ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ময়মনসিংহে বিভাগীয় পর্যায়ের ‘অদম্য নারী পুরস্কার’ পেলেন নুরুন নাহার আক্তার অফিসে নেই কোনো কর্মকর্তা ,সারপ্রাইজ ভিজিটে ভূমি প্রতিমন্ত্রী রংপুর ডিসি কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অফিসে আসতে ‘লেট’, সরকার রপ্তানি খাতে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ছাড় দিলো খামেনির মৃত্যুতে ইরানি শাসনব্যবস্থার পতন ঘটাবে না বলে মন্তব্য করেছেন ফারাহ পাহলভি ইরানিদের ভাগ্য নির্ধারণের অধিকার তাদেরই দিতে হবে বলেছেন ফারাহ পাহলভি রাজধানীর তাপমাত্রা কমলো ৪ ডিগ্রি একদিনের ব্যবধানে নারায়ণগঞ্জে লাশ গোসলের জায়গা দখল করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ভারত বলেছেন প্রণয় ভার্মা সহস্রাধিক প্রাণহানির দাবি ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায়
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

হলুদ সাংবাদিকতা

  • এ.কে.এম ফখরুল আলম
  • আপডেট সময় ০৩:৩০:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • ১১৭৬ বার পড়া হয়েছে

সংবাদপত্রের লোকজন একটু বেশিই কালারফুল- আমিও এর ব্যতিক্রম নই। আসুন- সংবাপত্রের হলুদ কালারের সাথে নতুন ভাবে পরিচিত হই-

এ.কে.এম ফখরুল আলম-

১৮৮৩ সালে আমেরিকার নিউ ইর্য়ক শহরে জোসেফ পুলিৎজারের সম্পাদনায় নিউ ইর্য়ক ওয়ার্ল্ড প্রকাশনা শুরু হয় (সেন্ট লুই পোষ্ট ডিসপ্যাচ পদ্ধতি সম্মলিত)। নতুন বইয়ের ছবি, শিশু গল্প সিরিজ, যুদ্ধের গল্প, রবিবারের বিশেষ সংখ্যা, বিভিন্ন কুইজ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে কাগজটি পূরণ করা হতো। পাঠকদেরকে আকৃষ্ট করার জন্যে অপরাধমূলক সংবাদগুলো হলুদ রঙ্গের বিভিন্ন প্রতিকৃতি/প্রচ্ছদ/ কার্টুন এর উপরে লেখা হতো।

‘হোগানের এলি’ নামক একটি কৌতুকধর্মী সিরিজ ‘‘হলুদ বাচ্চা” নামক একটি হলুদ বর্ণের চরিত্র ছিল, যা তৎকালীন সমস্ত লেখা, গল্প, উপন্যাস থেকে আলোচনার শীর্ষে থাকে এবং চরিত্রটি পুরস্কৃত হয়। পুলিৎজার বিশ্বাস করতেন সংবাদপত্র গুলি সমাজের উন্নতির জন্য সরকারী প্রতিষ্ঠান। তাই প্রকাশনাকে সমাজ সংস্কারের কাজে নিয়োজিত রেখেছেন। নিউ ইর্য়ক ওয়ার্ল্ড মাত্র দুই বছরেই সমসাময়িক পত্রিকাগুলো যেমন- নিউইর্য়ক সান, টাইমস, দ্য সান, পোষ্ট, নিউ ইর্য়ক জার্নাল এসব পত্রিকাগুলো থেকে সর্বোচ্চ প্রচলন পত্রিকা হয়ে ওঠে এবং জোসেফ পুলিৎজারের নিউ ইর্য়ক ওয়ার্ল্ড দেশের সেরা সংবাদপত্রের পুরষ্কার অর্জন করে।

যার ফলশ্রুতিতে ঈর্ষান্বিত হয়ে সমসাময়িক প্রকাশকগণ ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলি নিউইর্য়ক ওয়ার্ল্ড পত্রিকার প্রকাশক-সম্পাদক, সাংবাদিকদেরকে কুটক্তি করে হোগানের এলি, হলুদ ক্রিমিয়া, হলুদ কিড্স, হলুদ প্রেস, হলুদ সাংবাদিক(সমালোচনা করে) উপাধিতে আখ্যায়িত করে। পরবর্তীতে পাঠক জনপ্রিয়তায় হলুদ প্রেস, হলুদ সাংবাদিক শব্দটি গর্বে-খ্যাতিতে পরিণিত হয়েছিল।

