ময়মনসিংহ , মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট-এ দৈনিকভিত্তিক শ্রমিকদের কর্মবিরতি, ৮ দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জ্বালানির দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই জানিয়েছেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী পাইপলাইনে আসছে ৫ হাজার টন ডিজেল ভারত থেকে এক মাসের কম সময়ে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতির কাজ শুরু করেছি বলেছেন প্রধানমন্ত্রী পূর্বধলায় গণহত্যা দিবস ও মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, কথা রেখেছি বলেছেন মির্জা ফখরুল পাবনা জেলার ফরিদপুরে মরে যাচ্ছে বড়াল নদী, খনন না হলে হারিয়ে যেতে পারে ঐতিহ্য ও জীবিকা প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন গৌরীপুরে মাহে রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত এনসিপির ৮৭ নেতাকর্মীর গণপদত্যাগ রাঙামাটির জুরাছড়িতে
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

শিশুর আকিকা দেওয়া নিয়ে যা:শায়খ আহমাদুল্লাহ

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:১৬:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫
  • ২২৩ বার পড়া হয়েছে

বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ ও জনপ্রিয় বক্তা শায়খ আহমাদুল্লাহ জানিয়েছেন, ইসলামে আকিকা একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ হলেও, তা না দিলে শিশুর কোনো বিপদ হবে—এমন কোনো কথা কোরআন বা হাদিসে নেই।

এক বক্তব্যে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, “আকিকা না দিলে শিশুর বিপদ কাটবে না—এমন ধারণা ইসলামি দৃষ্টিতে ভিত্তিহীন। তবে, আকিকা একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল এবং এটি সুন্নাতে মোয়াক্কাদাহ।”

শায়খ আহমাদুল্লাহ জানান, নবী করিম (সা.) এর আদর্শ অনুযায়ী, ছেলে সন্তানের জন্য দুটি ছাগল এবং মেয়ে সন্তানের জন্য একটি ছাগল জবাই করা হয়ে থাকে। এটি নবীজির সুন্নাহ এবং মুসলমানদের উচিত তা পালন করা।

আকিকার সময় সম্পর্কে তিনি বলেন, “সন্তানের জন্মের ৭ম দিনে আকিকা করা উত্তম। তা সম্ভব না হলে ১৪তম বা ২১তম দিনেও করা যেতে পারে। যদি কোনো কারণে নির্ধারিত দিনে না হয়, তাহলে পরেও যে কোনো সময়ে আকিকা করা যায়।” এমনকি কেউ যদি ছোটবেলায় আকিকা না পায়, বড় হয়ে নিজের পক্ষ থেকেও আকিকা দিতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
শায়খ আহমাদুল্লাহ আরও বলেন, “আকিকা না দিলে সন্তান বিপদের মধ্যে থাকবে—এমন কথা কোনো সহিহ হাদিসে নেই। তবে কিছু হাদিসে আছে, নবী করিম (সা.) বলেছেন, বাচ্চা আকিকার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত থাকে।” অর্থাৎ, এটি একটি কল্যাণময় আমল, তবে ফরজ নয়।

শেষে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, “আকিকা দিলে সন্তান নানাভাবে উপকৃত হয়, রক্ষা পায় এবং নিরাপদে থাকে। তাই ইসলামী দৃষ্টিতে এটি পালন করা উচিত।”

এই বক্তব্যে শায়খ আহমাদুল্লাহ স্পষ্ট করেছেন যে, আকিকা হলো সুন্নাহ এবং কল্যাণকর, কিন্তু তা না দিলে কোনো অশুভ ফল বা বিপদের নিশ্চয়তা নেই।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট-এ দৈনিকভিত্তিক শ্রমিকদের কর্মবিরতি, ৮ দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান

শিশুর আকিকা দেওয়া নিয়ে যা:শায়খ আহমাদুল্লাহ

আপডেট সময় ০১:১৬:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫

বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ ও জনপ্রিয় বক্তা শায়খ আহমাদুল্লাহ জানিয়েছেন, ইসলামে আকিকা একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ হলেও, তা না দিলে শিশুর কোনো বিপদ হবে—এমন কোনো কথা কোরআন বা হাদিসে নেই।

এক বক্তব্যে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, “আকিকা না দিলে শিশুর বিপদ কাটবে না—এমন ধারণা ইসলামি দৃষ্টিতে ভিত্তিহীন। তবে, আকিকা একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল এবং এটি সুন্নাতে মোয়াক্কাদাহ।”

শায়খ আহমাদুল্লাহ জানান, নবী করিম (সা.) এর আদর্শ অনুযায়ী, ছেলে সন্তানের জন্য দুটি ছাগল এবং মেয়ে সন্তানের জন্য একটি ছাগল জবাই করা হয়ে থাকে। এটি নবীজির সুন্নাহ এবং মুসলমানদের উচিত তা পালন করা।

আকিকার সময় সম্পর্কে তিনি বলেন, “সন্তানের জন্মের ৭ম দিনে আকিকা করা উত্তম। তা সম্ভব না হলে ১৪তম বা ২১তম দিনেও করা যেতে পারে। যদি কোনো কারণে নির্ধারিত দিনে না হয়, তাহলে পরেও যে কোনো সময়ে আকিকা করা যায়।” এমনকি কেউ যদি ছোটবেলায় আকিকা না পায়, বড় হয়ে নিজের পক্ষ থেকেও আকিকা দিতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
শায়খ আহমাদুল্লাহ আরও বলেন, “আকিকা না দিলে সন্তান বিপদের মধ্যে থাকবে—এমন কথা কোনো সহিহ হাদিসে নেই। তবে কিছু হাদিসে আছে, নবী করিম (সা.) বলেছেন, বাচ্চা আকিকার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত থাকে।” অর্থাৎ, এটি একটি কল্যাণময় আমল, তবে ফরজ নয়।

শেষে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, “আকিকা দিলে সন্তান নানাভাবে উপকৃত হয়, রক্ষা পায় এবং নিরাপদে থাকে। তাই ইসলামী দৃষ্টিতে এটি পালন করা উচিত।”

এই বক্তব্যে শায়খ আহমাদুল্লাহ স্পষ্ট করেছেন যে, আকিকা হলো সুন্নাহ এবং কল্যাণকর, কিন্তু তা না দিলে কোনো অশুভ ফল বা বিপদের নিশ্চয়তা নেই।