ময়মনসিংহ , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পতিত ফ্যাসিবাদকে উৎসাহিত করে, এমন কাজ থেকে বিরত থাকুন জানিয়েছেন রিজভী চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির পৃথক অভিযানে ১৪৩টি ভারতীয় মোবাইল ফোন ও বিড়ির সরঞ্জাম জব্দ শিবপুরে মোবাইল কোর্টে দুই মামলায় জরিমানা ও একজনকে ২ মাসের কারাদণ্ড দুর্গাপুরে ১১০ বোতল এসকাফসহ নারী আটক, স্বামী পলাতক আদমদীঘিতে ইউএনও-এসিল্যান্ডের হস্তক্ষেপে ৪০ পরিবারের চলাচলের পথ মুক্ত পূর্বধলা বাজারের উন্নয়নে ড্রেনেজ সংস্কার ও যানজট নিরসনের দাবি ব্যবসায়ীদের দেওয়ানগঞ্জে জেলা প্রশাসকের বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন, সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ জামালপুর জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঢাকা জেলা পুলিশের পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের র‍্যাংক ব্যাচ পরিধান ধামইরহাটে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

মারা গেলেন ভারতীয় নির্মাতা শাজি এন করুণ

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৩২:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৫
  • ২২৫ বার পড়া হয়েছে

দীর্ঘদিন ক্যানসারে ভুগে অবশেষে মারা গেলেন প্রখ্যাত ভারতীয় নির্মাতা ও চিত্রগ্রাহক শাজি এন করুণ। সোমবার (২৮ এপ্রিল) তিরুবনন্তপুরমে নিজ বাড়িতেই মৃত্যু হয় মালয়ালম সিনেমার বরেণ্য এই নির্মাতার। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট থেকে সিনেমাটোগ্রাফি বিভাগে স্বর্ণপদক পাওয়া শিক্ষার্থী ছিলেন করুণ। ১৯৭৫ সালে পড়াশোনা শেষে চিত্রগ্রাহক হিসেবে কাজ শুরু করেন তিনি। জি আরবিন্দান, কে জি জর্জের মতো নির্মাতাদের সঙ্গে ‘থাম্পু’, ‘এসথাপ্পান’ ইত্যাদি সিনেমায় কাজ করেন।

১৯৮৮ সালে ‘পিরাভি’ দিয়ে পরিচালনায় অভিষেক হয় করুণের। এই এক সিনেমা দিয়েই সমালোচকদের মনে দাগ কাটেন নির্মাতা। ভারতের জরুরি অবস্থার সময় টি ভি এচারা ওরিয়রের অন্তর্ধানের সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত। সিনেমাটি কান চলচ্চিত্র উৎসবে ক্যামেরা ডি’অরসহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক পুরস্কার পায়।

‘স্বাহম’ সিনেমার পোস্টার। ছবি: সংগৃহীত

নিজে সিনেমা নির্মাণ ছাড়াও মালয়ালম সিনেমাকে পরের ধাপে পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তার হাত ধরে কেরালার সিনেমা বিশ্বব্যাপী ব্যাপক পরিচিতি পায়। কেরালা রাজ্য সরকারের চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন তিনি।

চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য ২০১১ সালে ভারত সরকার তাকে পদ্মশ্রী পদকে ভূষিত করে। পরিচালক, চিত্রগ্রাহক ও প্রযোজক হিসেবে সাতবার ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান তিনি। এ ছাড়া ১৯৯৯ সালে ফরাসি সরকার তাকে অর্দ্র দেজ আর এ দে লেত্র সম্মানে ভূষিত করে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পতিত ফ্যাসিবাদকে উৎসাহিত করে, এমন কাজ থেকে বিরত থাকুন জানিয়েছেন রিজভী

মারা গেলেন ভারতীয় নির্মাতা শাজি এন করুণ

আপডেট সময় ০২:৩২:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৫

দীর্ঘদিন ক্যানসারে ভুগে অবশেষে মারা গেলেন প্রখ্যাত ভারতীয় নির্মাতা ও চিত্রগ্রাহক শাজি এন করুণ। সোমবার (২৮ এপ্রিল) তিরুবনন্তপুরমে নিজ বাড়িতেই মৃত্যু হয় মালয়ালম সিনেমার বরেণ্য এই নির্মাতার। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট থেকে সিনেমাটোগ্রাফি বিভাগে স্বর্ণপদক পাওয়া শিক্ষার্থী ছিলেন করুণ। ১৯৭৫ সালে পড়াশোনা শেষে চিত্রগ্রাহক হিসেবে কাজ শুরু করেন তিনি। জি আরবিন্দান, কে জি জর্জের মতো নির্মাতাদের সঙ্গে ‘থাম্পু’, ‘এসথাপ্পান’ ইত্যাদি সিনেমায় কাজ করেন।

১৯৮৮ সালে ‘পিরাভি’ দিয়ে পরিচালনায় অভিষেক হয় করুণের। এই এক সিনেমা দিয়েই সমালোচকদের মনে দাগ কাটেন নির্মাতা। ভারতের জরুরি অবস্থার সময় টি ভি এচারা ওরিয়রের অন্তর্ধানের সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত। সিনেমাটি কান চলচ্চিত্র উৎসবে ক্যামেরা ডি’অরসহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক পুরস্কার পায়।

‘স্বাহম’ সিনেমার পোস্টার। ছবি: সংগৃহীত

নিজে সিনেমা নির্মাণ ছাড়াও মালয়ালম সিনেমাকে পরের ধাপে পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তার হাত ধরে কেরালার সিনেমা বিশ্বব্যাপী ব্যাপক পরিচিতি পায়। কেরালা রাজ্য সরকারের চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন তিনি।

চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য ২০১১ সালে ভারত সরকার তাকে পদ্মশ্রী পদকে ভূষিত করে। পরিচালক, চিত্রগ্রাহক ও প্রযোজক হিসেবে সাতবার ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান তিনি। এ ছাড়া ১৯৯৯ সালে ফরাসি সরকার তাকে অর্দ্র দেজ আর এ দে লেত্র সম্মানে ভূষিত করে।