তারপরেও পুরোনো প্রকাশকগণও জোসেফ পুলিৎজারের সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে বিশ্ব বাজারে সমালোচনা অব্যাহত রাখেন। অপরাধমূলক সংবাদ স্ট্যান্টগুলির উপর নজরদারি শুরু করেন। আরো গুরুতর প্রতিশোধের জন্য উপেক্ষা করে, হলুদ সাংবাদিকতার জনপ্রিয় ধারণাকে প্রভাবিত করার জন্যে ক্যালিফোর্নিয়ার খনি শিল্পায়নের পুত্র উইলিয়াম রান্ডলফ হেরষ্ট নিউইয়র্ক সিটিতে যান এবং প্রতিদ্বন্দ্বী নিউইয়র্ক জার্নাল পত্রিকাটি কিনেন। কয়েকশ কর্মচারী নিয়ে পুলিৎজারের পত্রিকা অফিস থেকে কিছু দূরে অফিস ভাড়া করেন।

পুলিৎজারের সংবেদনশীল শৈলীকে প্রতিচ্ছবি করেছেন, পুলিৎজারের একজন কার্টুনিষ্ট শিল্পী আরএফকে অনেক টাকার বিনিময়ে ভাড়া করে, হোগানের এলির দ্বিতীয় ‘‘হলুদ বাচ্চা’’ তৈরি করার জন্য। ১৮৯০ এর উত্তেজনাপূর্ণ প্রেস হলুদ বাচ্চাদের মধ্যে একটি প্রতিযোগীতার আয়োজন করে। বিশাল হলুদ প্রিন্টে ভিত্তিহীন শিরোনাম, মিথ্যা সাক্ষাৎকার, ছদ্মবেশ, তথ্যহীন মিথ্যা-বানোয়াট সংবাদগুলি ছাপানো শুরু করে। ফলশ্রুতিতে পুলিৎজারের হলুদ খ্যাতি বিতর্কে চলে আসতে থাকে। সুনাম খ্যাত হলুদ প্রেস, হলুদ সাংবাদিক শব্দটিকে বির্তকিত করে তুলেন। ইতিহাস না জেনে আজকের বিশ্বে হলুদ প্রেস, হলুদ সাংবাদিকতা এক ঘৃণীত অধ্যায়। যা এখনো আমরা সাংবাদিক সমাজ নিরবে বহন করে যাচ্ছি।

উল্লেখ্য, প্যারিস-আমেরিকার যুদ্ধ হলুদ মিডিয়ার যুদ্ধ হিসেবে আজও পরিচিত। প্রকাশকগণ যুদ্ধের অগ্রীম ফলাফল বর্ণনা করে একাধিক ভয়ংকর যুদ্ধের গল্পও প্রকাশ করতেন। তাদের মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হলো-নারী কয়েদী, মৃত্যুদন্ড, বীরযোদ্ধা বিদ্রোহী, ক্ষুধার্ত নারী, শিশুরাও যোদ্ধা ইত্যাদি। তাই তৎকালীন বিশ্বে আমেরিকার সাংবাদিক সমাজ ব্যাপক আলোচনায় এবং সমালোচনায় জড়িয়ে পড়েন। এবং আমেরিকা-প্যারিস যুদ্ধকে হলুদ মিডিয়ার যুদ্ধ হিসেবে আখ্যায়িত করে বিশিষ্টজনেরা। হলুদ সাংবাদিকতা, হলুদ প্রেস আমেরিকার সংশ্লিষ্ট সংবাদপত্রের জন্যে একটি আমেরিকান পদ। ১৮৯৮ সালে আমেরিকার একটি ইংরেজী পত্রিকা উল্লেখ্য করে ‘আপ টু ডেট’ হলুদ সাংবাদিকতা আমেরিকান। আবার আমেরিকার সব সাংবাদিক হলুদ সাংবাদিক নয়। আর হলুদের মধ্যেও দুই প্রকার- প্রথমত মূল ধারার হলুদ (যা বিখ্যাত হয়েছিল), অপরটি হলো সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে নকল হলুদ (যা ইতিহাসে আজও বির্তকিত)। ‘‘হলুদ সাংবাদিক মানেই বিখ্যাত সাংবাদিক”। হলুদ সাংবাদিক মানেই নৈতিকতার বির্পযয়,অপপ্রচার, ধ্বংস, ধ্বস”।

১৮৯০ সালে স্যামুয়েল ওয়ারেন এবং লুই ব্র্যান্ডেইস “দ্য রাইট অফ প্রাইভেসী” সংবাদপত্রের সব আইন পর্যালোচনা করে প্রকাশ করেন, নিবন্ধের সর্বাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তির সাংবাদিকতার উত্তেজনাপূর্ণ ফর্মগুলির সমালোচনামূলক প্রতিক্রিয়া, যা তার ব্যক্তিগত গোপনীয়াতার জন্য একটি অভূতপূর্ব হুমকি হিসেবে দেখেছিল। এই নিবন্ধটি ব্যাপকভাবে কর্মের নতুন সাধারণ আইন এবং গোপনীয় স্বীকৃত অধিকারের দিকে পরিচালিত হয়েছে বলে মনে করা হয়। সেই থেকেই সংবাদপত্র প্রকাশের নীতিমালার উপরে বিশ্বের প্রতিটি রাষ্ট্রই নজরদারি ও গুরুত্ব আরোপ করেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

ময়মনসিংহে বিভাগীয় পর্যায়ের ‘অদম্য নারী পুরস্কার’ পেলেন নুরুন নাহার আক্তার

হলুদ সাংবাদিকতা

আপডেট সময় ০৩:৩০:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

সংবাদপত্রের লোকজন একটু বেশিই কালারফুল- আমিও এর ব্যতিক্রম নই। আসুন- সংবাপত্রের হলুদ কালারের সাথে নতুন ভাবে পরিচিত হই-

এ.কে.এম ফখরুল আলম-

১৮৮৩ সালে আমেরিকার নিউ ইর্য়ক শহরে জোসেফ পুলিৎজারের সম্পাদনায় নিউ ইর্য়ক ওয়ার্ল্ড প্রকাশনা শুরু হয় (সেন্ট লুই পোষ্ট ডিসপ্যাচ পদ্ধতি সম্মলিত)। নতুন বইয়ের ছবি, শিশু গল্প সিরিজ, যুদ্ধের গল্প, রবিবারের বিশেষ সংখ্যা, বিভিন্ন কুইজ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে কাগজটি পূরণ করা হতো। পাঠকদেরকে আকৃষ্ট করার জন্যে অপরাধমূলক সংবাদগুলো হলুদ রঙ্গের বিভিন্ন প্রতিকৃতি/প্রচ্ছদ/ কার্টুন এর উপরে লেখা হতো।

‘হোগানের এলি’ নামক একটি কৌতুকধর্মী সিরিজ ‘‘হলুদ বাচ্চা” নামক একটি হলুদ বর্ণের চরিত্র ছিল, যা তৎকালীন সমস্ত লেখা, গল্প, উপন্যাস থেকে আলোচনার শীর্ষে থাকে এবং চরিত্রটি পুরস্কৃত হয়। পুলিৎজার বিশ্বাস করতেন সংবাদপত্র গুলি সমাজের উন্নতির জন্য সরকারী প্রতিষ্ঠান। তাই প্রকাশনাকে সমাজ সংস্কারের কাজে নিয়োজিত রেখেছেন। নিউ ইর্য়ক ওয়ার্ল্ড মাত্র দুই বছরেই সমসাময়িক পত্রিকাগুলো যেমন- নিউইর্য়ক সান, টাইমস, দ্য সান, পোষ্ট, নিউ ইর্য়ক জার্নাল এসব পত্রিকাগুলো থেকে সর্বোচ্চ প্রচলন পত্রিকা হয়ে ওঠে এবং জোসেফ পুলিৎজারের নিউ ইর্য়ক ওয়ার্ল্ড দেশের সেরা সংবাদপত্রের পুরষ্কার অর্জন করে।

যার ফলশ্রুতিতে ঈর্ষান্বিত হয়ে সমসাময়িক প্রকাশকগণ ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলি নিউইর্য়ক ওয়ার্ল্ড পত্রিকার প্রকাশক-সম্পাদক, সাংবাদিকদেরকে কুটক্তি করে হোগানের এলি, হলুদ ক্রিমিয়া, হলুদ কিড্স, হলুদ প্রেস, হলুদ সাংবাদিক(সমালোচনা করে) উপাধিতে আখ্যায়িত করে। পরবর্তীতে পাঠক জনপ্রিয়তায় হলুদ প্রেস, হলুদ সাংবাদিক শব্দটি গর্বে-খ্যাতিতে পরিণিত হয়েছিল।

তারপরেও পুরোনো প্রকাশকগণও জোসেফ পুলিৎজারের সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে বিশ্ব বাজারে সমালোচনা অব্যাহত রাখেন। অপরাধমূলক সংবাদ স্ট্যান্টগুলির উপর নজরদারি শুরু করেন। আরো গুরুতর প্রতিশোধের জন্য উপেক্ষা করে, হলুদ সাংবাদিকতার জনপ্রিয় ধারণাকে প্রভাবিত করার জন্যে ক্যালিফোর্নিয়ার খনি শিল্পায়নের পুত্র উইলিয়াম রান্ডলফ হেরষ্ট নিউইয়র্ক সিটিতে যান এবং প্রতিদ্বন্দ্বী নিউইয়র্ক জার্নাল পত্রিকাটি কিনেন। কয়েকশ কর্মচারী নিয়ে পুলিৎজারের পত্রিকা অফিস থেকে কিছু দূরে অফিস ভাড়া করেন।

