ময়মনসিংহ , বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নিহতের সংখ্যা ১২ হাজার ছাড়ানোর আশঙ্কা ইরানে গুলিবিদ্ধ শিশু হুজাইফা ঢাকার নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে আনা হয়েছে মিয়ানমার সীমান্তে ৯ জুলাইযোদ্ধা চট্টগ্রাম বন্দরে চাকরি পেলেন ‘চূড়ান্ত আসন সমঝোতা’, আজ ১১ দলের বৈঠকের পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা ভালভ ফেটে লিকেজ, আশপাশের এলাকায় গ‍্যাস বন্ধ উত্তরাসহ ৭ কলেজ শিক্ষার্থীদের বুধবার রাজধানীর ৩ স্থানে অবরোধের ঘোষণা ব্যবস্থা চাইলো বিএনপি , বাহরাইনের বাসায় অনেকগুলো পোস্টাল ব্যালটের ভিডিও ভাইরাল ২৯৭ বাড়ি ও ৩০ অ্যাপার্টমেন্ট জব্দের আদেশ বিদেশে সাইফুজ্জামানের শিক্ষা শুধু চাকরির জন্য নয়, সৃজনশীল মানুষ গড়ার জন্যও জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা বিকেলে সিইসির সঙ্গে বিএনপির বৈঠক
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.
মোদির সাম্প্রতিক অরুণাচল সফর

মোদির অরুণাচল সফর সীমান্ত সমস্যাকে আরও জটিল করবে: চীন

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাম্প্রতিক অরুণাচল সফর দুই দেশের সীমান্ত সমস্যাকে আরও জটিল করে তুলবে বলে জানিয়েছে চীন। সে দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন গতকাল সোমবার ওই প্রসঙ্গে বলেন, তাঁরা এই বিষয়ে ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, চীন-ভারত সীমান্তের পূর্বাঞ্চলে (অরুণাচল প্রদেশ) ভারতীয় নেতাদের সফরের তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে।

ওয়াং ওয়েনবিন বলেন, ‘জাংজান এলাকা (অরুণাচল প্রদেশ) চীনের অংশ। চীন কখনো ওই অংশকে ভারতের বলে স্বীকৃতি দেয়নি। বরাবর দৃঢ়ভাবে তার বিরোধিতা করেছে। ওই এলাকায় যথেচ্ছ স্থাপনার কোনো অধিকারও ভারতের নেই। এই পদক্ষেপ সীমান্ত প্রশ্নকে জটিলতর করবে।’

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল চীনের এই প্রতিবাদের জবাব দিয়েছেন। চীনের প্রতিবাদ অগ্রাহ্য করে তিনি বলেছেন, ‘ভারতীয় নেতাদের অরুণাচল সফরের বিরোধিতা করার কোনো যৌক্তিকতাই চীনের নেই। অন্যান্য প্রদেশে ভারতীয় নেতারা যেমন যান, ঠিক সেভাবে অরুণাচলেও যান। সেখানে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বিরোধিতার কোনো কারণই চীনের থাকতে পারে না। তা ছাড়া এই জাতীয় আপত্তির কারণে বাস্তবতারও কোনো পরিবর্তনও হবে না। অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ ছিল এবং থাকবেও। চীনকে বারবার সেটা বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।’

৯ মার্চ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অরুণাচল প্রদেশে গিয়েছিলেন। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৩ হাজার ফুট উচ্চতায় সেখানে ৮২৫ কোটি রুপিতে তৈরি ‘সেলা টানেল’-এর উদ্বোধন করেন তিনি। ওই টানেল নির্মাণের ফলে চীন-অরুণাচল প্রদেশ সীমান্তের অগ্রবর্তী এলাকায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে সামরিক সরঞ্জাম অতি দ্রুত নেওয়া সম্ভব হবে। তাওয়াংয়ের সঙ্গেও সব মৌসুমে যোগাযোগ রাখা সম্ভব হবে।

ওই উচ্চতায় দুই লেনের ওই টানেল বিশ্বে সর্ববৃহৎ। আসামের তেজপুর থেকে যাওয়া ওই সড়ক সামরিক দিক থেকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

চীন বরাবরই অরুণাচল প্রদেশ নিয়ে স্পর্শকাতর। তাদের কাছে এই রাজ্যটি দক্ষিণ তিব্বতের অংশ। যতবার ভারতীয় নেতারা সেখানে যান, প্রতিবারই চীন প্রতিবাদ জানায়। তারা ওই রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চলের নামও তাদের মতো করে রেখেছে। ভারত অবশ্য কখনো তাদের আপত্তিকে আমল দেয় না।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিহতের সংখ্যা ১২ হাজার ছাড়ানোর আশঙ্কা ইরানে

মোদির সাম্প্রতিক অরুণাচল সফর

মোদির অরুণাচল সফর সীমান্ত সমস্যাকে আরও জটিল করবে: চীন

আপডেট সময় ০২:০৭:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মার্চ ২০২৪

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাম্প্রতিক অরুণাচল সফর দুই দেশের সীমান্ত সমস্যাকে আরও জটিল করে তুলবে বলে জানিয়েছে চীন। সে দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন গতকাল সোমবার ওই প্রসঙ্গে বলেন, তাঁরা এই বিষয়ে ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, চীন-ভারত সীমান্তের পূর্বাঞ্চলে (অরুণাচল প্রদেশ) ভারতীয় নেতাদের সফরের তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে।

ওয়াং ওয়েনবিন বলেন, ‘জাংজান এলাকা (অরুণাচল প্রদেশ) চীনের অংশ। চীন কখনো ওই অংশকে ভারতের বলে স্বীকৃতি দেয়নি। বরাবর দৃঢ়ভাবে তার বিরোধিতা করেছে। ওই এলাকায় যথেচ্ছ স্থাপনার কোনো অধিকারও ভারতের নেই। এই পদক্ষেপ সীমান্ত প্রশ্নকে জটিলতর করবে।’

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল চীনের এই প্রতিবাদের জবাব দিয়েছেন। চীনের প্রতিবাদ অগ্রাহ্য করে তিনি বলেছেন, ‘ভারতীয় নেতাদের অরুণাচল সফরের বিরোধিতা করার কোনো যৌক্তিকতাই চীনের নেই। অন্যান্য প্রদেশে ভারতীয় নেতারা যেমন যান, ঠিক সেভাবে অরুণাচলেও যান। সেখানে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বিরোধিতার কোনো কারণই চীনের থাকতে পারে না। তা ছাড়া এই জাতীয় আপত্তির কারণে বাস্তবতারও কোনো পরিবর্তনও হবে না। অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ ছিল এবং থাকবেও। চীনকে বারবার সেটা বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।’

৯ মার্চ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অরুণাচল প্রদেশে গিয়েছিলেন। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৩ হাজার ফুট উচ্চতায় সেখানে ৮২৫ কোটি রুপিতে তৈরি ‘সেলা টানেল’-এর উদ্বোধন করেন তিনি। ওই টানেল নির্মাণের ফলে চীন-অরুণাচল প্রদেশ সীমান্তের অগ্রবর্তী এলাকায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে সামরিক সরঞ্জাম অতি দ্রুত নেওয়া সম্ভব হবে। তাওয়াংয়ের সঙ্গেও সব মৌসুমে যোগাযোগ রাখা সম্ভব হবে।

ওই উচ্চতায় দুই লেনের ওই টানেল বিশ্বে সর্ববৃহৎ। আসামের তেজপুর থেকে যাওয়া ওই সড়ক সামরিক দিক থেকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

চীন বরাবরই অরুণাচল প্রদেশ নিয়ে স্পর্শকাতর। তাদের কাছে এই রাজ্যটি দক্ষিণ তিব্বতের অংশ। যতবার ভারতীয় নেতারা সেখানে যান, প্রতিবারই চীন প্রতিবাদ জানায়। তারা ওই রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চলের নামও তাদের মতো করে রেখেছে। ভারত অবশ্য কখনো তাদের আপত্তিকে আমল দেয় না।