তিনি জানান, অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া ওই কিশোরীকে ফাঁদে ফেলে গত ১৬ জানুয়ারি দুপুরে মহাখালীর বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে হাত-পা বেঁধে মুখে কাপড় গুঁজে ৫ জন মিলে ধর্ষণ করলে মেয়েটি অচেতন হয়ে পড়ে। একপর্যায়ে ওই কিশোরীকে বস্তায় ভরে মধ্যরাতে রিকশায় করে হাতিরঝিলে নিয়ে ফেলে দেয়া হয়।
এদিকে মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে গত ১৯ জানুয়ারি থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন ওই কিশোরীর বাবা। পরবর্তীতে লাশ উদ্ধার হলে গত ২৭ জানুয়ারি হত্যা মামলা করেন তিনি। এরপর মামলার তদন্তে নেমে কিশোরীর মুঠোফোনের সূত্র ধরে গত ৩০ জানুয়ারি রবিন ও রাব্বি মৃধা নামে দুইজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
ডিএমপির উত্তরা বিভাগের ডিসি রওনক জাহান জানান, জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা ওই কিশোরীকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় বাকি তিনজনকেও আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।