ময়মনসিংহ , শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পরিচয় অনুসন্ধান নাকি পাসপোর্ট জালিয়াতি? নেত্রকোণায় আটক রোহিঙ্গা যুবককে ঘিরে ঘনীভূত রহস্য পূর্বধলায় কৃষি প্রণোদনা তালিকায় অনিয়মের অভিযোগে ঘাগড়া চৌরাস্তায় সংবাদ সম্মেলন ​লোহালিয়া নদীর ওপর ৯ম মৈত্রী সেতু নির্মাণে বাংলাদেশ ও চীনের চুক্তি রামিসা হত্যা মামলা: বিচার চেয়ে রোববার শুনানি করবেন অ্যাটর্নি জেনারেল ​আসছে নবম পে-স্কেল: ১ জুলাই থেকে কার্যকর হচ্ছে নতুন বেতন কাঠামো ​হঠাৎ জার্সি বদলের চাপে হাইতি: ৫২ বছর পর বিশ্বকাপে এসেই সংকটে দলটি গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৪ জনসহ দগ্ধ, ৫ ফুটবল বিশ্বকাপ: স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী জাতির প্রত্যাশা পূরণের লক্ষেই এবারের বাজেট প্রণয়ন জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসি পাবনার উদ্যোগে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

২১ ঘণ্টার ম্যারাথন আলোচনাও ব্যর্থ: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি প্রচেষ্টা নিয়ে জেডি ভ্যান্সের বড় দাবি

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৩০:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬৫ বার পড়া হয়েছে

পাকিস্তানের ইসলামাবাদে টানা ২১ ঘণ্টার ম্যারাথন আলোচনার পরও ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। রোববার (১২ এপ্রিল) সকালে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

তিনি জানান, তেহরান ওয়াশিংটনের দেওয়া শর্তগুলো মেনে না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা শান্তি প্রক্রিয়ার জন্য একটি বড় ধাক্কা। ভ্যান্সের মতে, এই আলোচনায় চুক্তি না হওয়াটা যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে ইরানের জন্যই বেশি দুঃসংবাদ বয়ে আনবে। দীর্ঘ সময়ের এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টা কোনো ইতিবাচক ফলাফল ছাড়াই শেষ হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ এখন গভীর অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র একটি চূড়ান্ত এবং সেরা প্রস্তাব বা ‘ফাইনাল অ্যান্ড বেস্ট অফার’ দিয়ে আলোচনার টেবিল ত্যাগ করছে। এখন এই প্রস্তাব ইরান গ্রহণ করবে কি না, তা সম্পূর্ণ তাদের ওপর নির্ভর করছে। ভ্যান্সের এই কঠোর অবস্থান ইঙ্গিত দিচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র আর নতুন কোনো শর্ত বা ছাড় দিতে প্রস্তুত নয়।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, ইরান কি দীর্ঘমেয়াদে পারমাণবিক অস্ত্র না বানানোর বিষয়ে তাদের মৌলিক সদিচ্ছা প্রমাণ করতে পারবে কি না। কেবল দুই বা তিন বছরের জন্য নয়, বরং স্থায়ীভাবে এই প্রতিশ্রুতি নিশ্চিত করাই ছিল ওয়াশিংটনের প্রধান লক্ষ্য।

ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে দুই দেশের প্রতিনিধিরা দীর্ঘ সময় ধরে দরকষাকষি করলেও শেষ পর্যন্ত কোনো ঐকমত্যে পৌঁছাতে ব্যর্থ হন। জেডি ভ্যান্সের এই বক্তব্যের পর আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন করে অস্থিরতা তৈরির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বিশেষ করে যখন পারস্য উপসাগরে ড্রোন নিখোঁজ হওয়া এবং লেবাননে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে, তখন এই শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়া মানে সংঘাত আবারও তীব্রতর হতে পারে। বিশ্বনেতারা এখন তেহরানের পরবর্তী প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন যে তারা যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া এই ‘শেষ প্রস্তাব’ নিয়ে কোনো নতুন সিদ্ধান্ত নেয় কি না।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পরিচয় অনুসন্ধান নাকি পাসপোর্ট জালিয়াতি? নেত্রকোণায় আটক রোহিঙ্গা যুবককে ঘিরে ঘনীভূত রহস্য

২১ ঘণ্টার ম্যারাথন আলোচনাও ব্যর্থ: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি প্রচেষ্টা নিয়ে জেডি ভ্যান্সের বড় দাবি

আপডেট সময় ১০:৩০:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

পাকিস্তানের ইসলামাবাদে টানা ২১ ঘণ্টার ম্যারাথন আলোচনার পরও ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। রোববার (১২ এপ্রিল) সকালে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

তিনি জানান, তেহরান ওয়াশিংটনের দেওয়া শর্তগুলো মেনে না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা শান্তি প্রক্রিয়ার জন্য একটি বড় ধাক্কা। ভ্যান্সের মতে, এই আলোচনায় চুক্তি না হওয়াটা যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে ইরানের জন্যই বেশি দুঃসংবাদ বয়ে আনবে। দীর্ঘ সময়ের এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টা কোনো ইতিবাচক ফলাফল ছাড়াই শেষ হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ এখন গভীর অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র একটি চূড়ান্ত এবং সেরা প্রস্তাব বা ‘ফাইনাল অ্যান্ড বেস্ট অফার’ দিয়ে আলোচনার টেবিল ত্যাগ করছে। এখন এই প্রস্তাব ইরান গ্রহণ করবে কি না, তা সম্পূর্ণ তাদের ওপর নির্ভর করছে। ভ্যান্সের এই কঠোর অবস্থান ইঙ্গিত দিচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র আর নতুন কোনো শর্ত বা ছাড় দিতে প্রস্তুত নয়।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, ইরান কি দীর্ঘমেয়াদে পারমাণবিক অস্ত্র না বানানোর বিষয়ে তাদের মৌলিক সদিচ্ছা প্রমাণ করতে পারবে কি না। কেবল দুই বা তিন বছরের জন্য নয়, বরং স্থায়ীভাবে এই প্রতিশ্রুতি নিশ্চিত করাই ছিল ওয়াশিংটনের প্রধান লক্ষ্য।

ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে দুই দেশের প্রতিনিধিরা দীর্ঘ সময় ধরে দরকষাকষি করলেও শেষ পর্যন্ত কোনো ঐকমত্যে পৌঁছাতে ব্যর্থ হন। জেডি ভ্যান্সের এই বক্তব্যের পর আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন করে অস্থিরতা তৈরির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বিশেষ করে যখন পারস্য উপসাগরে ড্রোন নিখোঁজ হওয়া এবং লেবাননে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে, তখন এই শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়া মানে সংঘাত আবারও তীব্রতর হতে পারে। বিশ্বনেতারা এখন তেহরানের পরবর্তী প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন যে তারা যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া এই ‘শেষ প্রস্তাব’ নিয়ে কোনো নতুন সিদ্ধান্ত নেয় কি না।