ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

মেসির হ্যাটট্রিক ও বাবার অসুস্থতার সেই অশ্রুভেজা গল্প

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৪৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

২০২৬ বিশ্বকাপে নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচে ম্যাজিক দেখালেন লিওনেল মেসি। আলজেরিয়ার বিপক্ষে জাদুকরের মতো খেলে হ্যাটট্রিক করেছেন, ভেঙেছেন একাধিক বিশ্বরেকর্ড। কিন্তু ম্যাচ শেষে মাঠের সেই চেনা হাসিমুখের আড়ালে লুকিয়ে থাকা এক অন্য মেসিকে দেখলো ফুটবল বিশ্ব। 

প্রথম গোলটি করার পর কেন তার চোখ থেকে জল গড়িয়ে পড়েছিল, ম্যাচ শেষে তার এক আবেগঘন ব্যাখ্যা দিয়েছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক।

ম্যাচ শেষে মেসি নিজেই জানিয়েছিলেন, কয়েকটা কঠিন দিন পার করেছেন তিনি। তবে সেটি ফুটবলের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় বলেও পরিষ্কার করেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক। তিনি কারণ জানাননি, বিস্তারিতেও যাননি। শুধু বলেছিলেন, দল, সতীর্থ ও পুরো আর্জেন্টিনা প্রতিনিধিদল তাকে সেই সময় পার করতে অনেক শক্তি দিয়েছে।

দ্য সানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, লিওনেল মেসির এই আবেগঘন মুহূর্তের কারণ মাঠের সাফল্য নয়, বরং বাবা হোর্হে মেসির শারীরিক অবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগ। খবর ।

কিন্তু শেষ বাঁশি বাজার পর মাঠেই কান্নায় ভেঙে পড়েন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। পরে তিনি জানান, বিষয়টি ফুটবলের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

ম্যাচ শেষে মেসি বলেন, ‘সত্যি বলতে, এটি খেলাধুলার বাইরের একটি বিষয়। গত কয়েক দিন খুব কঠিন ও জটিল সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।’

আর্জেন্টিনার একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি বাবার স্বাস্থ্যগত সমস্যার কথাও তুলে ধরেন।

মেসি বলেন, ‘আমার বাবা ভালো নেই। গত বছর থেকে, বেশ কয়েক মাস ধরেই তিনি শারীরিক সমস্যার মধ্যে রয়েছেন। এই সপ্তাহে তার অবস্থার কিছুটা অবনতি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আমি ভেতরে ভেতরে লড়াই করছি। আমি তো আর সবার মতোই একজন মানুষ।’

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারিতে নিজ বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়েন ৬৮ বছর বয়সী হোর্হে মেসি। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং হৃদরোগ ও স্নায়ুবিষয়ক বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। তবে পরিবার তার নির্দিষ্ট রোগ সম্পর্কে প্রকাশ্যে কোনো তথ্য দেয়নি।

মেসির ফুটবল জীবনের শুরু থেকেই ছায়াসঙ্গী ছিলেন তার বাবা। শুধু অভিভাবক হিসেবেই নয়, বরং কোচ, পরামর্শদাতা এবং পরবর্তীতে এজেন্ট ও ব্যবসায়িক ব্যবস্থাপক হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নতুন দায়িত্ব পেলেন ডা. জাহিদ

মেসির হ্যাটট্রিক ও বাবার অসুস্থতার সেই অশ্রুভেজা গল্প

আপডেট সময় ১০:৪৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

২০২৬ বিশ্বকাপে নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচে ম্যাজিক দেখালেন লিওনেল মেসি। আলজেরিয়ার বিপক্ষে জাদুকরের মতো খেলে হ্যাটট্রিক করেছেন, ভেঙেছেন একাধিক বিশ্বরেকর্ড। কিন্তু ম্যাচ শেষে মাঠের সেই চেনা হাসিমুখের আড়ালে লুকিয়ে থাকা এক অন্য মেসিকে দেখলো ফুটবল বিশ্ব। 

প্রথম গোলটি করার পর কেন তার চোখ থেকে জল গড়িয়ে পড়েছিল, ম্যাচ শেষে তার এক আবেগঘন ব্যাখ্যা দিয়েছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক।

ম্যাচ শেষে মেসি নিজেই জানিয়েছিলেন, কয়েকটা কঠিন দিন পার করেছেন তিনি। তবে সেটি ফুটবলের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় বলেও পরিষ্কার করেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক। তিনি কারণ জানাননি, বিস্তারিতেও যাননি। শুধু বলেছিলেন, দল, সতীর্থ ও পুরো আর্জেন্টিনা প্রতিনিধিদল তাকে সেই সময় পার করতে অনেক শক্তি দিয়েছে।

দ্য সানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, লিওনেল মেসির এই আবেগঘন মুহূর্তের কারণ মাঠের সাফল্য নয়, বরং বাবা হোর্হে মেসির শারীরিক অবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগ। খবর ।

কিন্তু শেষ বাঁশি বাজার পর মাঠেই কান্নায় ভেঙে পড়েন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। পরে তিনি জানান, বিষয়টি ফুটবলের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

ম্যাচ শেষে মেসি বলেন, ‘সত্যি বলতে, এটি খেলাধুলার বাইরের একটি বিষয়। গত কয়েক দিন খুব কঠিন ও জটিল সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।’

আর্জেন্টিনার একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি বাবার স্বাস্থ্যগত সমস্যার কথাও তুলে ধরেন।

মেসি বলেন, ‘আমার বাবা ভালো নেই। গত বছর থেকে, বেশ কয়েক মাস ধরেই তিনি শারীরিক সমস্যার মধ্যে রয়েছেন। এই সপ্তাহে তার অবস্থার কিছুটা অবনতি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আমি ভেতরে ভেতরে লড়াই করছি। আমি তো আর সবার মতোই একজন মানুষ।’

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারিতে নিজ বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়েন ৬৮ বছর বয়সী হোর্হে মেসি। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং হৃদরোগ ও স্নায়ুবিষয়ক বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। তবে পরিবার তার নির্দিষ্ট রোগ সম্পর্কে প্রকাশ্যে কোনো তথ্য দেয়নি।

মেসির ফুটবল জীবনের শুরু থেকেই ছায়াসঙ্গী ছিলেন তার বাবা। শুধু অভিভাবক হিসেবেই নয়, বরং কোচ, পরামর্শদাতা এবং পরবর্তীতে এজেন্ট ও ব্যবসায়িক ব্যবস্থাপক হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তিনি।