ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
হিমাগারের ভাড়া কমানোর দাবিতে আলু ফেলে মহাসড়ক অবরোধ মাদ্রাসা শিক্ষকদের বেতন-ভাতা সমস্যার দ্রুত সমাধান হবে জানালেন শিক্ষা মন্ত্রণালয় বাজেটের পর দ্রব্যমূল্য বাড়ানোর সুযোগ নেই বললেন বাণিজ্যমন্ত্রী ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস উল্টে, আহত ১০ জাদুকরী হ্যাটট্রিক, মেসিকে ‘অবিশ্বাস্য’ বলে প্রশংসায় ভাসালেন স্ত্রী শ্রীমঙ্গলে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী দেশে প্রথমবারের মতো ‘ফ্রি ট্রেড জোন’ প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছে সরকার জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব বাজেটে কারিগরি শিক্ষাখাতে ১৮ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে বললেন শিক্ষামন্ত্রী খেটে খাওয়া মানুষের জন্য দেওয়া বাজেটকে অনেকে চানাচুর বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহী জার্মানি
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

মারধরের অভিযোগ সমাবর্তনে আসা সাবেক ছাত্রলীগ নেতাকে

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৫৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫
  • ২০১ বার পড়া হয়েছে

গত বুধবার (১৪ মে) বিকেল ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের সামনে এই ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ৫ম সমাবর্তনে অংশ নিতে এসে মারধরের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে ছাত্রলীগের এক সাবেক নেতা।

মারধরের শিকার হওয়া ব্যক্তির নাম মো. মামুন।  মামুন অর্থনীতি বিভাগের ২০০৭-০৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং চবি ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষাজীবনে তার বিরুদ্ধে ছাত্রশিবিরের দুই সাবেক নেতাকে হত্যার অভিযোগ ছিল, যা নিয়ে একসময় ক্যাম্পাসে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল।মারধরের শিকার ছাত্রলীগের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক নেতা মো. মামুন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, বুধবার অনুষ্ঠিত হয় চবির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সমাবর্তন। ২০১১ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত স্নাতক সম্পন্ন করা ২২ হাজার ৫৬০ জন গ্র্যাজুয়েট এই আয়োজনে অংশ নেন। অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা ছিলেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, যাকে এ সময় সম্মানসূচক ডি-লিট ডিগ্রি প্রদান করা হয়।

মামুনের ভাই মো. মাসুম অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার ভাই রাজনীতি ছেড়েছে প্রায় আট বছর আগে। সে শুধু সমাবর্তনে অংশ নিতে গিয়েছিল। সেটাই এখন তার বড় অপরাধ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

মারধরের পর মামুনকে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয় এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এ বিষয়ে শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘মামুন আমাদের সংগঠনের দুই নেতাকে হত্যায় জড়িত ছিল। ক্যাম্পাসে তাকে দেখে পুরনো কিছু কর্মী তাকে অনুসরণ করে ধরে ফেলে এবং মারধর করে। পরে তারাই আবার তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যায়।’

ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক তানভীর মোহাম্মদ হায়দারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হিমাগারের ভাড়া কমানোর দাবিতে আলু ফেলে মহাসড়ক অবরোধ

মারধরের অভিযোগ সমাবর্তনে আসা সাবেক ছাত্রলীগ নেতাকে

আপডেট সময় ১১:৫৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫

গত বুধবার (১৪ মে) বিকেল ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের সামনে এই ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ৫ম সমাবর্তনে অংশ নিতে এসে মারধরের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে ছাত্রলীগের এক সাবেক নেতা।

মারধরের শিকার হওয়া ব্যক্তির নাম মো. মামুন।  মামুন অর্থনীতি বিভাগের ২০০৭-০৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং চবি ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষাজীবনে তার বিরুদ্ধে ছাত্রশিবিরের দুই সাবেক নেতাকে হত্যার অভিযোগ ছিল, যা নিয়ে একসময় ক্যাম্পাসে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল।মারধরের শিকার ছাত্রলীগের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক নেতা মো. মামুন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, বুধবার অনুষ্ঠিত হয় চবির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সমাবর্তন। ২০১১ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত স্নাতক সম্পন্ন করা ২২ হাজার ৫৬০ জন গ্র্যাজুয়েট এই আয়োজনে অংশ নেন। অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা ছিলেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, যাকে এ সময় সম্মানসূচক ডি-লিট ডিগ্রি প্রদান করা হয়।

মামুনের ভাই মো. মাসুম অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার ভাই রাজনীতি ছেড়েছে প্রায় আট বছর আগে। সে শুধু সমাবর্তনে অংশ নিতে গিয়েছিল। সেটাই এখন তার বড় অপরাধ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

মারধরের পর মামুনকে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয় এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এ বিষয়ে শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘মামুন আমাদের সংগঠনের দুই নেতাকে হত্যায় জড়িত ছিল। ক্যাম্পাসে তাকে দেখে পুরনো কিছু কর্মী তাকে অনুসরণ করে ধরে ফেলে এবং মারধর করে। পরে তারাই আবার তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যায়।’

ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক তানভীর মোহাম্মদ হায়দারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।