ময়মনসিংহ , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আলোচিত নাসির-তামিমা মামলার রায় আজ, নজরে আদালত ​মার্কিন পঞ্চম নৌবহরে হামলার হুমকি দিলো ইরান, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে পূর্বধলায় বিদ্যুৎ বিলের বকেয়া আদায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ২০৬ সংযোগ বিচ্ছিন্ন সরকারি চাকরিজীবীদের সুখবর: জুনেই নতুন পে-স্কেলের গেজেট, আসছে গ্রেড ও পেনশন সুবিধায় বড় পরিবর্তন গৌরীপুরে মাদ্রাসাছাত্র নিখোঁজ, সন্ধানের অপেক্ষায় পরিবার ময়মনসিংহের গৌরীপুরে মামলার জেরে পুকুরে বিষ প্রয়োগ, লক্ষাধিক টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ফেরাতে উদ্যোগ: আলিমের সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক জুলাই থেকেই কার্যকর হতে যাচ্ছে নবম পে-স্কেল! প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা: অনুমোদনের অপেক্ষায় ৮,১০৬ কোটি টাকার ১২ প্রকল্প বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন বলেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

হবিগঞ্জে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ৪০

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৪২:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫
  • ১৪৩ বার পড়া হয়েছে

পূর্ববিরোধ ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুপক্ষের ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে । এই ঘটনাউভয়পক্ষের নারী-পুরুষসহ অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছে। এ সময় বেশ কয়েকটি বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

আজ মঙ্গলবার (১৩ মে) সকাল ৮টা থেকে প্রায় ৯টা পর্যন্ত উপজেলার জলসুখা ইউনিয়নের দক্ষিণ আটপাড়া, জলসুখা হাটি, দক্ষিণ পাড়া, ইছবপুর, শঙ্খমহল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- সাইকুল বেগম (৫০), জিয়া রহমান (৩৫), তকদির মিয়া (৪২), ইমন (২২), নাইম (২৪), সামিম (১৯), মছদ উল্লা (৬০), জয় (২০) মুসকুদ উল্লা (৫০) আলী নুর (১৪), ফয়সল (১৪)। বাকিরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ববিরোধ ও গ্রামীণ আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ডা. রেজাউল করিম, বর্তমান ইউপি সদস্য আলাউদ্দিন মিয়া, জহুর হোসেন গং ও ইউপি চেয়ারম্যান ফয়েজ আহমেদ খেলু, সাবেক ইউপি সদস্য লিবাছ মিয়া ও রন্টি মিয়া গং-এর মধ্যে বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।

এর জেরে তাদের মধ্যে বিগত কয়েক মাসে বেশ কয়েক দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দশ দিন আগে ডা. রেজাউল করিমের ভাই সাবেক পুলিশ সদস্য জনি মিয়া, লিবাছ মিয়ার পক্ষের আজাদ মিয়ার পরিবারের একজনকে মারধর করেন। এরপর গত ৯ মে সকালে আজাদ মিয়ার লোকজন ডা. রেজাউল করিমকে মারধর করেন।

এরই জেরে সোমবার (১২ মে) বিকেলে ডা. রেজাউল করিমের পক্ষের জহুর হোসেন মিয়ার লোকজন লিবাছ মিয়ার পক্ষের আজাদ মিয়ার স্ত্রীকে মারধর করেন। এ নিয়ে মঙ্গলবার সকালে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চলা এ সংঘর্ষে উভয়পক্ষের নারী পুরুষসহ অন্তত ৪০ জন আহত হন।

ডা. রেজাউল করিম জানান, কিছুদিন আগে আমার ওপর হামলার ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করি। সোমবার ওই মামলায় পুলিশ আসামি ধরতে গ্রামে গেলে প্রতিপক্ষের লোকজন আমাদের লোকজনকে মারধর করে। মঙ্গলবার সকালে আবারও তারা কয়েকজনকে তারা ধাওয়া করে। এর প্রতিবাদে গ্রামবাসীর একাংশ একত্রিত হয়ে তাদের প্রতিহত করে। আমি মামলা দাযের করার পর থেকেই তাদের হুমকিতে আত্মগোপনে আছি।

