বিরোধী দলগুলো নির্বাচন বয়কটের ঘোষণা দিয়েছে। মিয়ানমারের বিরোধী দলগুলো আসন্ন নির্বাচনকে মিন অং হ্লাইং এর ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত রাখার লক্ষ্যে একটি প্রতারণা হিসেবে দেখছে।

এর আগে, দেশটির সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০২০ সালের নভেম্বরে। সেই নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছিলেন অং সান সু চি। তবে ২০২১ সালে অং সান সু চির নির্বাচিত সরকারকে অপসারণের পর মিয়ানমারে জরুরি অবস্থা জারি করে সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইং এর প্রশাসন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনী পর্যবেক্ষক পাঠানোর বিষয়ে মিয়ানমারের অনুরোধে নীরবতা অবলম্বন করছে বাংলাদেশ। নির্বাচন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশের পাশাপাশি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবগুলো দেশেই চিঠি দিয়ে পর্যবেক্ষক পাঠানোর অনুরোধ করেছে মিয়ানমার। পর্যবেক্ষক নিয়ে আসার মাধ্যমে মূলত নির্বাচনের বৈধতা খুঁজছে মিয়ানমারের বর্তমান সরকার।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

মমতা নিজ আসন ভবানীপুরে পুরোদমে এগিয়ে

বাংলাদেশকে অনুরোধ মিয়ানমারের নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাতে

আপডেট সময় ১০:০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

মিয়ানমারের সামরিক জান্তা সরকার আগামী মাসে দেশটিতে সাধারণ নির্বাচন আয়োজন করতে যাচ্ছে। ডিসেম্বরে অনুষ্ঠেয় ওই নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাতে বাংলাদেশকে অনুরোধ জানিয়েছে সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইংয়ের জান্তা সরকার।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি বাংলাদেশের কাছে চিঠি দিয়ে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক পাঠানোর জন্য অনুরোধ জানিয়েছে মিয়ানমার। বিদেশি পর্যবেক্ষকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিতের মাধ্যমে ‘নিয়ন্ত্রিত নির্বাচনকে’ বৈধতা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে মিয়ানমারের জান্তা সরকার। তাই এই অনুরোধে সাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে নীরবতা পালনের নীতিতে হাঁটতে চায় বাংলাদেশ।

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানের পর এই প্রথম নির্বাচন দিতে যাচ্ছে মিয়ানমারের জান্তা সরকার। দুই ধাপে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনের প্রথম পর্ব আগামী ২৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। আর দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচন হবে ২০২৬ সালের ১১ জানুয়ারি।

গত আগস্টে মিয়ানমারের সামরিক সরকার ঘোষণা করে যে, দীর্ঘদিনের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নির্বাচন ২৮ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে। আর নির্বাচনকে সামনে রেখে গত ৩১ জুলাই দেশব্যাপী দেওয়া জরুরি অবস্থা তুলে নিয়েছে জান্তা সরকার।

দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, প্রায় ৫৫টি দল নির্বাচনে নিবন্ধন করেছে, যার মধ্যে দেশব্যাপী আসনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে ৯টি দল। অং সান সু চির ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসিসহ বিরোধী দলগুলো নির্বাচন বয়কটের ঘোষণা দিয়েছে। মিয়ানমারের বিরোধী দলগুলো আসন্ন নির্বাচনকে মিন অং হ্লাইং এর ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত রাখার লক্ষ্যে একটি প্রতারণা হিসেবে দেখছে।

এর আগে, দেশটির সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০২০ সালের নভেম্বরে। সেই নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছিলেন অং সান সু চি। তবে ২০২১ সালে অং সান সু চির নির্বাচিত সরকারকে অপসারণের পর মিয়ানমারে জরুরি অবস্থা জারি করে সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইং এর প্রশাসন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনী পর্যবেক্ষক পাঠানোর বিষয়ে মিয়ানমারের অনুরোধে নীরবতা অবলম্বন করছে বাংলাদেশ। নির্বাচন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশের পাশাপাশি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবগুলো দেশেই চিঠি দিয়ে পর্যবেক্ষক পাঠানোর অনুরোধ করেছে মিয়ানমার। পর্যবেক্ষক নিয়ে আসার মাধ্যমে মূলত নির্বাচনের বৈধতা খুঁজছে মিয়ানমারের বর্তমান সরকার।