ময়মনসিংহ , সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইরানের বার্তা: আলোচনার টেবিল কখনো পরিত্যক্ত হয় না মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল বাংলাদেশ সীমান্ত; উৎপত্তিস্থল নিয়ে যা জানা যাচ্ছে শিক্ষায় নতুন দিগন্ত: পরীক্ষামূলকভাবে অনলাইন ক্লাস শুরু প্রচারণার মাধ্যমে হামের টিকাদান কর্মসূচিকে জনপ্রিয় করতে হবে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী আজ দুপুরে শপথ নিচ্ছেন নবনির্বাচিত দুই সংসদ সদস্য নোয়াখালীতে চাঁদা না পেয়ে বৃদ্ধকে হত্যা: প্রধান আসামি যুবদল নেতা গ্রেফতার নির্বাচন কমিশন থেকে ১২৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ পূর্বধলায় বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন ২১ ঘণ্টার ম্যারাথন আলোচনাও ব্যর্থ: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি প্রচেষ্টা নিয়ে জেডি ভ্যান্সের বড় দাবি কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হলো ইরান-মার্কিন বৈঠক, জেডি ভ্যান্সের ফেরা নিয়ে জল্পনা
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

সিআইডি মাদক ব্যবসায়ীর প্রায় ৭ কোটি টাকার সম্পদ ক্রোক করেছে

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ১০:১২:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫
  • ১৪০ বার পড়া হয়েছে

পাবনা জেলার আতাইকুলা থানার কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী শাহীন আলমের বিরুদ্ধে অর্থপাচার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট, সিআইডি-এর তৎপরতায় প্রায় ৭ কোটি টাকার সম্পদ ক্রোকের আদেশ প্রদান করেছে আদালত।

সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, মাদক ব্যবসার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জনের অভিযোগে শাহীন আলমের বিরুদ্ধে আতাইকুলা থানায় মামলা নং-১০, তারিখ ১৪/০৩/২০২৩, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ (সংশোধনী-২০১৫)-এর ৪(২) ধারায় মামলা রুজু করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, অভিযুক্ত ব্যক্তি অপরাধলব্ধ অর্থে ১৯২.৬৭ শতাংশ জমিসহ বিভিন্ন মূল্যবান স্থাবর সম্পত্তি অর্জন করেন, যার বাজারমূল্য প্রায় ৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা। সিআইডির আবেদনের প্রেক্ষিতে বিজ্ঞ আদালত এই সকল সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দেন। এছাড়াও, তদন্তে শাহীন আলমের নামে থাকা ১০টি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে মোট ৬ কোটি ৬২ লাখ ১ হাজার ৬৪ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। বর্তমানে এসব হিসাবে ৪২ লাখ ৪৩ হাজার ৩৮৭ টাকা জমা রয়েছে, যা আদালতের নির্দেশে ইতোমধ্যে ফ্রিজ করা হয়েছে। শাহীন আলম নিজেকে একজন দুগ্ধ ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দিলেও, তদন্তে উঠে এসেছে তিনি আতাইকুলা উপজেলায় একটি সংঘবদ্ধ মাদক চক্রের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এ চক্রের মাধ্যমে তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক পাচার করে অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়েছেন।

অভিযুক্ত ব্যক্তির নামে দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের খোঁজে অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে। আইন অনুযায়ী মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের বার্তা: আলোচনার টেবিল কখনো পরিত্যক্ত হয় না

সিআইডি মাদক ব্যবসায়ীর প্রায় ৭ কোটি টাকার সম্পদ ক্রোক করেছে

আপডেট সময় ১০:১২:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫

পাবনা জেলার আতাইকুলা থানার কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী শাহীন আলমের বিরুদ্ধে অর্থপাচার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট, সিআইডি-এর তৎপরতায় প্রায় ৭ কোটি টাকার সম্পদ ক্রোকের আদেশ প্রদান করেছে আদালত।

সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, মাদক ব্যবসার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জনের অভিযোগে শাহীন আলমের বিরুদ্ধে আতাইকুলা থানায় মামলা নং-১০, তারিখ ১৪/০৩/২০২৩, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ (সংশোধনী-২০১৫)-এর ৪(২) ধারায় মামলা রুজু করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, অভিযুক্ত ব্যক্তি অপরাধলব্ধ অর্থে ১৯২.৬৭ শতাংশ জমিসহ বিভিন্ন মূল্যবান স্থাবর সম্পত্তি অর্জন করেন, যার বাজারমূল্য প্রায় ৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা। সিআইডির আবেদনের প্রেক্ষিতে বিজ্ঞ আদালত এই সকল সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দেন। এছাড়াও, তদন্তে শাহীন আলমের নামে থাকা ১০টি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে মোট ৬ কোটি ৬২ লাখ ১ হাজার ৬৪ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। বর্তমানে এসব হিসাবে ৪২ লাখ ৪৩ হাজার ৩৮৭ টাকা জমা রয়েছে, যা আদালতের নির্দেশে ইতোমধ্যে ফ্রিজ করা হয়েছে। শাহীন আলম নিজেকে একজন দুগ্ধ ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দিলেও, তদন্তে উঠে এসেছে তিনি আতাইকুলা উপজেলায় একটি সংঘবদ্ধ মাদক চক্রের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এ চক্রের মাধ্যমে তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক পাচার করে অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়েছেন।

অভিযুক্ত ব্যক্তির নামে দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের খোঁজে অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে। আইন অনুযায়ী মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।