ইউপি সদস্য লিবাছ মিয়া জানান, গতকাল জহুর হোসেন এবং ডা. রেজাউলের ভাই জনিসহ তাদের পরিবারের লোকজন আমাদের পক্ষের আজাদ মিয়ার স্ত্রীকে মারপিট করে। আজ সকালেও তারা আমাদের লোকজনদের মারার জন্য ধাওয়া করে। আমরা আমাদের লোকজনকে নিষেধ করেছি কোনো সংঘর্ষে না জড়াতে। তারপরও প্রতিপক্ষের লোকজন হামলা করলে আমরা আত্মরক্ষার্থে প্রতিহত করি৷ তারা আমাদের বেশ কয়েকটি বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে।

আজমিরীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে। সেখানে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আলোচিত নাসির-তামিমা মামলার রায় আজ, নজরে আদালত

হবিগঞ্জে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ৪০

আপডেট সময় ০২:৪২:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫

পূর্ববিরোধ ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুপক্ষের ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে । এই ঘটনাউভয়পক্ষের নারী-পুরুষসহ অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছে। এ সময় বেশ কয়েকটি বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

আজ মঙ্গলবার (১৩ মে) সকাল ৮টা থেকে প্রায় ৯টা পর্যন্ত উপজেলার জলসুখা ইউনিয়নের দক্ষিণ আটপাড়া, জলসুখা হাটি, দক্ষিণ পাড়া, ইছবপুর, শঙ্খমহল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- সাইকুল বেগম (৫০), জিয়া রহমান (৩৫), তকদির মিয়া (৪২), ইমন (২২), নাইম (২৪), সামিম (১৯), মছদ উল্লা (৬০), জয় (২০) মুসকুদ উল্লা (৫০) আলী নুর (১৪), ফয়সল (১৪)। বাকিরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ববিরোধ ও গ্রামীণ আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ডা. রেজাউল করিম, বর্তমান ইউপি সদস্য আলাউদ্দিন মিয়া, জহুর হোসেন গং ও ইউপি চেয়ারম্যান ফয়েজ আহমেদ খেলু, সাবেক ইউপি সদস্য লিবাছ মিয়া ও রন্টি মিয়া গং-এর মধ্যে বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।

এর জেরে তাদের মধ্যে বিগত কয়েক মাসে বেশ কয়েক দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দশ দিন আগে ডা. রেজাউল করিমের ভাই সাবেক পুলিশ সদস্য জনি মিয়া, লিবাছ মিয়ার পক্ষের আজাদ মিয়ার পরিবারের একজনকে মারধর করেন। এরপর গত ৯ মে সকালে আজাদ মিয়ার লোকজন ডা. রেজাউল করিমকে মারধর করেন।

এরই জেরে সোমবার (১২ মে) বিকেলে ডা. রেজাউল করিমের পক্ষের জহুর হোসেন মিয়ার লোকজন লিবাছ মিয়ার পক্ষের আজাদ মিয়ার স্ত্রীকে মারধর করেন। এ নিয়ে মঙ্গলবার সকালে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চলা এ সংঘর্ষে উভয়পক্ষের নারী পুরুষসহ অন্তত ৪০ জন আহত হন।

ডা. রেজাউল করিম জানান, কিছুদিন আগে আমার ওপর হামলার ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করি। সোমবার ওই মামলায় পুলিশ আসামি ধরতে গ্রামে গেলে প্রতিপক্ষের লোকজন আমাদের লোকজনকে মারধর করে। মঙ্গলবার সকালে আবারও তারা কয়েকজনকে তারা ধাওয়া করে। এর প্রতিবাদে গ্রামবাসীর একাংশ একত্রিত হয়ে তাদের প্রতিহত করে। আমি মামলা দাযের করার পর থেকেই তাদের হুমকিতে আত্মগোপনে আছি।

ইউপি সদস্য লিবাছ মিয়া জানান, গতকাল জহুর হোসেন এবং ডা. রেজাউলের ভাই জনিসহ তাদের পরিবারের লোকজন আমাদের পক্ষের আজাদ মিয়ার স্ত্রীকে মারপিট করে। আজ সকালেও তারা আমাদের লোকজনদের মারার জন্য ধাওয়া করে। আমরা আমাদের লোকজনকে নিষেধ করেছি কোনো সংঘর্ষে না জড়াতে। তারপরও প্রতিপক্ষের লোকজন হামলা করলে আমরা আত্মরক্ষার্থে প্রতিহত করি৷ তারা আমাদের বেশ কয়েকটি বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে।

আজমিরীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে। সেখানে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।