ময়মনসিংহ , রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইরানের বার্তা: আলোচনার টেবিল কখনো পরিত্যক্ত হয় না মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল বাংলাদেশ সীমান্ত; উৎপত্তিস্থল নিয়ে যা জানা যাচ্ছে শিক্ষায় নতুন দিগন্ত: পরীক্ষামূলকভাবে অনলাইন ক্লাস শুরু প্রচারণার মাধ্যমে হামের টিকাদান কর্মসূচিকে জনপ্রিয় করতে হবে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী আজ দুপুরে শপথ নিচ্ছেন নবনির্বাচিত দুই সংসদ সদস্য নোয়াখালীতে চাঁদা না পেয়ে বৃদ্ধকে হত্যা: প্রধান আসামি যুবদল নেতা গ্রেফতার নির্বাচন কমিশন থেকে ১২৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ পূর্বধলায় বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন ২১ ঘণ্টার ম্যারাথন আলোচনাও ব্যর্থ: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি প্রচেষ্টা নিয়ে জেডি ভ্যান্সের বড় দাবি কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হলো ইরান-মার্কিন বৈঠক, জেডি ভ্যান্সের ফেরা নিয়ে জল্পনা
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

শিক্ষক গ্রেপ্তার ছাত্রীর আপত্তিকর ছবি-ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে

কুষ্টিয়ায় ছাত্রীর আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে শাহিন ইসলাম (৩০) নামে এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। শনিবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে নোয়াখালীর সুধারাম উপজেলার হাউজিং সেন্টার রোড থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এদিন রাতে র‍্যাব-১২ কুষ্টিয়া ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদীপ্ত সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ২৩ এপ্রিল থেকে কয়েক দফায় শিক্ষক শাহিন সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীর আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দেন। এ ঘটনায় গত ৭ আগস্ট ওই স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা দায়ের করেন। এরপর থেকে ওই শিক্ষক পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার বিকেলে র‍্যাব-১২ ও র‍্যাব-১১-এর যৌথ দল নোয়াখালী জেলার সুধারাম উপজেলার হাউজিং সেন্টার রোডসংলগ্ন সুরমা ভবনের সামনে অভিযান চালিয়ে শাহিনকে গ্রেপ্তার করে।

এছাড়া ক্যাডেট কোচিংয়ে ভর্তির প্রলোভন দিয়ে ভুল বুঝিয়ে মুঠোফোনে নুড ভিডিও সংগ্রহ করে রাখতো শাহিন। পরে বিষয়টি পরিবারকে জানালে প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যানকে জানায় তারা। এতে শাহিন ক্ষিপ্ত হয়ে তার সংগ্রহে থাকা ছাত্রীর আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও কয়েক দফায় নিজ ও বিভিন্ন আইডি থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এ বিষয়ে কোম্পানি কমান্ডার সুদীপ্ত সরকার বলেন, এমন কুরুচিপূর্ণ ও হঠকারী কাজ করে শিক্ষক ও ছাত্রের মহান সম্পর্ককে হেয় করেছে শাহিন। নোয়াখালী থেকে র‍্যাব-১১-এর সহযোগিতায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আসামিকে কুষ্টিয়ায় মডেল থানায় সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের বার্তা: আলোচনার টেবিল কখনো পরিত্যক্ত হয় না

শিক্ষক গ্রেপ্তার ছাত্রীর আপত্তিকর ছবি-ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে

আপডেট সময় ১২:১৪:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৫

কুষ্টিয়ায় ছাত্রীর আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে শাহিন ইসলাম (৩০) নামে এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। শনিবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে নোয়াখালীর সুধারাম উপজেলার হাউজিং সেন্টার রোড থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এদিন রাতে র‍্যাব-১২ কুষ্টিয়া ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদীপ্ত সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ২৩ এপ্রিল থেকে কয়েক দফায় শিক্ষক শাহিন সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীর আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দেন। এ ঘটনায় গত ৭ আগস্ট ওই স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা দায়ের করেন। এরপর থেকে ওই শিক্ষক পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার বিকেলে র‍্যাব-১২ ও র‍্যাব-১১-এর যৌথ দল নোয়াখালী জেলার সুধারাম উপজেলার হাউজিং সেন্টার রোডসংলগ্ন সুরমা ভবনের সামনে অভিযান চালিয়ে শাহিনকে গ্রেপ্তার করে।

এছাড়া ক্যাডেট কোচিংয়ে ভর্তির প্রলোভন দিয়ে ভুল বুঝিয়ে মুঠোফোনে নুড ভিডিও সংগ্রহ করে রাখতো শাহিন। পরে বিষয়টি পরিবারকে জানালে প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যানকে জানায় তারা। এতে শাহিন ক্ষিপ্ত হয়ে তার সংগ্রহে থাকা ছাত্রীর আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও কয়েক দফায় নিজ ও বিভিন্ন আইডি থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এ বিষয়ে কোম্পানি কমান্ডার সুদীপ্ত সরকার বলেন, এমন কুরুচিপূর্ণ ও হঠকারী কাজ করে শিক্ষক ও ছাত্রের মহান সম্পর্ককে হেয় করেছে শাহিন। নোয়াখালী থেকে র‍্যাব-১১-এর সহযোগিতায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আসামিকে কুষ্টিয়ায় মডেল থানায় সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে।