ময়মনসিংহ , মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
​দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের আশাবাদ তারেক রহমানের পদত্যাগ করলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বদিউজ্জামান তপাদার সমুদ্রসীমা সঠিকভাবে বুঝে পেলেও বিগত সময়ে খনিজসম্পদ আহরণ হয়নি জানিয়েছেন নৌমন্ত্রী বিএনপি অফিসে হামলা ও ভাঙচুর: নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাহাঙ্গীর স্যারকে বিদায় জানাল জগৎমণি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ​নেত্রকোণার পূর্বধলায় একটি টেলিকম দোকানে সংঘটিত চুরির ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে মালয়েশিয়ার সঙ্গে আইটি ও শ্রমবাজারে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে একমত বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া চলতি জুন মাসের প্রথম ২০ দিনে ১৯৫ কোটি ডলার পাঠালেন প্রবাসীরা শান্তি চুক্তি সত্ত্বেও লেবাননে হামলা: ‘আসল পরীক্ষা’ নিয়ে সতর্ক ইরান
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

হঠাৎ ভেঙে পড়ল আয়রন ব্রিজ

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:০১:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মে ২০২৫
  • ১২৬ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালীর মহিপুর থানার লতাচাপলী ইউনিয়নের তাহেরপুর-আজিমপুর গ্রামের লক্ষ্মীর খালের উপর নির্মিত আয়রন ব্রিজটি ধসে খালে পড়েছে। এতে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি। তবে সেতু ভেঙে যাওয়ায় যাতায়াত ভোগান্তিতে পড়েছে ১০ গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার মানুষসহ কুয়াকাটায় আসা পর্যটকরা।

আজ মঙ্গলবার (২০ মে) ভোর রাতে বিকট শব্দে এ ব্রিজটি ভেঙে খালে পড়ে যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,  এই ব্রিজটি ২০০১ সালে নির্মিত হয়। জোয়ার-ভাটায় লবণাক্ত পানি প্রবাহিত হওয়ায় কয়েক বছরের মধ্যে ব্রিজের নিচের লোহার অ্যাঙ্গেলগুলো মরিচা ধরে নষ্ট হয়ে যায়। ব্রিজের কংক্রিটের সবগুলো এলোমেলো হয়ে জীর্ণ দশায় পরিণত হওয়ায় ২০২১ সালে এলজিইডি থেকে ব্রিজটিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়।

গত বছরের ১১ আগস্ট রাতে শ্রী মাধব সৈদ্দাল নামের এক ব্যবসায়ী একটি টমটম গাড়িতে ২৫ বস্তা সার নিয়ে পার হওয়ার সময় ব্রিজের দক্ষিণাংশ ভেঙে যায়। পরবর্তীতে চলাচলের জন্য কাঠের তক্তা দিয়ে প্রাথমিক মেরামত করা হয়েছিল। তবে এ অবস্থায় পড়ে আছে দীর্ঘ আট মাস। রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে তক্তাগুলো নষ্ট হয়ে যায়। তারপরও ঝুঁকি নিয়ে মোটরসাইকেল, অটোভ্যান, ইজিবাইকসহ স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থীরা চলাচল করছিল। তবে ব্রিজটি আজ মঙ্গলবার একেবারেই ধসে খালে পড়ে যায়।

আজিমপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ শাকিল সরদার বলেন, কাঠের তক্তা দিয়ে মেরামত করে হলেও আমরা পারাপার হয়েছি। ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ায় আমাদের দুর্ভোগের শেষ নেই।

এ বিষয়ে এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ সাদিকুর রহমান বলেন, ইতোমধ্যে আমরা উপজেলার সব ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজের লিস্ট করেছি। তাহেরপুর-আজিমপুর খালের ভাঙা ব্রিজটির বিষয়ে আপনাদের মাধ্যমে জেনেছি। আমরা খোঁজখবর নিচ্ছি। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে অতি তাড়াতাড়ি ওখানে একটা ব্রিজ নির্মাণের ব্যবস্থা করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

​দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের আশাবাদ তারেক রহমানের

হঠাৎ ভেঙে পড়ল আয়রন ব্রিজ

আপডেট সময় ০৩:০১:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মে ২০২৫

পটুয়াখালীর মহিপুর থানার লতাচাপলী ইউনিয়নের তাহেরপুর-আজিমপুর গ্রামের লক্ষ্মীর খালের উপর নির্মিত আয়রন ব্রিজটি ধসে খালে পড়েছে। এতে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি। তবে সেতু ভেঙে যাওয়ায় যাতায়াত ভোগান্তিতে পড়েছে ১০ গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার মানুষসহ কুয়াকাটায় আসা পর্যটকরা।

আজ মঙ্গলবার (২০ মে) ভোর রাতে বিকট শব্দে এ ব্রিজটি ভেঙে খালে পড়ে যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,  এই ব্রিজটি ২০০১ সালে নির্মিত হয়। জোয়ার-ভাটায় লবণাক্ত পানি প্রবাহিত হওয়ায় কয়েক বছরের মধ্যে ব্রিজের নিচের লোহার অ্যাঙ্গেলগুলো মরিচা ধরে নষ্ট হয়ে যায়। ব্রিজের কংক্রিটের সবগুলো এলোমেলো হয়ে জীর্ণ দশায় পরিণত হওয়ায় ২০২১ সালে এলজিইডি থেকে ব্রিজটিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়।

গত বছরের ১১ আগস্ট রাতে শ্রী মাধব সৈদ্দাল নামের এক ব্যবসায়ী একটি টমটম গাড়িতে ২৫ বস্তা সার নিয়ে পার হওয়ার সময় ব্রিজের দক্ষিণাংশ ভেঙে যায়। পরবর্তীতে চলাচলের জন্য কাঠের তক্তা দিয়ে প্রাথমিক মেরামত করা হয়েছিল। তবে এ অবস্থায় পড়ে আছে দীর্ঘ আট মাস। রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে তক্তাগুলো নষ্ট হয়ে যায়। তারপরও ঝুঁকি নিয়ে মোটরসাইকেল, অটোভ্যান, ইজিবাইকসহ স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থীরা চলাচল করছিল। তবে ব্রিজটি আজ মঙ্গলবার একেবারেই ধসে খালে পড়ে যায়।

আজিমপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ শাকিল সরদার বলেন, কাঠের তক্তা দিয়ে মেরামত করে হলেও আমরা পারাপার হয়েছি। ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ায় আমাদের দুর্ভোগের শেষ নেই।

এ বিষয়ে এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ সাদিকুর রহমান বলেন, ইতোমধ্যে আমরা উপজেলার সব ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজের লিস্ট করেছি। তাহেরপুর-আজিমপুর খালের ভাঙা ব্রিজটির বিষয়ে আপনাদের মাধ্যমে জেনেছি। আমরা খোঁজখবর নিচ্ছি। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে অতি তাড়াতাড়ি ওখানে একটা ব্রিজ নির্মাণের ব্যবস্থা করা হবে।