ময়মনসিংহ , শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিশেষ অভিযানে কানাইঘাট পুলিশের সাফল্য: মানবপাচার ও হত্যাচেষ্টা মামলার ৩ আসামি গ্রেপ্তার বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধার প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মোংলায় এক দিনের সরকারি সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর শুরু জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী জামায়াতের ওপর বিএনপির লোকেরা আক্রমণ করা শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন আখতারুজ্জামান ট্রিলিয়ন অর্থনীতির দেশ গড়ার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে সরকার বলেছেন প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের ‘ব্লু টাইড’; কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই রিপাবলিকানদের হারিয়ে চমক শেরপুরে জেলা প্রশাসকের গণশুনানি অনুষ্ঠিত, ৯৯ জন পেলেন আর্থিক সহায়তা পূর্বধলায় শিক্ষকদের জড়িয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ, অস্ত্রের মুখে পদত্যাগের দাবি নাকচ বিএনপি নেতা সেলিম উদ্দিনের শার্শায় গোগা সীমান্তে বিজিবির অভিযান: ৪৮৬ বোতল ভারতীয় সিরাপ উদ্ধার
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি শামসুদ্দোহা নিজের রিসোর্ট থেকে গ্রেপ্তার

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০২:০০:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১৯৮ বার পড়া হয়েছে

চেক জালিয়াতির মামলায় সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি শামসুদ্দোহাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 

আজ রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকার নবাবগঞ্জে অবস্থিত তার নিজ রিসোর্ট থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশের সাবেক এই অতিরিক্ত আইজিপি পুলিশ বাহিনীতে দুর্নীতির ‘বরপুত্র’ হিসেবে কুখ্যাত ছিলেন। অবৈধ অর্থ উপার্জনে তার জুড়ি মেলা ভার। বিশেষ করে প্রেষণে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। বিভিন্ন নদী খনন কাজের টেন্ডার থেকে কমিশন হিসেবে নেন শত শত কোটি টাকা। এছাড়া, নদী দখল করে গড়ে তোলা শিল্পকারখানার মালিকদের কাছ থেকেও বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেন। এসব অবৈধ আয় দিয়ে তিনি ঢাকার নবাবগঞ্জে শত বিঘারও বেশি জমির উপর খামারবাড়ি গড়ে তোলেন, যেখানে বিনিয়োগ করা হয়েছে কয়েক শ কোটি টাকা।

দুদকের সূত্রে জানা গেছে, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান থাকাকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি অসাধু উপায়ে বিপুল অর্থ আয় করেন। এই অর্থ বিভিন্ন তফসিলি ব্যাংকের হিসাবে সন্দেহজনক উৎস থেকে আসা অসামঞ্জস্যপূর্ণ ও অস্বাভাবিক লেনদেনের মাধ্যমে জমা করা হয়। এ প্রক্রিয়ায় তিনি ২১ কোটি ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা জমা রেখে পরবর্তীতে তা উঠিয়ে তার উৎস ও মালিকানা গোপন করার চেষ্টা করেন।

এছাড়াও, দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে তিনি ৮ কোটি ৪৪ লাখ ১০ হাজার ২২১ টাকার সম্পদ গোপন করেছেন এবং মিথ্যা তথ্য প্রদান করেছেন। দুদকের অনুসন্ধানে তার আরও ২ কোটি ৮৭ লাখ ৩ হাজার ৭৮ টাকার অবৈধ সম্পদের প্রমাণ মিলেছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক আইন, ২০০৪ এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি দমন প্রতিরোধ আইনের ধারায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। একইভাবে, তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে ২৮ কোটি ৪৭ লাখ ৩ হাজার ৮৯১ টাকার সম্পদ গোপন এবং ২৭ কোটি ৪৮ লাখ ৮২ হাজার ৪৯১ টাকার অজ্ঞাতআয়ের সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশেষ অভিযানে কানাইঘাট পুলিশের সাফল্য: মানবপাচার ও হত্যাচেষ্টা মামলার ৩ আসামি গ্রেপ্তার

সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি শামসুদ্দোহা নিজের রিসোর্ট থেকে গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০২:০০:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চেক জালিয়াতির মামলায় সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি শামসুদ্দোহাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 

আজ রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকার নবাবগঞ্জে অবস্থিত তার নিজ রিসোর্ট থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশের সাবেক এই অতিরিক্ত আইজিপি পুলিশ বাহিনীতে দুর্নীতির ‘বরপুত্র’ হিসেবে কুখ্যাত ছিলেন। অবৈধ অর্থ উপার্জনে তার জুড়ি মেলা ভার। বিশেষ করে প্রেষণে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। বিভিন্ন নদী খনন কাজের টেন্ডার থেকে কমিশন হিসেবে নেন শত শত কোটি টাকা। এছাড়া, নদী দখল করে গড়ে তোলা শিল্পকারখানার মালিকদের কাছ থেকেও বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেন। এসব অবৈধ আয় দিয়ে তিনি ঢাকার নবাবগঞ্জে শত বিঘারও বেশি জমির উপর খামারবাড়ি গড়ে তোলেন, যেখানে বিনিয়োগ করা হয়েছে কয়েক শ কোটি টাকা।

দুদকের সূত্রে জানা গেছে, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান থাকাকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি অসাধু উপায়ে বিপুল অর্থ আয় করেন। এই অর্থ বিভিন্ন তফসিলি ব্যাংকের হিসাবে সন্দেহজনক উৎস থেকে আসা অসামঞ্জস্যপূর্ণ ও অস্বাভাবিক লেনদেনের মাধ্যমে জমা করা হয়। এ প্রক্রিয়ায় তিনি ২১ কোটি ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা জমা রেখে পরবর্তীতে তা উঠিয়ে তার উৎস ও মালিকানা গোপন করার চেষ্টা করেন।

এছাড়াও, দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে তিনি ৮ কোটি ৪৪ লাখ ১০ হাজার ২২১ টাকার সম্পদ গোপন করেছেন এবং মিথ্যা তথ্য প্রদান করেছেন। দুদকের অনুসন্ধানে তার আরও ২ কোটি ৮৭ লাখ ৩ হাজার ৭৮ টাকার অবৈধ সম্পদের প্রমাণ মিলেছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক আইন, ২০০৪ এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি দমন প্রতিরোধ আইনের ধারায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। একইভাবে, তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে ২৮ কোটি ৪৭ লাখ ৩ হাজার ৮৯১ টাকার সম্পদ গোপন এবং ২৭ কোটি ৪৮ লাখ ৮২ হাজার ৪৯১ টাকার অজ্ঞাতআয়ের সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।