ময়মনসিংহ , বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত আছে জানিয়েছেন সংসদে জ্বালানি মন্ত্রী সাজিদ আহমেদ সুমনের রাজধানীর পল্লবী ২ নং ওয়ার্ডে অসহায় মানুষের মাঝে বস্ত্র (শাড়ী) বিতরণ গৌরীপুর প্রেসক্লাবের নতুন সভাপতি বেগ ফারুক আহাম্মেদ, সাধারণ সম্পাদক, রাকিবুল ইসলাম রাকিব অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ৭ পুলিশ কর্মকর্তার একযোগে বদলি দুপুরেই আদালতে তোলা হবে গ্রেপ্তার সাবেক স্পিকারকে ১৩৩ অধ্যাদেশ পাস: আজ থেকে সংসদ অধিবেশন চলবে দুই সেশনে শিশুদের ঝগড়া নিয়ে সংঘর্ষ হবিগঞ্জে, আহত ২০ ৯ এপ্রিল সাধারণ ছুটি ঘোষণা বগুড়া ও শেরপুরে প্রধানমন্ত্রী ২৭ এপ্রিল যশোর যাবেন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

যুবদল নেতা নিহত বিএনপির দু’পক্ষের সংঘর্ষে

কুড়িগ্রামের উলিপুর থানা চত্বরে শুক্রবার রাতে বিএনপির দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হযেছে। এতে পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফুল ইসলাম (৩৮) নিহত হয়েছেন। এছাড়া বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। আশরাফুল ইসলাম পৌরসভার দয়ালপাড়ার আয়নাল হকের ছেলে।

কুড়িগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. মনজুর এ মুর্শেদ জানান, সংঘর্ষের পর একজনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল।

উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান জানান, আমি ছুটিতে আছি। থানা চত্বরের কাছে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের তথ্য পেয়েছি। একজন মারা গেছেন। তবে তিনি মারধরের কারণে নাকি স্ট্রোক করে মারা গেছেন তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত আছে জানিয়েছেন সংসদে জ্বালানি মন্ত্রী

যুবদল নেতা নিহত বিএনপির দু’পক্ষের সংঘর্ষে

আপডেট সময় ১১:৫৩:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৪

কুড়িগ্রামের উলিপুর থানা চত্বরে শুক্রবার রাতে বিএনপির দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হযেছে। এতে পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফুল ইসলাম (৩৮) নিহত হয়েছেন। এছাড়া বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। আশরাফুল ইসলাম পৌরসভার দয়ালপাড়ার আয়নাল হকের ছেলে।

কুড়িগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. মনজুর এ মুর্শেদ জানান, সংঘর্ষের পর একজনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল।

উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান জানান, আমি ছুটিতে আছি। থানা চত্বরের কাছে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের তথ্য পেয়েছি। একজন মারা গেছেন। তবে তিনি মারধরের কারণে নাকি স্ট্রোক করে মারা গেছেন তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।