ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আমরা ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে চাই না জানিয়েছেন তারেক রহমান ​হু হু করে বাড়ছে নদ-নদীর পানি: বন্যার আশঙ্কায় ৪ জেলা পূর্বধলায় আইনশৃঙ্খলা সভায় নবাগত ওসির ঘোষণা: মাদক ও অপরাধ দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ গৌরীপুরে ‘মিথ্যা মামলা’ প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ, এলাকাবাসীর নিন্দা চট্টগ্রামে নবনির্মিত নেভি মেডিকেল কলেজের উদ্বোধন বিশ্ববাজারে হু হু করে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম আবারও গাজা অভিমুখী গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলায় ইসরায়েলের হামলা পেনাল্টি ভাগ্যে সমতা: আর্সেনাল বনাম অ্যাতলেটিকো দ্বৈরথের ফয়সালা দ্বিতীয় লেগে কামরুল-মেননের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ আজ ট্রাম্পের দাবি: ইরানের পরমাণু সংকট সমাধানে ওয়াশিংটনকে সাহায্য করতে আগ্রহী পুতিন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

সরকার রপ্তানি খাতে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ছাড় দিলো

দেশের রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্পসহ সংশ্লিষ্ট খাতগুলোর বকেয়া নগদ সহায়তার বিপরীতে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ছাড় করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও উৎসব বোনাস পরিশোধের বাড়তি চাপের মুখে সরকারের এই উদ্যোগ শিল্প মালিকদের জন্য বড় ধরনের স্বস্তি নিয়ে এসেছে। 

বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) সরকারের এই সময়োপযোগী সিদ্ধান্তকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়েছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এক বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি মাহমুদ হাসান খান জানান, এই অর্থ ছাড়ের ফলে রপ্তানি খাতে বিদ্যমান তারল্য সংকট অনেকাংশে লাঘব হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারি করা সর্বশেষ প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের তৃতীয় কিস্তির প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা এবং দ্বিতীয় ধাপে ১ হাজার কোটি টাকা মিলিয়ে মোট ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বিজিএমইএ তাদের সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজ নিজ লিয়েন ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করে অর্থ সংগ্রহের প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছে।

মালিকপক্ষ মনে করছেন, ঈদ উৎসবের আগে এই অর্থ হাতে আসায় শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক অসন্তোষের ঝুঁকি কমবে এবং উৎপাদন প্রক্রিয়া সচল রাখা সম্ভব হবে। সরকারের এই ইতিবাচক সাড়া রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে নতুন উদ্দীপনা যোগ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বর্তমানে দেশের অর্থনীতিতে রেমিট্যান্স প্রবাহ ও রিজার্ভের ইতিবাচক ধারার মধ্যে রপ্তানি খাতে এই নগদ সহায়তা ছাড় এক বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। কয়েক দিন ধরেই বিজিএমইএ নেতারা সরকারের কাছে বকেয়া অর্থ ছাড়ের জন্য জোরালো দাবি জানিয়ে আসছিলেন।

তাদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার এই সময়ে রপ্তানি খাতকে টিকিয়ে রাখতে সরকারি প্রণোদনার বিকল্প নেই। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই অর্থ ছাড় করায় শিল্প মালিকরা এখন ঈদ পূর্ববর্তী অন্যান্য আর্থিক বাধ্যবাধকতাগুলো সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে পারবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আমরা ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে চাই না জানিয়েছেন তারেক রহমান

সরকার রপ্তানি খাতে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ছাড় দিলো

আপডেট সময় ১০:৩৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

দেশের রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্পসহ সংশ্লিষ্ট খাতগুলোর বকেয়া নগদ সহায়তার বিপরীতে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ছাড় করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও উৎসব বোনাস পরিশোধের বাড়তি চাপের মুখে সরকারের এই উদ্যোগ শিল্প মালিকদের জন্য বড় ধরনের স্বস্তি নিয়ে এসেছে। 

বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) সরকারের এই সময়োপযোগী সিদ্ধান্তকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়েছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এক বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি মাহমুদ হাসান খান জানান, এই অর্থ ছাড়ের ফলে রপ্তানি খাতে বিদ্যমান তারল্য সংকট অনেকাংশে লাঘব হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারি করা সর্বশেষ প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের তৃতীয় কিস্তির প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা এবং দ্বিতীয় ধাপে ১ হাজার কোটি টাকা মিলিয়ে মোট ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বিজিএমইএ তাদের সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজ নিজ লিয়েন ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করে অর্থ সংগ্রহের প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছে।

মালিকপক্ষ মনে করছেন, ঈদ উৎসবের আগে এই অর্থ হাতে আসায় শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক অসন্তোষের ঝুঁকি কমবে এবং উৎপাদন প্রক্রিয়া সচল রাখা সম্ভব হবে। সরকারের এই ইতিবাচক সাড়া রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে নতুন উদ্দীপনা যোগ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বর্তমানে দেশের অর্থনীতিতে রেমিট্যান্স প্রবাহ ও রিজার্ভের ইতিবাচক ধারার মধ্যে রপ্তানি খাতে এই নগদ সহায়তা ছাড় এক বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। কয়েক দিন ধরেই বিজিএমইএ নেতারা সরকারের কাছে বকেয়া অর্থ ছাড়ের জন্য জোরালো দাবি জানিয়ে আসছিলেন।

তাদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার এই সময়ে রপ্তানি খাতকে টিকিয়ে রাখতে সরকারি প্রণোদনার বিকল্প নেই। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই অর্থ ছাড় করায় শিল্প মালিকরা এখন ঈদ পূর্ববর্তী অন্যান্য আর্থিক বাধ্যবাধকতাগুলো সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে পারবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।