ময়মনসিংহ , শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শেরপুরে বিলুপ্তির পথে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি ঈদযাত্রায় নৌপথে কোনো বাড়তি ভাড়া আদায় করা যাবে না বললেন নৌপরিবহন মন্ত্রী যুদ্ধ কারো জন্য মঙ্গলজনক নয় বলেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দেশে একটি উগ্র দক্ষিণপন্থা মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে বলে মন্তব্য করেছেন জোনায়েদ সাকি দেশজুড়ে আলোচিত নরসিংদীতে কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলার আসামী গৌরীপুরে গ্রেফতার এলডিসি উত্তরণ পেছানোর আবেদন পর্যালোচনা করছে সিডিপি জানিয়েছেন দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য ২ মাসের জন্য মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা ভোলার মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীতে প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক সরকারি অফিসে দুর্নীতিমুক্ত সেবা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেন জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল বঙ্গোপসাগরে সীমান্ত নদী নিয়ে সুসংবাদ আসছে বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

শেরপুরে বিলুপ্তির পথে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলা থেকে প্রায় বিলুপ্তির পথে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি। যান্ত্রিক মেশিনের ভীড়ে টিকতে না পেরে হারিয়ে যাচ্ছে ঢেঁকি। এক সময় ঢেঁকি দিয়ে ধানের চিড়া, চাল, ডাল, গম, মরিচসহ আরো কিছু গুড়া করা হতো।

এখন বিদ‍্যুত চালিত যান্ত্রিক মেশিনের প্রসারের ফলে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে ঢেঁকি। বর্তমানে গ্রাম গন্জে আগের মত ঢেঁকি দেখা যায়না। শোনা যায়না ঢেঁকির ঢক ঢক শব্দ। আগে গ্রামের বধূরা ঢেঁকিতে চাল ভানিয়ে নানা সুস্বাদু পিঠা তৈরী করতো। গাইতো গিত, কিচ্ছা আর করতো খোশ গল্প। সেই ঢেঁকি আজ গল্প আর কল্পনা মাত্র। নতুন প্রজন্মরা ঢেঁকি চিনেনা, জানেনা তার অতিত।

বর্তমানে গ্রামাঞ্চলে যন্ত্রের মেশিনে হলুদ, মরিচ, ধনিয়া, ডাল, চাল সহ বিভিন্ন কিছু ভানা হয়। তাই ঢেঁকির কদর নাই, পাওয়াও দুস্কর। নালিতাবাড়ী উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও পৌর শহরে হাতে গুনা কিছু বাড়ীতে এই ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকির প্রচলন আছে।

উপজেলার বালুঘাটা গ্রামের হাশেম বাচ্চু, নন্নীপুর্ব পাড়ার রওশনারা বেগম বলেন- ঢেঁকি দিয়ে চাল গুড়ার পিঠার স্বাদই আলাদা। মেশিনের চাল গুড়া অনেক সময় তিতা লাগে, গন্ধ করে খেতে সমস্যা হয়।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মশিউর রহমান বলেন, বর্তমান ডিজিটাল যুগে নানা আবিষ্কার ও কলকারখানার যাতাকলে পিষ্ট হয়ে গ্রাম বাংলার জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি আজ বিলুপ্তির পথে। ঢেঁকির ঐতিহ্য রক্ষায় কর্তৃপক্ষের পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শেরপুরে বিলুপ্তির পথে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি

শেরপুরে বিলুপ্তির পথে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি

আপডেট সময় ১২:৪৭:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলা থেকে প্রায় বিলুপ্তির পথে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি। যান্ত্রিক মেশিনের ভীড়ে টিকতে না পেরে হারিয়ে যাচ্ছে ঢেঁকি। এক সময় ঢেঁকি দিয়ে ধানের চিড়া, চাল, ডাল, গম, মরিচসহ আরো কিছু গুড়া করা হতো।

এখন বিদ‍্যুত চালিত যান্ত্রিক মেশিনের প্রসারের ফলে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে ঢেঁকি। বর্তমানে গ্রাম গন্জে আগের মত ঢেঁকি দেখা যায়না। শোনা যায়না ঢেঁকির ঢক ঢক শব্দ। আগে গ্রামের বধূরা ঢেঁকিতে চাল ভানিয়ে নানা সুস্বাদু পিঠা তৈরী করতো। গাইতো গিত, কিচ্ছা আর করতো খোশ গল্প। সেই ঢেঁকি আজ গল্প আর কল্পনা মাত্র। নতুন প্রজন্মরা ঢেঁকি চিনেনা, জানেনা তার অতিত।

বর্তমানে গ্রামাঞ্চলে যন্ত্রের মেশিনে হলুদ, মরিচ, ধনিয়া, ডাল, চাল সহ বিভিন্ন কিছু ভানা হয়। তাই ঢেঁকির কদর নাই, পাওয়াও দুস্কর। নালিতাবাড়ী উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও পৌর শহরে হাতে গুনা কিছু বাড়ীতে এই ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকির প্রচলন আছে।

উপজেলার বালুঘাটা গ্রামের হাশেম বাচ্চু, নন্নীপুর্ব পাড়ার রওশনারা বেগম বলেন- ঢেঁকি দিয়ে চাল গুড়ার পিঠার স্বাদই আলাদা। মেশিনের চাল গুড়া অনেক সময় তিতা লাগে, গন্ধ করে খেতে সমস্যা হয়।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মশিউর রহমান বলেন, বর্তমান ডিজিটাল যুগে নানা আবিষ্কার ও কলকারখানার যাতাকলে পিষ্ট হয়ে গ্রাম বাংলার জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি আজ বিলুপ্তির পথে। ঢেঁকির ঐতিহ্য রক্ষায় কর্তৃপক্ষের পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন।