ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
​সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত, মাছ ধরার নৌকায় সতর্কতা জুলাই নিয়ে কটূক্তিকারীদের বিচার করতে হবে বললেন আখতার হোসেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে বড় রদবদল: স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান, উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি ওয়াহিদুজ্জামান ​জাতীয় নির্বাচনের পাঠ নিয়ে স্থানীয় নির্বাচনে নামছে নির্বাচন কমিশন পঞ্চদশ সংশোধনী মামলার রায় বৃহস্পতিবার জনদুর্ভোগ লাঘবে নারী এমপির অনুদান; সড়ক সংস্কারে যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল ​আর্জেন্টিনার প্রতি শুভকামনা মোস্তফা জিকোর, প্রত্যাশা আরও এক বিশ্বকাপের রেফারিং নিয়ে ক্ষোভ: ‘টাকার বিনিময়ে ম্যাচ হেরেছি’, অভিযোগ মিশর কোচের নিউইয়র্কে বাংলাদেশ-পাকিস্তান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত ​কারবালার পথে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মরদেহ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

শেরপুরে বিলুপ্তির পথে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলা থেকে প্রায় বিলুপ্তির পথে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি। যান্ত্রিক মেশিনের ভীড়ে টিকতে না পেরে হারিয়ে যাচ্ছে ঢেঁকি। এক সময় ঢেঁকি দিয়ে ধানের চিড়া, চাল, ডাল, গম, মরিচসহ আরো কিছু গুড়া করা হতো।

এখন বিদ‍্যুত চালিত যান্ত্রিক মেশিনের প্রসারের ফলে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে ঢেঁকি। বর্তমানে গ্রাম গন্জে আগের মত ঢেঁকি দেখা যায়না। শোনা যায়না ঢেঁকির ঢক ঢক শব্দ। আগে গ্রামের বধূরা ঢেঁকিতে চাল ভানিয়ে নানা সুস্বাদু পিঠা তৈরী করতো। গাইতো গিত, কিচ্ছা আর করতো খোশ গল্প। সেই ঢেঁকি আজ গল্প আর কল্পনা মাত্র। নতুন প্রজন্মরা ঢেঁকি চিনেনা, জানেনা তার অতিত।

বর্তমানে গ্রামাঞ্চলে যন্ত্রের মেশিনে হলুদ, মরিচ, ধনিয়া, ডাল, চাল সহ বিভিন্ন কিছু ভানা হয়। তাই ঢেঁকির কদর নাই, পাওয়াও দুস্কর। নালিতাবাড়ী উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও পৌর শহরে হাতে গুনা কিছু বাড়ীতে এই ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকির প্রচলন আছে।

উপজেলার বালুঘাটা গ্রামের হাশেম বাচ্চু, নন্নীপুর্ব পাড়ার রওশনারা বেগম বলেন- ঢেঁকি দিয়ে চাল গুড়ার পিঠার স্বাদই আলাদা। মেশিনের চাল গুড়া অনেক সময় তিতা লাগে, গন্ধ করে খেতে সমস্যা হয়।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মশিউর রহমান বলেন, বর্তমান ডিজিটাল যুগে নানা আবিষ্কার ও কলকারখানার যাতাকলে পিষ্ট হয়ে গ্রাম বাংলার জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি আজ বিলুপ্তির পথে। ঢেঁকির ঐতিহ্য রক্ষায় কর্তৃপক্ষের পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

​সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত, মাছ ধরার নৌকায় সতর্কতা

শেরপুরে বিলুপ্তির পথে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি

আপডেট সময় ১২:৪৭:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলা থেকে প্রায় বিলুপ্তির পথে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি। যান্ত্রিক মেশিনের ভীড়ে টিকতে না পেরে হারিয়ে যাচ্ছে ঢেঁকি। এক সময় ঢেঁকি দিয়ে ধানের চিড়া, চাল, ডাল, গম, মরিচসহ আরো কিছু গুড়া করা হতো।

এখন বিদ‍্যুত চালিত যান্ত্রিক মেশিনের প্রসারের ফলে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে ঢেঁকি। বর্তমানে গ্রাম গন্জে আগের মত ঢেঁকি দেখা যায়না। শোনা যায়না ঢেঁকির ঢক ঢক শব্দ। আগে গ্রামের বধূরা ঢেঁকিতে চাল ভানিয়ে নানা সুস্বাদু পিঠা তৈরী করতো। গাইতো গিত, কিচ্ছা আর করতো খোশ গল্প। সেই ঢেঁকি আজ গল্প আর কল্পনা মাত্র। নতুন প্রজন্মরা ঢেঁকি চিনেনা, জানেনা তার অতিত।

বর্তমানে গ্রামাঞ্চলে যন্ত্রের মেশিনে হলুদ, মরিচ, ধনিয়া, ডাল, চাল সহ বিভিন্ন কিছু ভানা হয়। তাই ঢেঁকির কদর নাই, পাওয়াও দুস্কর। নালিতাবাড়ী উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও পৌর শহরে হাতে গুনা কিছু বাড়ীতে এই ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকির প্রচলন আছে।

উপজেলার বালুঘাটা গ্রামের হাশেম বাচ্চু, নন্নীপুর্ব পাড়ার রওশনারা বেগম বলেন- ঢেঁকি দিয়ে চাল গুড়ার পিঠার স্বাদই আলাদা। মেশিনের চাল গুড়া অনেক সময় তিতা লাগে, গন্ধ করে খেতে সমস্যা হয়।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মশিউর রহমান বলেন, বর্তমান ডিজিটাল যুগে নানা আবিষ্কার ও কলকারখানার যাতাকলে পিষ্ট হয়ে গ্রাম বাংলার জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি আজ বিলুপ্তির পথে। ঢেঁকির ঐতিহ্য রক্ষায় কর্তৃপক্ষের পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন।