এর আগে গত বছর নিজের সাজা স্থগিত চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছিলেন আবুল কালাম আজাদ। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারার আওতায় এ আবেদন করা হয়। এরও আগে, ২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ তার বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করেন। তখন ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান ছিলেন বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।
প্রমাণিত অভিযোগ অনুযায়ী, মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৪ জনকে হত্যা, তিন নারীকে ধর্ষণ, নয়জনকে অপহরণ, ১০ জনকে আটক রাখা, পাঁচটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ এবং ১৫টি বাড়ির মালামাল লুটের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়।
২০১২ সালের ২৬ ডিসেম্বর উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হলে মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষ হয়। এরপর ট্রাইব্যুনাল রায় ঘোষণার জন্য মামলাটি অপেক্ষমান (সিএভি) রাখার আদেশ দেন।
এর আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ একাত্তরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার কার্যক্রম শুরু হয়।

ডিজিটাল রিপোর্ট 




