পুলিৎজারের সংবেদনশীল শৈলীকে প্রতিচ্ছবি করেছেন, পুলিৎজারের একজন কার্টুনিষ্ট শিল্পী আরএফকে অনেক টাকার বিনিময়ে ভাড়া করে, হোগানের এলির দ্বিতীয় ‘‘হলুদ বাচ্চা’’ তৈরি করার জন্য। ১৮৯০ এর উত্তেজনাপূর্ণ প্রেস হলুদ বাচ্চাদের মধ্যে একটি প্রতিযোগীতার আয়োজন করে। বিশাল হলুদ প্রিন্টে ভিত্তিহীন শিরোনাম, মিথ্যা সাক্ষাৎকার, ছদ্মবেশ, তথ্যহীন মিথ্যা-বানোয়াট সংবাদগুলি ছাপানো শুরু করে। ফলশ্রুতিতে পুলিৎজারের হলুদ খ্যাতি বিতর্কে চলে আসতে থাকে। সুনাম খ্যাত হলুদ প্রেস, হলুদ সাংবাদিক শব্দটিকে বির্তকিত করে তুলেন। ইতিহাস না জেনে আজকের বিশ্বে হলুদ প্রেস, হলুদ সাংবাদিকতা এক ঘৃণীত অধ্যায়। যা এখনো আমরা সাংবাদিক সমাজ নিরবে বহন করে যাচ্ছি।

উল্লেখ্য, প্যারিস-আমেরিকার যুদ্ধ হলুদ মিডিয়ার যুদ্ধ হিসেবে আজও পরিচিত। প্রকাশকগণ যুদ্ধের অগ্রীম ফলাফল বর্ণনা করে একাধিক ভয়ংকর যুদ্ধের গল্পও প্রকাশ করতেন। তাদের মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হলো-নারী কয়েদী, মৃত্যুদন্ড, বীরযোদ্ধা বিদ্রোহী, ক্ষুধার্ত নারী, শিশুরাও যোদ্ধা ইত্যাদি। তাই তৎকালীন বিশ্বে আমেরিকার সাংবাদিক সমাজ ব্যাপক আলোচনায় এবং সমালোচনায় জড়িয়ে পড়েন। এবং আমেরিকা-প্যারিস যুদ্ধকে হলুদ মিডিয়ার যুদ্ধ হিসেবে আখ্যায়িত করে বিশিষ্টজনেরা। হলুদ সাংবাদিকতা, হলুদ প্রেস আমেরিকার সংশ্লিষ্ট সংবাদপত্রের জন্যে একটি আমেরিকান পদ। ১৮৯৮ সালে আমেরিকার একটি ইংরেজী পত্রিকা উল্লেখ্য করে ‘আপ টু ডেট’ হলুদ সাংবাদিকতা আমেরিকান। আবার আমেরিকার সব সাংবাদিক হলুদ সাংবাদিক নয়। আর হলুদের মধ্যেও দুই প্রকার- প্রথমত মূল ধারার হলুদ (যা বিখ্যাত হয়েছিল), অপরটি হলো সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে নকল হলুদ (যা ইতিহাসে আজও বির্তকিত)। ‘‘হলুদ সাংবাদিক মানেই বিখ্যাত সাংবাদিক”। হলুদ সাংবাদিক মানেই নৈতিকতার বির্পযয়,অপপ্রচার, ধ্বংস, ধ্বস”।

১৮৯০ সালে স্যামুয়েল ওয়ারেন এবং লুই ব্র্যান্ডেইস “দ্য রাইট অফ প্রাইভেসী” সংবাদপত্রের সব আইন পর্যালোচনা করে প্রকাশ করেন, নিবন্ধের সর্বাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তির সাংবাদিকতার উত্তেজনাপূর্ণ ফর্মগুলির সমালোচনামূলক প্রতিক্রিয়া, যা তার ব্যক্তিগত গোপনীয়াতার জন্য একটি অভূতপূর্ব হুমকি হিসেবে দেখেছিল। এই নিবন্ধটি ব্যাপকভাবে কর্মের নতুন সাধারণ আইন এবং গোপনীয় স্বীকৃত অধিকারের দিকে পরিচালিত হয়েছে বলে মনে করা হয়। সেই থেকেই সংবাদপত্র প্রকাশের নীতিমালার উপরে বিশ্বের প্রতিটি রাষ্ট্রই নজরদারি ও গুরুত্ব আরোপ করেন।