এ আসনে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণায় নিয়মিত অংশ নেওয়া স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহসভাপতি ও প্রার্থীর মতলব উত্তর উপজেলার লুধুয়া গ্রামের বাসিন্দা আজহারুল হক মুকুল, একই গ্রামের বাসিন্দা ও মতলব উত্তর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তোফায়েল পাটোয়ারী এবং উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি আব্দুল গনি তপাদারের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলে চাঁদপুর-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ড. জালাল উদ্দিনের ওমরা হজ্বে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
জানা যায়, ধানের শীষের এই প্রার্থী ৪ ফেব্রুয়ারি বুধবার ওমরা হজ্ব পালনের জন্য সৌদি আরবে গিয়েছেন এবং তার দেশে ফেরার কথা ৭ ফেব্রুয়ারি শনিবার।
চাঁদপুর-২ আসনের কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ধানের শীষের প্রার্থী ড. জালাল উদ্দিন এর আগেও অন্তত অর্ধশত বার ওমরাহ পালন করেছেন। প্রচারণার শেষ মুহূর্তে প্রার্থীর ওমরাহ পালনে যাওয়ার মধ্যেদিয়েই বুঝা যায় নির্বাচনে পাশের বিষয়ে উনি শতভাগ নিশ্চিত। তাছাড়া, এই আসনে বিএনপির প্রতীক ধানের শীষের বিজয় এমনিতেই নিশ্চিত ধরা যায়। কেননা, দলীয় বিভেদ ভুলে দলের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে দলের অন্যান্য মনোনয়ন প্রত্যাশীরাও ইতিমধ্যেই ধানের শীষের প্রচারণায় মাঠে নেমেছেন।
চাঁদপুর-২ আসনের বিএনপির স্থানীয় নেতারা জানান, চাঁদপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও এই আসনের ৪ বারের সংসদ সদস্য মরহুম নুরুল হুদার জ্যেষ্ঠ পুত্র তানভীর হুদা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিলেও তার মনোনয়ন হাইকোর্টে আটকে যায়। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর কুমিল্লা অঞ্চলের অন্যতম নেতা ডা. মবিন ১১ দলীয় জোটের কারণে তিনি তার জমা দেওয়া মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন। এতে চাঁদপুর-২ নির্বাচনী আসনে বিএনপির আর কোন শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বি দৃশ্যত নেই। কেননা, এখানকার অন্য প্রার্থীদের মধ্যে জাতীয় পার্টির প্রার্থী এমরান হোসেন মিয়া একাধিকবার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলেও কখনো তিনি বিজয় অর্জন করতে পারেননি। আর ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী এলডিপির বিল্লাল হোসেন মিয়াজী এই আসন থেকে সর্বশেষ নির্বাচনে তার প্রাপ্ত মোট ভোট সংখ্যা ছিল ৩৯৮টি। সবদিক বিবেচনায় বিএনপি এই নির্বাচনী আসনে অপ্রতিদ্বন্দ্বী বলে মন্তব্য করেন স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।